Phool Pishi O Edward BO Day 3: উইন্ডোজ প্রোডাকশনস মানেই যেখানে বক্স অফিসে লক্ষ্মীলাভের চেনা গ্যারান্টি, সেখানে এবার শুরুতে খানিক ধাক্কা খেল শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের প্রযোজনা সংস্থা। গত শুক্রবারই বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’। মুখ্য চরিত্রে শ্যামৌপ্তি মুদলি,অর্জুন চক্রবর্তী, সোহিনী সেনগুপ্ত ও রাইমা সেনের মতো চেনা মুখ এবং উইন্ডোজের চেনা পারিবারিক আবেগের মিশেল থাকা সত্ত্বেও, উইকএন্ডের বক্স অফিস রিপোর্ট কপালে চিন্তার ভাঁজ ধরাচ্ছে। যার সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে রবিবার রাতের আইপিএল ২০২৬-এর সেই মেগা ফাইনাল ম্যাচকে! আরসিবি বনাম গুজরাটের সেই হাই-ভোল্টেজ মহাযুদ্ধের গ্রাসে রবিবাসরীয় বক্স অফিসে তেমন লক্ষ্মীলাভ হল না ‘ফুলপিসি’-র।

তিনদিনেও এল না কোটি টাকা! শ্যামৌপ্তি-রাইমাদের ঝুলিতে মাত্র...
ট্রেড অ্যানালিস্ট ওয়েবসাইট স্যাকনিল্ক (Sacnilk)-এর দেওয়া প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম তিনদিনে ‘ফুলপিসি’-র মোট কালেকশন দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭৯ লাখ টাকা!
বিশেষ করে রবিবারের বাজার যেখানে লক্ষ্মীলাভের দিন হয়, সেখানে আইপিএল ফাইনালের চোটে রবিবার এই ছবি মাত্র ৩০ লাখ টাকার ব্যবসায় সন্তুষ্ট থাকতে বাধ্য হয়েছে। থিয়েটার ফাঁকা রেখে দর্শকরা যে কাল টিভির পর্দায় বিরাট কোহলি আর অনুষ্কা শর্মার জয়ের মুহূর্ত দেখতেই বেশি ব্যস্ত ছিলেন, তা এই ঝিমিয়ে পড়া কালেকশন দেখেই স্পষ্ট।
মুখে কুলুপ প্রযোজকদের, ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় টিম ‘ফুলপিসি’
‘ফুলপিসি’-র ব্যবসা নিয়ে প্রযোজকরা অবশ্য এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য শেয়ার করেননি। শুধু জানানো হয়েছে, ছবির ৭০ টি শো নাকি রবিবার প্রায় হাউসফুল ছিল।
শহরের মাল্টিপ্লেক্স থেকে সিঙ্গল স্ক্রিন— সব জায়গাতেই এখন মেগা ফাইনালের হ্যাংওভার কেটে যাওয়ার অপেক্ষা। তবে উইন্ডোজের ছবির একটা নিজস্ব ‘মাউথ পাবলিসিটি’র জোর থাকে। এখন দেখার, আইপিএলের ভরা কোটাল কাটিয়ে সোম-মঙ্গলবারের দিকে শ্যামৌপ্তি আর রাইমার এই ছবি বক্স অফিসে আবার নতুন করে অক্সিজেন ফিরে পায় কি না!
কী এই ছবির গল্প?
{{/usCountry}}কী এই ছবির গল্প?
{{/usCountry}}জমিদার বাড়ির জমজমাট রহস্য , ছবির ব্যবসার এই জোয়ার আসার পেছনে রয়েছে এর টানটান চিত্রনাট্য। গল্প আবর্তিত হয়েছে এক রাজকীয় জমিদার পরিবারকে কেন্দ্র করে। ছবির গল্প অনুযায়ী, জমিদার মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দী (অর্জুন চক্রবর্তী) বেঁচে থাকার জন্য একটি কিডনির খোঁজে চতুর্থবারের জন্য বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর বর্তমান স্ত্রী অদিতি (রাইমা সেন) নিজের কিডনি দিতে অস্বীকার করলে, অদিতির বোন বিনীতার (শ্যামৌপ্তি মুদলি) সঙ্গে জমিদারের বিয়ের তোড়জোড় শুরু হয়। কিন্তু বিয়ের দিনই আচমকা রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় জমিদারের! এরপরই গল্পে এন্ট্রি নেন এক পুলিশ অফিসার (রজতাভ দত্ত) এবং শুরু হয় খুনের রহস্য উদঘাটন।
এই জমিদার বাড়ির অন্দরেই জড়িয়ে রয়েছেন রাজলক্ষ্মী (কোনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়), পরিবারের বড় সদস্য হাসি দেবী (অনামিকা সাহা) এবং বাঈজি পুতুল বাই (অনন্যা চট্টোপাধ্যায়)। আর এই পুরো জট পাকা রহস্যের সমীকরণ ভেদ করতে পর্দায় অবতীর্ণ হন ফুল পিসি (সোহিনী সেনগুপ্ত)। মিস মার্পল ঘরানার এই পিসির তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আর তাঁর কাণ্ডকারখানা দর্শকদের সবথেকে বেশি বিনোদন জোগাচ্ছে।