বর্তমানে জি বাংলার কনে দেখা আলো ধারাবাহিক নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। আপাতত নতুন সময়ে পাঠানো হয়েছে এই মেগা। সোম থেকে রবি বিকেল ৫.৩০-এ হবে সম্প্রচার। তবে কনে দেখা আলো বিশেষ করে চর্চায় আসে যখন আচমকাই ধারাবাহিক ছেড়ে দেন বনলতা-র চরিত্রে এতদিন ধরে কাজ করে আসা নন্দিনী দত্ত। আর বর্তমানে ‘সুদেব’ মৈনাক ঢোলের একটি পোস্ট নিয়েও জল্পনা উঠেছে তুঙ্গে। প্রশ্ন উঠছে, নন্দিনীর পর এবার কনে দেখা আলো ছাড়ার পালা মৈনাকের নয় তো?

মৈনাক বুধবার আচমকাই ফেসবুকে পোস্ট করেন, ‘আমি আমার কাজ করেছি, বাকিটা আমার হাতে ছিল না’। আর মৈনাকে এই পোস্টে নানা ধরনের মন্তব্য পড়েছে। একজন লিখেছেন, ‘সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, আর অসৎ সঙ্গে নরকবাস। এটুকুই বললাম অন্যের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এমন কিছু বলবেন না বা করবেন না যাতে বাস্তবে কেউ আপনাকে খারাপ কিছু বলে। আপনি অভিনেতা,অভিনয় ফুটাতে পারাটাই আপনার স্বার্থকতা। চরিত্র পজিটিভ, নেগেটিভ, গ্রে শেড যাই হোক’। আরেকজন লেখেন, ‘সত্যি কথা সার্থককে দেখে যেমন মনে আনন্দ হত, একেকটা এপিসোড কতবার করে যে দেখতাম তা বিশ্বাস করতে পারি না। আবার সুদেরকে দেখলে গা রি রি করতে থাকে। সত্যি তুমি সার্থক। তুমি সত্যি জাত অভিনেতা। অসাধারণ। কিছু বলার ভাষা নেই। খুব ভালো থেক তুমি, আর আরো উন্নতি করো ভাই। অনেক অনেক অনেক শুভেচ্ছা ভালোবাসা আর আশীর্বাদ রইল।’ আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘ফাকা স্থান কখনো ফাকা থাকে না, তাই ভেবে ডিসিশন নিবেন।’ অন্যজন লেখেন, ‘কিছুই বুঝতে পারলাম না, আপনি কি সত্যিই ছেড়ে দিচ্ছেন কনে দেখা আলো, নাকি, ট্রোলে বিরক্ত হয়ে এই পোস্ট। আরেকটু সরাসরি লিখলে ভালো হত’।
তবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হলে মৈনাক জানান, 'আমি ব্যক্তিগত কারণে ওই পোস্টটা করেছি। আমার কনে দেখা আলো ছাড়ার কোনও প্ল্যানিং নেই।' মৈনাক নিজের বক্তব্যে আরও যোগ করেন, 'নন্দিনী ছেড়েছে, সেটা ওর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, আমরা সকলে সেটাকে সম্মান করি। ওর জায়গায় যে আসছে (সৌমিলি) সে আরও বেটার করবে কাজটা এটা আমাদের আশা। সৌমিলির সঙ্গে আমি আগে কখনও কাজ করিনি। উত্তেজিত পুরো বিষয়টা নিয়ে'।
{{/usCountry}}তবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হলে মৈনাক জানান, 'আমি ব্যক্তিগত কারণে ওই পোস্টটা করেছি। আমার কনে দেখা আলো ছাড়ার কোনও প্ল্যানিং নেই।' মৈনাক নিজের বক্তব্যে আরও যোগ করেন, 'নন্দিনী ছেড়েছে, সেটা ওর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, আমরা সকলে সেটাকে সম্মান করি। ওর জায়গায় যে আসছে (সৌমিলি) সে আরও বেটার করবে কাজটা এটা আমাদের আশা। সৌমিলির সঙ্গে আমি আগে কখনও কাজ করিনি। উত্তেজিত পুরো বিষয়টা নিয়ে'।
{{/usCountry}}প্রসঙ্গত, প্রথমে দুটো জুটি হিসেবে কনে দেখা আলো শুরু হলেও, পরবর্তীতে লাজু আর অনুভব দর্শক মনে এতটাই জায়গা করে নেয় যে, তাঁদের উপরেই ফোকাস করা হয়। বনলতা ও সুবেদ দুটি চরিত্রকেই নেতিবাচক হিসেবে দেখানো হতে থাকে। খবর, বিগত কয়েকমাসে বনলতা অর্থাৎ নন্দিনী দত্তের সঙ্গেও ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয় সাইনা-সোমরাজের। আপাতত সুদেব কনে দেখা আলো ছাড়ার জল্পনা তুঙ্গে।