রবিবার কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন ধুমধুম করে মা লক্ষ্মীর আরাধনা করেছেন টলিপাড়ার তারকারা। আর তারকাদের বাড়ির পুজো কভার করতে পৌঁছেছিল সংবাদমাধ্যম। এই তালিকায় আছে টলিপাড়ার দুই জনপ্রিয় মা-মেয়ের জুটি ইন্দ্রানী দত্ত ও রাজনন্দিনী পাল।

ইন্দ্রানী জানালেন যে, তিনি মা লক্ষ্মীর কাছে মেয়ের জন্য ভালো পাত্র চেয়েছেন। ইন্দ্রানীকে বলতে শোনা যায়, ‘মেয়ে বড় হয়েছে, একটা সময় তো তাকে বিয়ে দিতে হবে। সামনের বছর, তার পরের বছর। যখনই হোক। এবার পাত্র পাওয়ার ব্যাপার। ও তো সেই দায়িত্বও আমাকেই দিয়ে রেখেছে। এবার মায়ের কাছে আমি সেটাই চাইলাম…’!
যদিও মায়ের এই কথায় বেশ বিরক্ত হন রাজনন্দিনী। সঙ্গে জানান, কাজ আর কেরিয়ার নিয়ে এতটাই ব্যস্ত যে, নিজের জন্য জীবনসঙ্গী খোঁজার সময় নেই তাঁর। সেই কারণেই ভরসা করেন মায়ের উপরে।
২০১৮ সালে অভিষেক সাহার পরিচালিত ‘উড়নচণ্ডী’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ রাজনন্দিনীর। সৃজিত মুখার্জির ‘এক যে ছিল রাজা’ (২০১৮), ‘অসুর’ (২০২০), ‘ওহ! লাভলী’ (২০২৩), এবং ‘ছাদ - দ্য টেরেস’ (২০২৪)-এর মতো সিনেমায় কাজ করেছেন। হইচই-এর জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘সম্পূর্ণা’-তে নন্দিনী সান্যাল চরিত্রে অভিনয় করে বিশেষ প্রশংসিত হন।
রাজনন্দিনীর প্রথম মেগা ছিল 'রাজরাজেশ্বরী রানি ভবানী'। তিনি নাম ভূমিকায় অর্থাৎ 'রানি ভবানী' চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে এই ধারাবাহিক শুরু হয়। প্রথমদিকে তাঁর অভিনীত ধারাবাহিকটি টিআরপি প্রতিযোগিতায় ভালো নম্বরই পেয়েছিল। কিন্তু কয়েক মাসের মাথাতেই বন্ধ হয়ে যায় সেই কাহিনি। শিল্পীদের একাংশের মনে হয়েছিল, সম্প্রচারের সময় বদলে যাওয়ার কারণেই নম্বর কমে গিয়েছে ধারাবাহিকের।
{{/usCountry}}রাজনন্দিনীর প্রথম মেগা ছিল 'রাজরাজেশ্বরী রানি ভবানী'। তিনি নাম ভূমিকায় অর্থাৎ 'রানি ভবানী' চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে এই ধারাবাহিক শুরু হয়। প্রথমদিকে তাঁর অভিনীত ধারাবাহিকটি টিআরপি প্রতিযোগিতায় ভালো নম্বরই পেয়েছিল। কিন্তু কয়েক মাসের মাথাতেই বন্ধ হয়ে যায় সেই কাহিনি। শিল্পীদের একাংশের মনে হয়েছিল, সম্প্রচারের সময় বদলে যাওয়ার কারণেই নম্বর কমে গিয়েছে ধারাবাহিকের।
{{/usCountry}}মাঝে ‘কল্যাণী’ নামের একটি ধারাবাহিক দিয়ে রাজনন্দিনীর ছোট পর্দায় ফেরার কথাও শোনা গিয়েছিল। যদিও পরে শোনা যায়, পুরোটাই ভুল খবর রটানো হচ্ছে। এই মুহূর্তে কোনও নতুন কাজ শুরুর সিদ্ধান্ত নাকি নেননি রাজনন্দিনী। তাঁকে শেষ দেখা গিয়েছে কাকাবাবু সিরিজের ‘বিজয়নগরের হীরে’-তে।
লক্ষ্মীপুজোর আগের রাতে নন্দিনী লক্ষ্মীপ্রতিমার মূর্তি শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘রাত পোহালেই লক্ষ্মী আরাধনা। আর তার আগেই মা এসে গেছেন আমার ঘরে। প্রতি বছর এই বিশেষ দিনটার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকি। কোজাগরীর পূর্ণিমা তিথিতে মায়ের এই বার্ষিক আগমন যে কী অপরিসীম আনন্দে মন ভরিয়ে দেয়, তা ভাষায় প্রকাশ করা সত্যিই কঠিন। এই আসা, এই আশা, এই অপেক্ষা, এই ভালো লাগা—সবকিছুর মধ্যেই যেন মিশে থাকে এক অপার প্রশান্তি আর মায়ের আশীর্বাদের পরম প্রাপ্তি। সকলের জীবন সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক। মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ বর্ষিত হোক সকলের উপর—এই প্রার্থনাই করি। শুভ কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো।’