...
...
Next Story

‘জন নায়গন’ মুক্তির পরই চেন্নাই জুড়ে থালাপথি বিজয়ের ভক্তদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস! হলের বাইরে নাচ-গান ও উৎসবের মেলা

Jana Nayagan movie release: দক্ষিণী ছবির জগতে বিজয় কেবল একজন অভিনেতা নন, কোটি কোটি মানুষের কাছে তিনি এক আবেগ। বিশেষ করে রাজনৈতিক ময়দানে পা রাখার পর এবং অভিনয় জীবন নিয়ে তাঁর নানা নতুন সিদ্ধান্তের মাঝে ‘জন নায়গন’ ছবিটির মুক্তি নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্দীপনা ছিল চরম শিখরে।

Published on: Jul 23, 2026, 09:31:57 IST
Advertisement

Thalapathy Vijay fans celebration Chennai: দক্ষিণের চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় সুপারস্টার থালাপথি বিজয় (Thalapathy Vijay)-এর যেকোনো সিনেমা মুক্তি পাওয়া মানেই প্রেক্ষাগৃহের বাইরে উৎসবের আবহ তৈরি হওয়া। ভক্তদের উদ্দীপনা, আতশবাজির আলো, আর ব্যানার-কাটাউটে ঢেকে যাওয়া সিনেমা হল—সব মিলিয়ে এটি কেবল একটি চলচ্চিত্র মুক্তি নয়, বরং সিনেমা প্রেমীদের জন্য এক মহোৎসব।

‘জন নায়গন’ মুক্তির পরই চেন্নাই জুড়ে থালাপথি বিজয়ের ভক্তদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস! (Lakshmi )
‘জন নায়গন’ মুক্তির পরই চেন্নাই জুড়ে থালাপথি বিজয়ের ভক্তদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস! (Lakshmi )

‘লাইভ হিন্দুস্তান’ (Live Hindustan)-এ প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুপারস্টার বিজয় অভিনীত বহু প্রতীক্ষিত নতুন ছবি ‘জন নায়গন’ (Jana Nayagan) প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতেই চেন্নাইয়ের অলিতে-গলিতে শুরু হয়ে গেছে ভক্তদের উন্মাদনা। প্রেক্ষাগৃহের বাইরে বিজয় ভক্তদের বাঁধভাঙা নাচ, ঢাক-ঢোল বাজিয়ে আনন্দ উদযাপন এবং থালাপথির বিশাল কাটআউটে দুধ ঢেলে মালা পরানোর দৃশ্য এখন সমাজমাধ্যমের নজর কাড়ছে।

দক্ষিণী ছবির জগতে বিজয় কেবল একজন অভিনেতা নন, কোটি কোটি মানুষের কাছে তিনি এক আবেগ। বিশেষ করে রাজনৈতিক ময়দানে পা রাখার পর এবং অভিনয় জীবন নিয়ে তাঁর নানা নতুন সিদ্ধান্তের মাঝে ‘জন নায়গন’ ছবিটির মুক্তি নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্দীপনা ছিল চরম শিখরে।

সকাল থেকেই থিয়েটারের বাইরে মানুষের ঢল

প্রতিবেদন অনুসারে, ছবির ফার্স্ট ডে ফার্স্ট শো (FDFS) দেখার জন্য চেন্নাইয়ের প্রখ্যাত থিয়েটার ও মাল্টিপ্লেক্সগুলোর সামনে ভোর থেকেই অনুরাগীরা ভিড় জমাতে শুরু করেন। অনেক জায়গায় ভোর চারটে থেকেই শো রাখা হয়েছিল, আর সেই শো দেখার জন্য হলের বাইরে দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। থালাপথি বিজয়ের নামে স্লোগান, জয়ধ্বনি এবং ব্যানার হাতে হাজার হাজার ভক্ত প্রেক্ষাগৃহ চত্বর মাতিয়ে রাখেন।

ঢাক-ঢোল, আতশবাজি এবং বিশালাকার কাটআউট

‘জন নায়গন’ মূলত রাজনৈতিক থ্রিলার ও অ্যাকশনে ভরপুর এক গণমানুষের সিনেমা। ছবিতে বিজয়ের শক্তিশালী অভিনয়, অ্যাকশন সিকোয়েন্স এবং সামাজিক বার্তাবহ সংলাপ দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। সিনেমা হল থেকে বেরিয়ে আসা দর্শকরা জানিয়েছেন, থালাপথি বিজয়ের স্ক্রিন প্রেজেন্স এক কথায় অনবদ্য। প্রেক্ষাগৃহের ভেতরে প্রতিটি সংলাপ ও প্রবেশের দৃশ্যে সিটি এবং তালির শব্দে কান পাতা দায় হয়ে পড়েছিল। বক্স অফিস বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিনেমাটি প্রথম দিনেই উপার্জনের দিক থেকে নতুন একাধিক রেকর্ড গড়তে চলেছে।

‘জন নায়গন’ চলচ্চিত্রটির এই অভূতপূর্ব প্রতিক্রিয়া আরও একবার প্রমাণ করে দিল যে, দক্ষিণী সিনেমা জগতে এবং ভক্তদের হৃদয়ে থালাপথি বিজয়ের রাজত্ব কতটা অটুট। চেন্নাই থেকে শুরু হওয়া এই উল্লাসের ঢেউ এখন ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশজুড়ে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Suman Roy

সুমন রায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় ডেপুটি নিউজ এডিটর পদে কর্মরত। এই মুহূর্তে তিনি এই ওয়েবসাইটের ভারপ্রাপ্ত। কলেজের গণ্ডি পেরিয়েই সুমন সাংবাদিকতার পেশায় চলে এসেছিলেন। মূল আগ্রহের জায়গা ছিল লেখালিখি। সাংবাদিক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় পাতায় কাজ, বিনোদন এবং জীবনযাপন বিভাগে কাজ করতে করতে এখন সুমন ডিজিটাল মাধ্য়মের কনটেন্ট প্রোডিউসার হিসাবে কর্মরত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১৮ বছরের সামান্য বেশি সময় ধরে সুমন এই পেশায় কর্মরত। প্রথম বছর খানেক কাটে খবরের কাগজে। তার পরে তারা নিউজে স্বল্প কিছু সময়ের কাজ এবং তার পর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত খবরের কাগজে কাজ করেছেন সুমন। এর মধ্যে ‘একদিন’ নামক দৈনিক পত্রিকায় কয়েক বছর কেটেছে। তবে কেরিয়ারের বেশির ভাগ সময়ই কেটেছে ‘এই সময়’ সংবাদপত্রে। সেখানে বিনোদন, জীবনযাপন এবং ফিচার বিভাগে সুমন কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে এক বছর কাটে আনন্দবাজার ডিজিটালে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় কর্মরত সুমন। শিক্ষাগত যোগ্যতা: হিন্দুস্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন সুমন। তার পরে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা নিয়ে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: গল্পের বই পড়া, গান শোনা এবং বেড়ানো। কাজের বাইরে মূলত এই তিনটি জিনিস নিয়েই বাঁচেন সুমন। একটু লম্বা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন নতুন জায়গা দেখতে। অচেনা মানুষের সঙ্গে আলাপ করতে, তাঁদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে এবং সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পছন্দ করেন সুমন।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe