Thalapathy Vijay fans celebration Chennai: দক্ষিণের চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় সুপারস্টার থালাপথি বিজয় (Thalapathy Vijay)-এর যেকোনো সিনেমা মুক্তি পাওয়া মানেই প্রেক্ষাগৃহের বাইরে উৎসবের আবহ তৈরি হওয়া। ভক্তদের উদ্দীপনা, আতশবাজির আলো, আর ব্যানার-কাটাউটে ঢেকে যাওয়া সিনেমা হল—সব মিলিয়ে এটি কেবল একটি চলচ্চিত্র মুক্তি নয়, বরং সিনেমা প্রেমীদের জন্য এক মহোৎসব।

‘লাইভ হিন্দুস্তান’ (Live Hindustan)-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুপারস্টার বিজয় অভিনীত বহু প্রতীক্ষিত নতুন ছবি ‘জন নায়গন’ (Jana Nayagan) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতেই চেন্নাইয়ের অলিতে-গলিতে শুরু হয়ে গেছে ভক্তদের উন্মাদনা। প্রেক্ষাগৃহের বাইরে বিজয় ভক্তদের বাঁধভাঙা নাচ, ঢাক-ঢোল বাজিয়ে আনন্দ উদযাপন এবং থালাপথির বিশাল কাটআউটে দুধ ঢেলে মালা পরানোর দৃশ্য এখন সমাজমাধ্যমের নজর কাড়ছে।
দক্ষিণী ছবির জগতে বিজয় কেবল একজন অভিনেতা নন, কোটি কোটি মানুষের কাছে তিনি এক আবেগ। বিশেষ করে রাজনৈতিক ময়দানে পা রাখার পর এবং অভিনয় জীবন নিয়ে তাঁর নানা নতুন সিদ্ধান্তের মাঝে ‘জন নায়গন’ ছবিটির মুক্তি নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্দীপনা ছিল চরম শিখরে।
সকাল থেকেই থিয়েটারের বাইরে মানুষের ঢল
প্রতিবেদন অনুসারে, ছবির ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো (FDFS) দেখার জন্য চেন্নাইয়ের প্রখ্যাত থিয়েটার ও মাল্টিপ্লেক্সগুলোর সামনে ভোর থেকেই অনুরাগীরা ভিড় জমাতে শুরু করেন। অনেক জায়গায় ভোর চারটে থেকেই শো রাখা হয়েছিল, আর সেই শো দেখার জন্য হলের বাইরে দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। থালাপথি বিজয়ের নামে স্লোগান, জয়ধ্বনি এবং ব্যানার হাতে হাজার হাজার ভক্ত প্রেক্ষাগৃহ চত্বর মাতিয়ে রাখেন।
ঢাক-ঢোল, আতশবাজি এবং বিশালাকার কাটআউট
চেন্নাইয়ের সিনেমা হলগুলোর বাইরের দৃশ্য ছিল দেখার মতো। ঢোলের ছন্দে বিজয়ের সিগনেচার স্টেপে নাচতে দেখা যায় তরুণ ভক্তদের। প্রেক্ষাগৃহের সামনে স্থাপন করা হয়েছিল অভিনেতার ৪০ থেকে ৫০ ফুট উঁচু বিশালাকার কাটআউট। সেখানে লিটার লিটার দুধ ঢেলে ‘দুগ্ধাভিষেক’ করা হয়, যা দক্ষিণী সিনেমা সংস্কৃতির এক অনন্য অঙ্গ। সঙ্গে চলেছে আতশবাজির বিকট শব্দ ও রংবেরঙের আলোর খেলা। উৎসবের আমেজ এমনই ছিল যে, সাধারণ পথচলতি মানুষও সেই উন্মাদনা দেখতে থমকে দাঁড়ান।
ছবিটি নিয়ে ভক্ত ও বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়া
{{/usCountry}}চেন্নাইয়ের সিনেমা হলগুলোর বাইরের দৃশ্য ছিল দেখার মতো। ঢোলের ছন্দে বিজয়ের সিগনেচার স্টেপে নাচতে দেখা যায় তরুণ ভক্তদের। প্রেক্ষাগৃহের সামনে স্থাপন করা হয়েছিল অভিনেতার ৪০ থেকে ৫০ ফুট উঁচু বিশালাকার কাটআউট। সেখানে লিটার লিটার দুধ ঢেলে ‘দুগ্ধাভিষেক’ করা হয়, যা দক্ষিণী সিনেমা সংস্কৃতির এক অনন্য অঙ্গ। সঙ্গে চলেছে আতশবাজির বিকট শব্দ ও রংবেরঙের আলোর খেলা। উৎসবের আমেজ এমনই ছিল যে, সাধারণ পথচলতি মানুষও সেই উন্মাদনা দেখতে থমকে দাঁড়ান।
ছবিটি নিয়ে ভক্ত ও বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়া
{{/usCountry}}‘জন নায়গন’ মূলত রাজনৈতিক থ্রিলার ও অ্যাকশনে ভরপুর এক গণমানুষের সিনেমা। ছবিতে বিজয়ের শক্তিশালী অভিনয়, অ্যাকশন সিকোয়েন্স এবং সামাজিক বার্তাবহ সংলাপ দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। সিনেমা হল থেকে বেরিয়ে আসা দর্শকরা জানিয়েছেন, থালাপথি বিজয়ের স্ক্রিন প্রেজেন্স এক কথায় অনবদ্য। প্রেক্ষাগৃহের ভেতরে প্রতিটি সংলাপ ও প্রবেশের দৃশ্যে সিটি এবং তালির শব্দে কান পাতা দায় হয়ে পড়েছিল। বক্স অফিস বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিনেমাটি প্রথম দিনেই উপার্জনের দিক থেকে নতুন একাধিক রেকর্ড গড়তে চলেছে।
‘জন নায়গন’ চলচ্চিত্রটির এই অভূতপূর্ব প্রতিক্রিয়া আরও একবার প্রমাণ করে দিল যে, দক্ষিণী সিনেমা জগতে এবং ভক্তদের হৃদয়ে থালাপথি বিজয়ের রাজত্ব কতটা অটুট। চেন্নাই থেকে শুরু হওয়া এই উল্লাসের ঢেউ এখন ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশজুড়ে।