স্টার জলসার ‘শুধু তোমারই জন্য’-র বয়স সবে তিন মাস। সদ্য ১০০ এপিসোড সম্পূর্ণ করেছে এসভিএফের এই মেগা। তবে চিরদিনই তুমি যে আমারের মতোই প্রযোজনা সংস্থার এই সিরিয়ালের নায়ক-নায়িকার সম্পর্ক নাকি আদায়-কাঁচকলায়!

পর্দার মিষ্টি রোমান্স আর জমজমাট কেমিস্ট্রির আড়ালে বাস্তব জীবনে কি তবে এক বড়সড় তিক্ততার সুর বেঁধেছে? টলিপাড়ার অলিন্দে এখন এটাই সবচেয়ে বড় ‘টক অফ দ্য টাউন’। ধারাবাহিকের মুখ্য জুটি— রাহুল ওরফে শুভ্রজিৎ সাহা এবং রাহি ওরফে দীপান্বিতা রক্ষিতের বাস্তব সমীকরণ নিয়ে এখন নেটপাড়ায় জোর চর্চা।
দীপান্বিতার প্রোফাইল থেকে উধাও বিয়ের ছবি, আগুনে ঘি ঢাললেন শুভ্রজিতের স্ত্রী!
সাধারণত যেকোনো সিরিয়ালকে জনপ্রিয় করতে এবং দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে নায়ক-নায়িকারা নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় জুটির নানা রোম্যান্টিক ছবি বা রিলস শেয়ার করে প্রচার বাড়ান। এই ধারাবাহিকের ক্ষেত্রেও দীপান্বিতা নিয়ম মেনে শুরু থেকেই প্রচার চালাচ্ছিলেন। কিন্তু নেটিজেনদের চোখ এড়ায়নি যে, শুভ্রজিতের প্রোফাইলে প্রথম থেকেই জুটির কোনো প্রমোশনাল ছবির দেখা মেলেনি।
রহস্য আরও ঘনীভূত হয় যখন সম্প্রতি দীপান্বিতা নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে শুভ্রজিতের সাথে করা সমস্ত ছবি ও পোস্ট আচমকা সরিয়ে নেন! এই গুঞ্জনের আগুনে ঘি ঢেলেছেন স্বয়ং শুভ্রজিতের বাস্তব জীবনের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা মিত্রের একটি রহস্যময় পোস্ট। তিনি নিজের বরের সাথে সিরিয়ালের ভিলেন তিতলি (মন্দিরা)-র একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এই জুটিকে বেশ ভালো মানায়!’ ব্যস, এই পোস্টের পরই ভক্তদের মনে আর কোনো সন্দেহ নেই যে শুভ্রজিৎ আর দীপান্বিতার মধ্যে দূরত্ব এখন আকাশছোঁয়া।
যশ-মধুমিতা থেকে দিব্যজ্যোতি-স্বস্তিকা হয়ে জীতু-দিতিপ্রিয়া! ঝামেলা অন্তহীন
{{/usCountry}}যশ-মধুমিতা থেকে দিব্যজ্যোতি-স্বস্তিকা হয়ে জীতু-দিতিপ্রিয়া! ঝামেলা অন্তহীন
{{/usCountry}}ভক্তদের এই তীব্র সমালোচনা আর ক্ষোভের তির এখন সরাসরি গিয়ে ঠেকেছে নামী প্রযোজনা সংস্থা এসভিএফ (SVF Entertainment)-এর দরজায়। দর্শকদের স্পষ্ট অভিযোগ, এসভিএফের মেগা সিরিয়ালে নায়ক-নায়িকাদের এই ধরনের মনোমালিন্য বা রেষারেষি কিন্তু নতুন কিছু নয়।
ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে, অতীতেও এই হাউসের ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’র যশ-মধুমিতা, ‘অনুরাগের ছোঁয়া’র দিব্যজ্যোতি-স্বস্তিকা কিংবা ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর জিতু-দিতিপ্রিয়ার (যেখানে তীব্র ঝামেলার জেরে শেষ পর্যন্ত দিতিপ্রিয়া সিরিয়ালই ছেড়ে দিতে বাধ্য হন) মত একাধিক ঘটনা ঘটেছে। দর্শকদের প্রশ্ন, সব ক্ষেত্রেই নায়ক-নায়িকাদের ব্যক্তিগত ঝামেলা কেন বারবার এভাবে ক্যামেরার বাইরে প্রকাশ্যে চলে আসে?
নায়ক বদলের দাবি! কোন পথে হাঁটবে রাহুল-রাহির ভবিষ্যৎ?
পর্দার রসায়ন যখন ব্যক্তিগত তিক্ততার জেরে এভাবে ম্লান হতে শুরু করেছে, তখন দর্শকদের একাংশ আর চুপ করে বসে থাকতে নারাজ। কেউ কেউ তো নায়ক বদলের সুরও চড়াচ্ছেন। আপতত দেখার এই বিতর্কের জল কতদূর গড়ায়।