...
...
Next Story

Iman Troll: ‘নেতাদের পা চেটে, ৩-৪ লাখ টাকা নিয়ে…’! ফের আক্রমণ ইমনকে, পালটা ‘হুমকি’ গায়িকার

জগন্নাথদেবের পুজোয় ঠাকুরের আসনে মায়ের ফোটো রাখা নিয়ে ট্রোলের মুখ পড়ে ইমন। তবে সম্প্রতি এক মহিলা সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইমনকে করেন ব্যক্তিগত আক্রমণ। ছাড়ার পাত্রী নন গায়িকাও। দিলেন পালটা হুমকি।

Published on: Aug 3, 2026, 17:02:51 IST
Advertisement

সম্প্রতি বাড়িতে ধুমধাম করে জগন্নাথ পুজো করেছিলেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। আর সেখানে পুজোর স্থানে নিজের মায়ের ছবি রাখা নিয়ে বিতর্কের শুরু। একাধিক কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। ইমন স্পষ্ট জানান যে, তিনি মাকেও ভগবানের আসনেই বসান এবং কে কী বলল তাতে তাঁর কিছু যায় আসে না।

মা-বাবাকে টেনে অনবরত আক্রমণ, ধৈর্যের বাধ ভাঙল ইমনের।
মা-বাবাকে টেনে অনবরত আক্রমণ, ধৈর্যের বাধ ভাঙল ইমনের।

তবে এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক মহিলার করা পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন গায়িকা। নবনীতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামের সেই হিলা ফেসবুকে প্রশ্ন তোলেন, কেন ভগবান জগন্নাথকে ইমনের প্রয়াত মায়ের ছবির নীচে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল! তবে এরপর জাতীয় পুরস্কার-জয়ী গায়িকাকে নিয়ে একাধিক বিস্ফোরক দাবি করতে থাকেন।

তাঁর পোস্টে লেখা হয়, ‘একটি ইন্টারভিউতে এই মহান গায়িকা বললেন যে তাঁর জগন্ময় দেব, দুর্গা, কালীর স্থান হলো তাঁর বাবা-মায়ের নীচে। কারণ বাবা-মায়ের জন্য তিনি নাকি পৃথিবীর আলো দেখেছেন। পড়াশোনার দৌড় কত তা জানি না, তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাপ তো নিশ্চয়ই আছে। কিন্তু সেটা থাকলে এমন বলা কেন’!

এখানেই থেমে না থেকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে লেখা হয়, ‘জগন্নাথ দেব, দুর্গা, কালী— উনার মা-বাবা শুধু কেন, যাঁদের থেকে সুবিধা নিয়ে দিনের পর দিন প্রোগ্রাম পেয়ে স্টেজে নেচে বেড়িয়েছেন, তারাও ওঁর কাছে তাহলে ঈশ্বরের ওপর। কারণ তাঁদের দয়ায় এতদিন করে খেয়ে গেছেন। এদের কাছে যে কোনও মূল্যে টাকা রোজগার করাটাই লক্ষ্য। আর সব অনুষ্ঠানে লিখিত কত জানি না, অলিখিত ভাবে ৩/৪ লাখ টাকা নিয়েছেন। সেটা যদি উনার যোগ্যতা হয়, সেটা যারা ঠিক করে দিলেন, তারা আপনার-আমার পকেট কেটে, তোলাবাজির টাকাই ওঁদের পকেটে দিলেন। কারণ তোষামোদকারী আর বিনোদন দিয়ে লোক ভালোলো, কিন্তু লোকের তাদেরও প্রয়োজন। আর সেই টাকার কতটা চেক, কতটা ক্যাশ, তাও জানি না। কারণ সেগুলো অত্যন্ত গোপনীয়—আপনার আমার কাছে। সত্যিই এরা এত টাকা পাওয়ার যোগ্য?’ (পোস্টটির ভাষা ও বানান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।)

আর সেই পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করেই ইমন লিখলেন, ‘অনেক হয়েছে। ধৈর্যের বাধ ভাঙলে মুশকিল। এই মহিলা আমাকে ব্লক করে এই পোস্টটি করেছেন। যা যা বলেছেন উনি তার প্রমাণ দিক। কোথায় কত টাকার গল্প উনি দিচ্ছেন তার প্রমাণ তো আমার চাই। আর না হলে এবার একটু মুশকিল। হ্যাঁ আমার কাছে আমার বাবা-মা-ই সবার আগে। আমার নাম করা যদি দোষের হয়ে যায়, তাহলে আমি বারবার করতে রাজি।’

তাঁকে শান্ত করার চেষ্টা করে এক নেটিজেনের পরামর্শ, ‘মানুষ যখন নিজের পরিশ্রমে সফল হয়, তখন হিংসুক বা দুর্জনেরা কষ্ট পায় এবং দোষ খোঁজার ছল করে। অন্যের ঈর্ষা বা কথায় দমে না গিয়ে নিজের সাধনা চালিয়ে যাওয়া যান। আর ঈশ্বরের আরাধনা তখনই সার্থক হয়, যখন জীবন্ত ঈশ্বর অর্থাৎ নিজের মা-বাবাকে ঠিকমতো সম্মান ও সেবা করা হয়।’

আরেকজন লেখেন, ‘ইমন যাদের সাহস নেই, তোমাকে ব্লক না করে তোমার সমালোচনা করার, তাদের লাইমলাইটে এনো না। এরা দরকার পড়লে নিজের কাছের মানুষকে নিয়েও কথা বলতে ছাড়বে না।’ যার জবাবে ইমন লিখলেন, ‘সবাই একটু দেখুক রোজ কত কিছু সহ্য করতে হয়। মা-বাবাকে নিয়ে আক্রমণ করা বন্ধই হচ্ছে না।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe