...
...
Next Story

Aditi-Debraj Love Story: বারবার ফোন, ছ'মাস ধরে উপহার, অদিতির মন পেতে আর কী কী করতে হয়েছিল দেবরাজকে?

বারবার ফোন, ছ'মাস ধরে উপহার, শেষে পরিবারের মন জিতে অদিতিকে বিয়েতে রাজি করান দেবরাজ! গ্রেফতারের পর ফের চর্চায় পুরনো প্রেমকাহিনি।

Published on: Jul 3, 2026, 20:00:04 IST
Advertisement

পশ্চিমবঙ্গে আর্থিক অনিয়ম ও আয়ের তুলনায় অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় এসটিএফ-এর হাতে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা দেবরাজ চক্রবর্তীর গ্রেফতারের পর ফের আলোচনায় উঠে এসেছে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন। বিশেষ করে কীর্তনশিল্পী তথা বিধায়ক অদিতি মুন্সির সঙ্গে তাঁর প্রেম ও বিয়ের গল্প নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

অদিতি ও দেবরাজের প্রেমকাহিনি।
অদিতি ও দেবরাজের প্রেমকাহিনি।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৫ সালে 'সা রে গা মা পা'য় অংশ নেওয়ার পর অদিতি মুন্সির জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। সেই সময়ই তাঁর কীর্তন ও ভক্তিমূলক গান শুনে মুগ্ধ হন বিধাননগরের কাউন্সিলর তথা তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী। এরপর থেকেই অদিতির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা শুরু করেন তিনি।

প্রথমদিকে অবশ্য দেবরাজের কোনও ফোনেরই উত্তর দেননি অদিতি। একজন রাজনীতিকের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তুলতে তিনি আগ্রহী ছিলেন না বলেই জানা যায়। কিন্তু তাতেও দমে যাননি দেবরাজ।

সরাসরি যোগাযোগে সাড়া না পেয়ে তিনি অন্য পথ বেছে নেন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি নিয়মিত অদিতির বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন। শুধু অদিতিকেই নয়, তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতিও সম্মান দেখাতেন এবং প্রায়ই উপহার নিয়ে যেতেন। ধীরে ধীরে অদিতির মা-সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের আস্থা ও স্নেহ অর্জন করেন তিনি।

তবে সেই বহুচর্চিত প্রেমকাহিনি এখন নতুন করে শিরোনামে। শুধু দেবরাজের দিকেই আঙুল ওঠেনি। অদিতির উপরেও ঝুলছে খাঁড়া। ২০২৬ সালের জুলাই মাসে আর্থিক অনিয়ম ও আয়ের তুলনায় অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পত্তির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে। এই একই মামলায় নাম জড়িয়েছে দেবরাজের স্ত্রী অদিতি মুন্সী। যদিও সদ্যোজাত সন্তান থাকায় আদালত তাঁর আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে।

তবে অদিতিকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি বিধায়ক, আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তিনি বলেন, ‘ওঁর (দেবরাজ) বউ গান করতেন, তিনিও কিছু কম যান না। সম্পত্তির কিছুটা অংশ তো তাঁর নামেও ছিল। বউ ও জানত, স্বামী শুধু চোর নয়, ডাকাত। খুনের কথাটাও ওর বউ জানতেন। তিনি নিজেও তো এক বাচ্চার মা, জানেন না সন্তান মারা গেলে কী কষ্ট হয়? তারপরেও দেবরাজের সঙ্গেই থেকে গিয়েছেন।’

এমনকী তরুণজ্যোতি আঙুল তুলেছেন অদিতির চরিত্রের দিকেও। বলেছেন, ‘উনি যখন গানের প্রতিযোগীতায় গিয়েছিলেন, যাঁরা যাঁরা ওই প্যানেলে ছিলেন, তাঁদের সঙ্গে কী ধরণের চ্যাট হত... চ্যাটগুলো আমার কাছে আছে। সেগুলো পাবলিশ করে দিতে পারি। কিন্তু আমি মহিলাদের সম্মান করি... ওঁর বাচ্চা রয়েছে। আমিও বাচ্চার বাবা। বাবা চোর, মা চোর। বাচ্চা কী করবে? বাচ্চাটা ভাল থাকুক, তার জন্যই হয়তো বাইরে রয়েছেন। কোর্ট ও সেটাই মনে করেছে।’ তবে গোটা ঘটনায় এখনো মুখ বন্ধই রেখেছেন অদিতি মুন্সি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe