...
...
Next Story

Sayantika Banerjee: MLA-র মাইনে কত? উত্তর দিতে হোঁচট খেল সায়ন্তিকা, ‘মাসে ৬০ হাজার, উন্নয়নে বছরে ৬০ লাখ’

বিধায়ক মাসে কত টাকা মাইনে পান, জানতে ফোন করতে হল সায়ন্তিকাকে। তৃণমূলের বরানগরের বিধায়ক ছিলেন সায়ন্তিকা। এখন অবশ্য রাজনীতি থেকে শতহস্ত দূরে নায়িকা।

Published on: Oct 9, 2026, 14:30:34 IST
Advertisement

পর্দার অভিনেত্রী থেকে রাজনীতির ময়দান— বাঁকুড়ার লড়াইয়ের পর বরানগরের উপনির্বাচনে জিতে বিধায়ক (MLA) হয়েছিলেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ২০২৬-এর নির্বাচনে বিজেপির সজল ঘোষের কাছে হারের মুখ দেখেন নায়িকা। তারপরই রাজনীতিকে কার্যত ‘অলবিদা’ জানিয়েছেন। তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব চোখে পড়ার মতো। সম্প্রতি সঞ্চালক ও অভিনেতা সায়নের জনপ্রিয় পডকাস্ট শো ‘অকপট’-এ হাজির হয়েছিলেন এই তারকা-রাজনীতিবিদ। আর সেখানেই সায়নের একগুচ্ছ সোজা ও ধারালো প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে নিজের বেতন থেকে শুরু করে এলাকায় করা যাবতীয় কাজের খতিয়ান সোজাসুজি তুলে ধরলেন সায়ন্তিকা।

MLA-র মাইনে কত? উত্তর দিতে হোঁচট খেল সায়ন্তিকা, ‘মাসে ৬০ হাজার, উন্নয়নে বছরে ৬০ লাখ’
MLA-র মাইনে কত? উত্তর দিতে হোঁচট খেল সায়ন্তিকা, ‘মাসে ৬০ হাজার, উন্নয়নে বছরে ৬০ লাখ’

‘এমএলএ-র মাইনে কত?’ পডকাস্টে অন-কল নিশ্চিত করলেন বিধায়িকা!

কথাবার্তার মাঝেই সায়ন সরাসরি সায়ন্তিকাকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, ‘এমএলএ-র মাইনে কত হয়, এটা বলো?’ ২ বছর বিধায়ক থেকেও বিধায়কের মাইনে জানেন না সায়ন্তিকা। ফোন করে সাহায্য চাইলেন। ফোনের ওপার থেকে তথ্য নিশ্চিত হয়ে সায়ন্তিকা জানান, একজন বিধায়কের মাসিক বেতন প্রায় ৬০ হাজার টাকা।

সায়ন্তিকার উত্তর শুনে সায়ন যখন মজা করে বলেন, ‘সাধারণ মানুষের প্রশ্ন তো! তাহলে আপনার এলাকার এমএলএ মাত্র ৬০ হাজার টাকা পান!’— তখনই সায়ন্তিকা তৎক্ষণাৎ কড়া সুরে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শুধরে দিয়ে বলেন, ‘উন্নয়ন না করলে সাধারণ মানুষ ধরবেন! বিধায়করা মাসে ৬০ হাজার টাকা মাইনে পান আর এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য বছরে পান ৬০ লক্ষ টাকা!’

বরানগরে কী কী কাজ করলেন সায়ন্তিকা?

বিধায়ক তহবিলের টাকা কোথায় কীভাবে খরচ হয়েছে, তা নিয়ে সায়নের প্রশ্নের জবাবে সায়ন্তিকা তাঁর এলাকায় করা কাজের দীর্ঘ তালিকা সটান তুলে ধরেন। তিনি জানান, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে বরানগরে একাধিক জনকল্যাণমূলক কাজ সম্পন্ন হয়েছে:

স্বাস্থ্য ও পরিষেবা: সাধারণ মানুষের জন্য দেওয়া হয়েছে অ্যাম্বুলেন্স, বসানো হয়েছে পানীয় জলের ফিল্টার।

নারীসুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবিধি: মেয়েদের স্বাস্থ্যবিধির কথা মাথায় রেখে স্থানীয় স্কুলগুলোতে স্যানিটারি প্যাডের জন্য বসানো হয়েছে ভেন্ডিং মেশিন।

আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা: সাধারণ স্কুলগুলোকে আপগ্রেড করে তৈরি করা হয়েছে আধুনিক স্মার্ট ক্লাসরুম।

কথার শেষে সায়ন্তিকা বলেন, ‘দু’বছরে এর থেকে বেশি আর কী-ই বা করব! আরও অনেক কাজ করেছি, এখনও অনেক কিছু হয়তো এই মুহূর্তে এক টানে মনে পড়ছে না। তবে বরানগরের মানুষ ভালো করেই জানেন কতটা কাজ হয়েছে।’ সায়নের পডকাস্টের এই আগুনের মতো ক্লিপটি প্রকাশ্যে আসতেই নেটপাড়ায় রীতিমতো চর্চার ঝড় উঠেছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks