...
...
Next Story

The Odyssey movie: সিজিআই ছাড়াই পর্দায় ১০ ফুটের দৈত্য! ‘দি ওডিসি’-তে ম্যাট ডেমনের বিপজ্জনক দৃশ্যের শ্যুটিং হল কীভাবে

Christopher Nolan The Odyssey movie: ক্রিস্টোফার নোলান মানেই সিনেম্যাটিক ফ্রেমের নিখুঁত বাস্তবতা। ‘ইন্টারস্টেলার’ বা ‘ওপেনহাইমার’-এর পর তাঁর মহাকাব্যিক প্রজেক্ট ‘দি ওডিসি’ চলচ্চিত্রের নির্মাণশৈলী নিয়ে তৈরি হয়েছে বিপুল কৌতূহল।

Published on: Jul 23, 2026, 10:00:35 IST
Advertisement

Matt Damon female stunt double: হলিউডের খ্যাতনামা পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান (Christopher Nolan) তাঁর চলচ্চিত্রে সিজিআই (CGI) বা কম্পিউটার গ্রাফিক্সের ন্যূনতম ব্যবহারের জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। পর্দায় বাস্তবতার ছোঁয়া ধরে রাখতে তিনি অবিশ্বাস্য সব সেট নির্মাণ এবং বাস্তবিক স্পেশাল ইফেক্টসের আশ্রয় নিয়ে থাকেন। গ্রীক মহাকাব্য ‘দি ওডিসি’ (The Odyssey)-র ওপর ভিত্তি করে নির্মিত তাঁর নতুন মাস্টারপিস সিনেমা নিয়ে চলচ্চিত্র প্রেমীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

সিজিআই ছাড়াই পর্দায় ১০ ফুটের দৈত্য! ‘দি ওডিসি’-তে শ্য়ুটিং হল কীভাবে
সিজিআই ছাড়াই পর্দায় ১০ ফুটের দৈত্য! ‘দি ওডিসি’-তে শ্য়ুটিং হল কীভাবে

‘হিন্দুস্তান টাইমস’ (Hindustan Times)-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ছবিতে ১০ ফুট লম্বা দৈত্য বা জায়ান্টদের পর্দায় ফুটিয়ে তুলতে নোলান কোনো ডিজিটাল সিজিআই ব্যবহার করেননি। এমনকি অভিনেতা ম্যাট ডেমন (Matt Damon)-এর একটি বিপজ্জনক দৃশ্য শুট করার জন্য তিনি এক নারী স্টান্ট ডাবলকে (Female Stunt Double) ব্যবহার করে বিশ্ব সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে চমকে দিয়েছেন।

ক্রিস্টোফার নোলান মানেই সিনেম্যাটিক ফ্রেমের নিখুঁত বাস্তবতা। ‘ইন্টারস্টেলার’ বা ‘ওপেনহাইমার’-এর পর তাঁর মহাকাব্যিক প্রজেক্ট ‘দি ওডিসি’ চলচ্চিত্রের নির্মাণশৈলী নিয়ে তৈরি হয়েছে বিপুল কৌতূহল।

১০ ফুট লম্বা দৈত্য নির্মাণে কোনো সিজিআই নয়

সাধারণত হলিউডে কোনো কাল্পনিক বা দানবীয় চরিত্র তৈরি করতে গ্রিন স্ক্রিন ও উচ্চমানের ভিএফএক্স (VFX) ব্যবহার করা হয়। কিন্তু নোলান হেঁটেছেন সম্পূর্ণ বিপরীত পথে। প্রতিবেদনে প্রকাশ, ছবিতে ব্যবহৃত ১০ ফুট লম্বা দৈত্যদের (Giants) জীবন্ত রূপ দিতে তিনি প্রাক-কম্পিউটার যুগের প্র্যাকটিক্যাল ইফেক্টস এবং নিখুঁত স্কেল মডেলের সাহায্য নিয়েছেন। বিশেষ ধরণের প্রোপস, মেকআপ, ফোরসড পারসপেক্টিভ (Forced Perspective) এবং বিশালাকার মেকানিক্যাল অ্যানিমেট্রনিক্স পুতুল ব্যবহারের মাধ্যমে এই চরিত্রগুলোকে ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছে। অভিনেতারা যখন সেটে শুটিং করছিলেন, তখন তাঁরা কোনো কাল্পনিক গ্রিন স্ক্রিনের দিকে না তাকিয়ে সামনে রাখা আসল বিশালাকার স্ট্রাকচারের সাথে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছেন, যা দৃশ্যের গভীরতা বহু গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

ম্যাট ডেমনের দৃশ্যে নারী স্টান্ট ডাবলের চমক

ডিজিটাল যুগে যেখানে এক ক্লিকেই সবকিছু তৈরি করা সম্ভব, সেখানে নোলানের আসল লোকেশনে গিয়ে নিখুঁত মেকানিক্স দিয়ে ছবি তোলার এই তাগিদ আধুনিক চলচ্চিত্র নির্মাণকে এক নতুন দিশা দেখাচ্ছে। সেটের অন্দরমহলের কর্মীরা জানিয়েছেন, প্রতিটি দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করার পেছনে মাসের পর মাস গাণিতিক হিসাব ও ফিজিক্যাল স্টান্ট অনুশীলনের প্রয়োজন হয়েছে।

ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দি ওডিসি’ কেবল একটি সিনেমা হতে যাচ্ছে না, এটি হতে চলেছে সেলুলয়েডে বাস্তবতার এক ট্রাইঅ্যাম্প বা বিজয়গাথা। সিজিআই বর্জন করে ১০ ফুটের দৈত্য তৈরি থেকে শুরু করে নারী স্টান্ট ডাবলের অনন্য প্রয়োগ—সব মিলিয়ে সিনেমাটি মুক্তি পেলে যে রূপালী পর্দায় নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করবে, তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe