সোশাল মিডিয়ার যুগে তারকাদের ট্রোল হওয়া বা নীতিপুলিশির মুখে পড়া নতুন কিছু নয়। একটু ছকভাঙা কথা বললেই সোশাল পেজে জমে নেতিবাচক মন্তব্যের পাহাড়। তবে এই সমস্ত কুরুচিকর ট্রোল বা কটাক্ষকে পাত্তা দিতে যে তিনি একেবারেই নারাজ, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন অভিনেত্রী ইন্দ্রাণী হালদার।

নেটপাড়ার নিন্দুকদের নিজস্ব ভঙ্গিতে জবাব দিয়ে ট্রোলিংকেই কৌতুকের স্তরে নামিয়ে আনলেন বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় এই মুখ। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের অভিজ্ঞতা উগরে দেন অভিনেত্রী। নেটপাড়ার ট্রোলাররা তাঁকে কীভাবে বিচার করেন, সে কথা বলতে গিয়ে হেসেই গড়িয়ে পড়েন তিনি। ইন্দ্রাণীর কথায়, 'একটু মজা করে কথা বলছি বলেই হয়তো লোকে ভাবছে পাগলামো! অনেকে সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘উনি পুরো পাগল হয়ে গেছেন, উনাকে পাগলাগারদে পাঠানো উচিত!’ কেউ কেউ তো আবার এক ধাপ এগিয়ে লেখেন, ‘ইশ! লোকটা কত ভালো ছিল, চলে গেল আর কি!’' ট্রোলারদের এই ধরণের মন্তব্যের রসিক জবাব দিয়ে অভিনেত্রীর সংযোজন, ‘আমি তো এখনো মরিনি, বহাল তবিয়তে বেঁচে আছি! আর মাথা খারাপ হওয়ার কথা বলছেন? আমার মাথাটা তো অনেক দিন আগেই গেছে!’
সাক্ষাৎকার দেওয়ার ফাঁকেই নিজের স্বভাবসিদ্ধ রসিকতায় হাতে চুড়ি পরে গাইতে শুরু করেছিলেন একটি জনপ্রিয় গান। কিন্তু কয়েক কলি গেয়েই হঠাৎ থেমে যান। মুচকি হেসে বলেন, ‘না না, আর গাইব না, শেষমেশ ভাইরাল হয়ে যাব!’ শোবিজের জগতে একের পর এক হিট ধারাবাহিক ও চলচ্চিত্রে নিজের অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দেওয়া ইন্দ্রাণী প্রমাণ করে দিলেন, ট্রোলিংকে কীভাবে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিতে হয়। কুৎসা কিংবা ট্রোলিংকে গায়ে না মেখে নিজের শর্তে বাঁচাই যে আসল উত্তর, তা যেন আরও একবার স্পষ্ট করে দিল তাঁর এই স্বভাবসিদ্ধ চেনা হাসি।