ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিনেতা জিৎ মন্তব্য করেছিলেন, ‘৪ তারিখে কী হচ্ছে দেখে নাও আগে…’। আর ৪ তারিখ বিনোদন জগতের তিনিই প্রথম, যিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। আর এবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে পৌঁছলেন অভিনেতা। ভিআইপি ট্রিটমেন্টে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে দেখা যায় অভিনেতাকে। নিরাপত্তার বহরও ছিল দেখার মতো। আর এই ছবি-ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই নেটপাড়ার মনে প্রশ্ন, ‘তাহলে কি এবার জিতের গায়েও লাগল রাজনীতির রং’?

২৫ বৈশাখ সকাল সকাল ব্রিগেডে শপথবাক্য পাঠ করে বাংলায় নতুন মুখ্যমন্ত্রী হলেন শুভেন্দু অধিকারি। পরনে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি। চোখে রোদচশমা। ব্রিগেডে প্রবেশ করলেন টলিউডের ‘বস’। আর যার ফলে নতুন জল্পনা তুঙ্গে, তাহলে কি দেবের মতো ভোটে দাঁড়াবেন জিৎও?
কদিন আগে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর যখন বিচার চেয়ে পথে নেমেছিল গোটা টলিউড, তখন তাতে সামিল হননি জিৎ। ফেডারেশন থেকে আর্টিস্ট ফোরাম, কোনো মিটিংয়েই দেখা মেলেনি কখনো। বারবরই হেঁটেছেন স্রোতের উল্টো পথে। তবে এবার নতুন সরকার আসতেই কি ‘স্বস্তির শ্বাস’ জিতের?
বিজেপি-র জয়ের পর জিৎ একটি পোস্ট করেছিলেন। যেখানে লেখা হয়েছিল, ‘বাংলার জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই জয়ের জন্য শুভেচ্ছা বিজেপিকে। আশা করি এই জয় বাংলার জন্য উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিয়ে আসবে।’
৯ মে ২০২৬, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই দিনটি ২৫শে বৈশাখ বা রবীন্দ্রজয়ন্তী হওয়ায় বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সশরীরে উপস্থিত থেকে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছেন। শুভেন্দুর পরই একে একে হবু মন্ত্রীরা শপথ নিয়েছেন।