...
...
Next Story

‘সামনের বছর…’! মেয়ে রাজনন্দিনীর বিয়ের জন্য মা লক্ষ্মীর কাছে কী আবেদন ইন্দ্রানীর?

ইন্দ্রানী জানালেন যে, তিনি মা লক্ষ্মীর কাছে মেয়ের জন্য ভালো পাত্র চেয়েছেন। রাজনন্দিনী নাকি সেই দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন মা-কে। তাই ভালো পাত্রের জন্য প্রার্থনা করেছেন মা লক্ষ্মীর কাছে।

Published on: Oct 26, 2026, 13:29:19 IST
Advertisement

রবিবার কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন ধুমধুম করে মা লক্ষ্মীর আরাধনা করেছেন টলিপাড়ার তারকারা। আর তারকাদের বাড়ির পুজো কভার করতে পৌঁছেছিল সংবাদমাধ্যম। এই তালিকায় আছে টলিপাড়ার দুই জনপ্রিয় মা-মেয়ের জুটি ইন্দ্রানী দত্ত ও রাজনন্দিনী পাল।

মেয়ে রাজনন্দিনীর সঙ্গে ইন্দ্রানী।
মেয়ে রাজনন্দিনীর সঙ্গে ইন্দ্রানী।

ইন্দ্রানী জানালেন যে, তিনি মা লক্ষ্মীর কাছে মেয়ের জন্য ভালো পাত্র চেয়েছেন। ইন্দ্রানীকে বলতে শোনা যায়, ‘মেয়ে বড় হয়েছে, একটা সময় তো তাকে বিয়ে দিতে হবে। সামনের বছর, তার পরের বছর। যখনই হোক। এবার পাত্র পাওয়ার ব্যাপার। ও তো সেই দায়িত্বও আমাকেই দিয়ে রেখেছে। এবার মায়ের কাছে আমি সেটাই চাইলাম…’!

যদিও মায়ের এই কথায় বেশ বিরক্ত হন রাজনন্দিনী। সঙ্গে জানান, কাজ আর কেরিয়ার নিয়ে এতটাই ব্যস্ত যে, নিজের জন্য জীবনসঙ্গী খোঁজার সময় নেই তাঁর। সেই কারণেই ভরসা করেন মায়ের উপরে।

২০১৮ সালে অভিষেক সাহার পরিচালিত ‘উড়নচণ্ডী’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ রাজনন্দিনীর। সৃজিত মুখার্জির ‘এক যে ছিল রাজা’ (২০১৮), ‘অসুর’ (২০২০), ‘ওহ! লাভলী’ (২০২৩), এবং ‘ছাদ - দ্য টেরেস’ (২০২৪)-এর মতো সিনেমায় কাজ করেছেন। হইচই-এর জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘সম্পূর্ণা’-তে নন্দিনী সান্যাল চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ প্রশংসিত হন।

মাঝে ‘কল্যাণী’ নামের একটি ধারাবাহিক দিয়ে রাজনন্দিনীর ছোট পর্দায় ফেরার কথাও শোনা গিয়েছিল। যদিও পরে শোনা যায়, পুরোটাই ভুল খবর রটানো হচ্ছে। এই মুহূর্তে কোনও নতুন কাজ শুরুর সিদ্ধান্ত নাকি নেননি রাজনন্দিনী। তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছে কাকাবাবু সিরিজের ‘বিজয়নগরের হীরে’-তে।

লক্ষ্মীপুজোর আগের রাতে নন্দিনী লক্ষ্মীপ্রতিমার মূর্তি শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘রাত পোহালেই লক্ষ্মী আরাধনা। আর তার আগেই মা এসে গেছেন আমার ঘরে। প্রতি বছর এই বিশেষ দিনটার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকি। কোজাগরীর পূর্ণিমা তিথিতে মায়ের এই বার্ষিক আগমন যে কী অপরিসীম আনন্দে মন ভরিয়ে দেয়, তা ভাষায় প্রকাশ করা সত্যিই কঠিন। এই আসা, এই আশা, এই অপেক্ষা, এই ভালো লাগা—সবকিছুর মধ্যেই যেন মিশে থাকে এক অপার প্রশান্তি আর মায়ের আশীর্বাদের পরম প্রাপ্তি। সকলের জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক। মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপর—এই প্রার্থনাই করি। শুভ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks