...
...
Next Story

Amitabh Bachchan: ‘শো চালানো অসম্ভব..’, ভাঙছে মন, কেবিসি সঞ্চালনা করা কেন কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে বিগ বি-র কাছে?

গত মাসেই শুরু হয়েছে কেবিসির ১৮তম সিজন। ভারতীয় টেলিভিশনের সর্বকালীন সেরা হোস্ট অমিতাভ বচ্চন, একথা বললেও হয়ত অত্যুক্তি হয় না। তবে কেন কেবিসি- এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে অমিতাভের কাছে?

Published on: Sep 9, 2026, 20:30:47 IST
Advertisement

জনপ্রিয় কুইজ শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ (KBC)-র অষ্টাদশ সিজনে সঞ্চালক হিসেবে চেনা মেজাজেই ফিরেছেন বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। এবারের সিজনের থিম ‘সোচনা পডেগা’—যেখানে তাড়াহুড়ো না করে চিন্তা-ভাবনা করে উত্তর দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তবে শুধু কুইজ বা বিজয়ী হওয়া নয়, এই মঞ্চে প্রতি পর্বে প্রতিযোগী ও শাহেনশাহর মধ্যকার গল্প-আড্ডাই শো-এর মূল আকর্ষণ। সম্প্রতি নিজের অফিসিয়াল ব্লগে এই শো পরিচালনা করতে গিয়ে নিজের মনের ওপর যে বিপুল মানসিক চাপ ও কষ্টের মেঘ জমে, তা নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন বিগ বি।

বারবার মন ভাঙছে বচ্চনের! কেবিসি সঞ্চালনা করা কেন কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিগ বি-র?
বারবার মন ভাঙছে বচ্চনের! কেবিসি সঞ্চালনা করা কেন কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিগ বি-র?

‘শো চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ে!’

নিজের ব্যক্তিগত টাম্বলার (Tumblr) ব্লগে অমিতাভ বচ্চন স্বীকার করেছেন, হটসিটে বসা প্রতিযোগীদের জীবনের কঠিন বাস্তব ও দুঃখের গল্প শুনে অনেক সময় সঞ্চালক হিসেবে নিজের আবেগ ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ব্লগে মনের যন্ত্রণা প্রকাশ করে তিনি লেখেন: 'কিছু প্রতিযোগী তাঁদের জীবনের এত গুরুতর ও মর্মান্তিক ব্যক্তিগত কাহিনী নিয়ে আসেন যে, তাঁদের জন্য নিজের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করা তো বটেই, এমনকি শো চালিয়ে যাওয়াও অসম্ভব হয়ে পড়ে।'

তিনি আরও যোগ করেন, চ্যানেলের সঙ্গে সঞ্চালকের পেশাদার চুক্তি ও কিছু গোপনীয়তার খাতিরে তিনি বিস্তারিত কিছু লিখছেন না, তবে এই অভিজ্ঞতা তাঁর জন্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।

অমিতাভ বচ্চন

এবারের নতুন থিম ‘সোচনা পডেগা’

একদিকে 'কল্কি ২৮৯৮ এডি'-র সিক্যুয়েলের শ্যুটিংয়ের ব্যস্ততা, অন্যদিকে ৮০ পার করা বয়সেও কেবিসি ১৮-এর মঞ্চে প্রতিযোগীদের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে তাঁদের লড়াইকে সম্মান জানানো—অমিতাভ বচ্চনের এই মানসিক সততা সামাজিক মাধ্যমে অনুগামীদের মন ছুঁয়ে গেছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks