চলতি বছরের শুরুতেই প্লে ব্যাক থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অরিজিৎ সিং। যদিও তাতে জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্রের জনপ্রিয়তা একচুলও কমেনি। চলুন এবার চোখ রাখা যাক, কোন শহরের মানুষদের মধ্যে বেশি জনপ্রিয় গায়ক। ইউটিউব চার্টে ৫০০ সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে জায়গা ধরে রেখেছেন অরিজিৎ। ২০২৬ সালের ২০ মার্চ থেকে, ২০২৬ সালের ১৬ এপ্রিল অবধি পাওয়া তথ্য অনুসারে এই প্রতিবেদন। চলুন এবার চোখ রাখা যাক তালিকায়-

মুম্বই: অরিজিৎ সিংয়ের গানগুলি ইউটিউবে গত ২৮ দিনে দিল্লিতে সবচেয়ে বেশি দেখা এবং শোনা হয়েছে। এখানে তিনি ৫৮.২ মিলিয়ন ভিউ পেয়েছেন। এবার প্রশ্ন যদি এই শহর ১ নম্বরে থাকে, তাহলে কলকাতা কত নম্বরে?
পাটনা: এখানে মহিলা গায়কদের মধ্যে অলকা ইয়াগনিক এবং শিল্পী রাজের গান অনেক শোনা যায়। একই সঙ্গে অরিজিৎ সিংয়ের গান শোনার দিক থেকেও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাটনা। অরিজিৎ সিংয়ের গানগুলি ইউটিউবে ৫২ মিলিয়ন ভিউ পেয়েছে।
বেঙ্গালুরু: তিন নম্বরে রয়েছে বেঙ্গালুরু শহর। এখানকার মানুষও অরিজিৎ সিংয়ের গান শুনেছেন। ২৮ দিনের মধ্যে, অরিজিৎ সিংয়ের গানের ভিডিওগুলি ৪৯.৭ মিলিয়ন বার দেখা হয়েছে।
পুনে: ইউটিউবে অরিজিৎ সিংয়ের মিউজিক ভিডিয়ো দেখা শহরগুলির তালিকায় পুনে ৪ নম্বরে রয়েছে। এখানে তিনি ২৮ দিনে ৪৮৯ মিলিয়ন ভিউ পেয়েছেন।
কলকাতা: ইউটিউব ভিউয়ের দিক থেকে পাঁচ নম্বরে রয়েছে কলকাতা। অরিজিৎ সিং এখানে 43.5 মিলিয়ন ভিউ পেয়েছেন।
হায়দরাবাদ: ইউটিউবে অরিজিৎ সিংয়ের গান শোনার ক্ষেত্রে হায়দরাবাদ ছয় নম্বরে রয়েছে। তিনি ৩৭.৯ মিলিয়ন ভিউ পেয়েছেন।
{{/usCountry}}হায়দরাবাদ: ইউটিউবে অরিজিৎ সিংয়ের গান শোনার ক্ষেত্রে হায়দরাবাদ ছয় নম্বরে রয়েছে। তিনি ৩৭.৯ মিলিয়ন ভিউ পেয়েছেন।
{{/usCountry}}লখনউ: শীর্ষ ৭-এর তালিকায় সাত নম্বরে রয়েছে উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউ। এখানে অরিজিৎ সিংয়ের গানগুলি ৩৭.৭ মিলিয়ন ভিউ পেয়েছে। অরিজিৎ সিং ১৯৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের জিয়াগঞ্জে এক সাধারণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা সুরিন্দর কক্কর সিং ছিলেন পঞ্জাবি আর মা অদিতি বাঙালি। মায়ের কাছেই নিয়েছিলেন সংগীতের প্রথম তালিম। আজ বিশ্বজোড়া খ্যাতি পেলেও, শিকড় ও জিয়াগঞ্জের মাটি আকড়ে রেখেছেন গায়ক। এমনকী, কাজ ছাড়া মুম্বইতে থাকেনও না সেভাবে। চলে আসেন জিয়াগঞ্জে। মুর্শিদাবাদের রাস্তায় স্কুটি চড়ে ঘুরে বেড়ান সাধারণের মতো।
২০১৪ সালে অরিজিৎ সিং তাঁর ছোটবেলার বন্ধু কোয়েল রায়কে বিয়ে করেন। তারাপীঠের মন্দিরে চার হাত এক হয়েছিল। তাঁদের দুই সন্তান, জুল এবং অলি।