ইমরান খানের ভারত ছাড়ায় স্থগিতাদেশ, বড় ঘোষণা বোম্বে হাইকোর্টের

গত ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন ইমরান খান। এরপরেই দেখা যায় তাঁকে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়েছে। ছবি এবং ভিডিও ঝড়ের গতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। খবরের শিরোনামে উঠে আসেন ইমরান খান।

Published on: Oct 27, 2026, 19:38:00 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

গত ১০ অক্টোবর মুম্বাইয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন ইমরান খান। এরপরেই দেখা যায় তাঁকে পুলিশের গাড়িতে তোলা হয়েছে। ছবি এবং ভিডিও ঝড়ের গতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। খবরের শিরোনামে উঠে আসেন ইমরান খান।

ইমরান খানের ভারত ছাড়ায় স্থগিতাদেশ
ইমরান খানের ভারত ছাড়ায় স্থগিতাদেশ

এই গোটা ঘটনায় ইমরান আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়েন কারণ তিনি বিদেশি নাগরিক। একজন বিদেশি নাগরিক হয়ে কীভাবে দেশের কোনও ব্যাপারে তিনি কথা বলতে পারেন তা নিয়ে শুরু হয় প্রশ্ন। রাজনৈতিক প্রতিবাদে যোগ দেওয়ার অভিযোগে ইমরানকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশ অনুযায়ী ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ভারত ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার কথা ছিল ইমরানের।

আরও পড়ুন: কৃষ্ণ প্রেমে বিভোর বিরাট, গুনগুন করে গান করলেন অনুষ্কা, ভাইরাল কনসার্টের ভিডিয়ো

কিন্তু এবার বোম্বে হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিল, তাতে কিছুটা স্বস্তিতে ইমরান খান। মঙ্গলবার বোম্বে হাইকোর্টের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এখন ইমরানকে ভারত ছেড়ে যেতে হবে না। পরবর্তী শুনানির তারিখ দেওয়া হয়েছে ২ নভেম্বর। প্রধান বিচারপতি মহেশ চন্দ্র ত্রিপাঠী এবং বিচারপতি অদ্বৈত শেঠনার সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা ওঠে।

ইমরানের আইনজীবী আদালতকে জানান যে বিষয়টি একটি জরুরী ভিত্তিতে দেখা উচিত কারণ বুধবারের মধ্যে ইমরানকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অনি সিংহ আদালতকে জানান, মামলাটি নিয়ে এগোনোর জন্য তারা সময় চান। এরপর মামলার আগামী শুনানির দিন ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন: পুজো মিটতেই বড় খবর, ডিজিটাল প্লাটফর্মে মুক্তি পেতে চলেছে ‘উইঙ্কল-টুইঙ্কল’

কী ঘটেছিল?

১০ অক্টোবর, পুলিশ অগস্ট ক্রান্তি ময়দান থেকে অভিনেতা, তার সঙ্গী লেখা ওয়াশিংটন, তার মা নুঝাত, তার ভাই জেইন মেরি এবং আরও বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে। তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রচারাভিযানে কর্মী তুষার গান্ধীর সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন।

শত শত বিক্ষোভকারীকে আটক করার পর, বিজেপি নেতা কিরিট সোমাইয়া বিদেশি নাগরিক হিসেবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের অভিযোগে খানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এফআরআরও ১৫ অক্টোবর এই নোটিশ জারি করে।

ইমরান নিয়ম লঙ্ঘনের কথা অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছান তখন সেখানে কোনো বিক্ষোভ চলছিল না এবং তিনি বিক্ষোভস্থলে প্রবেশের জন্য পুলিশের ব্যারিকেড অতিক্রম করেননি। তিনি বলেন, গাড়িতে ফেরার পথে গণমাধ্যমকর্মীরা তাঁকে ঘিরে ধরলে তিনি আটক হন।