...
...
Next Story

Jaayjeet-Raj: ‘যে বিধায়করা হেরে রাজনীতি ছাড়ল, তারা কি পেনশনও ছাড়বে’, রাজকে কটাক্ষ জয়জিতের?

তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর একাধিক প্রাক্তন তারকা বিধায়ক রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন। যার মধ্যে যেমন ২০২৬ সালে টিকিট পাওয়া রাজ চক্রবর্তী রয়েছেন, তেমনই ভোটের টিকিট না পাওয়া কাঞ্চন মল্লিকও রয়েছেন।

Published on: May 8, 2026, 18:05:47 IST
Advertisement

১৫ বছর ধরে বাংলার শাসনভার ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে। তবে ৪ মে বদলে যায় সব হিসেব! বাংলায় ওঠে গেরুয়া সুনামি। ২০৭ট আসন পায় বিজেপি। সেখানে বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর একাধিক প্রাক্তন তারকা বিধায়ক রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন। যার মধ্যে যেমন ২০২৬ সালে টিকিট পাওয়া রাজ চক্রবর্তী রয়েছেন, তেমনই ভোটের টিকিট না পাওয়া কাঞ্চন মল্লিকও রয়েছেন।

নাম না করে রাজকে কটাক্ষ জয়জিতের?
নাম না করে রাজকে কটাক্ষ জয়জিতের?

এবার সামনে এল জয়জিতের একটি পোস্ট। যেখানে কটাক্ষ করা হল আচমকাই রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করা বিধায়কদের। যদিও কারও নাম নেননি, অভিনেতা জয়জিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখলেন, ‘আচ্ছা যে এমএলএ-রা হেরেছে আর দল ছেড়ে দিচ্ছে, রাজনীতি ছেড়ে দিচ্ছে, তারা কি পেনশন আর সুযোগ সুবিধাও ছেড়ে দেবেন? জানতে মন চায়।’

দেখা গেল, জয়জিতের এই পোস্টে কমেন্টে তাঁর কথার সঙ্গে সায় দিয়েছেন নেটিজেনরাও। একজন লেখেন, ‘কি মনে হচ্ছে আপনার?? অভিনেতা - জননেতা, এরা তো আপনার সহকর্মী। আমাদের থেকে আপনি ওনাদের আরো ভালো করে চেনেন।’ আরেকজন লেখেন, ‘ওইগুলো পাবে ভেবেই তো লোভে পরে এসেছিল… হারুক আর জিতুক ভবিষ্যত ঠিক মতো গুছিয়ে নিয়েছে’। আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘কাটমানির চার আনা ছাড়েনি কোনো দিন, এরা পেনশন সমেত যা যা পাবার সব ষোল আনা নেবে। পরে পাল্টিটাতেও নজর থাকবে সুবিধামতো।’

প্রসঙ্গত, ব্যারাকপুর কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে হারেন রাজ চক্রবর্তী। গণনা কেন্দ্র থেকে যখন বেরিয়ে আসছিলেন, তখন তাঁর গায়ে ছোড়া হয় কাদা-জুতো। এরপর নিজের ফেসবুক পেজটি ডি-অ্যাক্টিভেট করে দেন রাজ। তারপর বুধবার সোশ্যাল মিডিয়ায় করেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়নোর ঘোষণা।

রাজ লেখেন, ‘জীবনে যখনই কোনও দায়িত্ব পেয়েছি নিষ্ঠা এবং সততার সঙ্গে পালন করেছি৷ এক জন পরিচালক হিসাবে সিনেমার মাধ্যমে মানুষকে সব সময়ে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কখনও হেরেছি। কখনও জিতেছি। ২০২১-এ আমার রাজনৈতিক জীবনে পদার্পণ৷ মানুষ আমাকে সুযোগ দিয়েছিলেন কাজ করার। পাঁচ বছর ধরে সেই ভাবেই বিধায়কের দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করে গিয়েছি। সেই অধ্যায় শেষ হল ২০২৬-এ। সঙ্গে শেষ হল আমার রাজনৈতিক জীবনের পথচলা।’

একইভাবে বিধানসভা ভোটে টিকিট না পাওয়ার পর চুপ থাকলেও, বিজেপির জয়ের পর দলের দিকেই আঙুল তোলেন কাঞ্চন। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং অন্তর্দ্বন্দ্বের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার মতে, দলের এই অন্তর্দ্বন্দ্ব না থাকলে হয়তো নির্বাচনে এমন পরাজয় হতো না। সঙ্গে কাঞ্চন মল্লিক নিজেই জানিয়েছেন, রাজনীতির থেকে অভিনেতা হিসেবেই নিজেকে বেশি যোগ্য মনে করেন তিনি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe