স্বাধীনতা দিবসের আবহে মুক্তিপ্রাপ্ত টলিউড সুপারস্টার জিতের বিগ বাজেট বায়োগ্রাফিক্যাল ছবি ‘কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত’ নতুন সপ্তাহের প্রথমদিন অর্থাৎ সোমবারেও বক্স অফিসে নিজের শক্ত অবস্থান বজায় রাখল। সপ্তাহের শুরুতেই কাঙ্ক্ষিত ১ কোটি টাকার মাইলস্টোন স্পর্শ করে সফলতার মুখ দেখল এই সিনেমা। পাশাপাশি দু-অঙ্কের কামাই ধরে রাখতে সফল হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত ছবির নেট আয় ১ কোটি ৮ লাখ টাকা।

৪ দিনের বক্স অফিস কালেকশন
প্রথম দিন (শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট): ১৮ লাখ টাকা (নেট)
দ্বিতীয় দিন (শনিবার, ১৫ই আগস্ট - স্বাধীনতা দিবস): ৪১ লাখ টাকা (নেট)
তৃতীয় দিন (রবিবার, ১৬ই আগস্ট): ২৭ লাখ টাকা (নেট)
চতুর্থ দিন (সোমবার, ১৭ই আগস্ট): ১১ লাখ টাকা (নেট)
মোট নেট আয় (Net Collection): ১.০৮ কোটি টাকা
মোট গ্রস আয় (Gross Collection): ১.২৬ কোটি টাকা (Sacnilk.com-এর তথ্যানুসারে)
বক্স অফিস বিশ্লেষণ
সোমবারে কাজের দিন হওয়ায় আয় রবিবারের তুলনায় কিছুটা কমলেও, কোনও বড় পতন পরিলক্ষিত হয়নি। মাত্র ৪ দিনেই ছবিটির নেট আয় ১.০৮ কোটি টাকা এবং সর্বমোট গ্রস আয় ১.২৬ কোটি টাকায় গিয়ে পৌঁছেছে। স্বাধীনতা সংগ্রামী ও বিপ্লবী অনন্ত সিং-এর জীবনী নির্ভর এই পিরিয়ড ড্রামাটি নিয়ে দর্শকমহলে এখনও ইতিবাচক চর্চা বজায় রয়েছে। চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে ছবিটির ব্যবসা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকরা।
ছবিটি তার তারকাখচিত কলাকুশলী এবং অভিনয়শিল্পীদের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের কারণে বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
{{/usCountry}}ছবিটি তার তারকাখচিত কলাকুশলী এবং অভিনয়শিল্পীদের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের কারণে বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
{{/usCountry}}জিৎ: বিপ্লবী অনন্ত সিং-এর মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সুপারস্টার জিৎ। পথিকৃত বসু পরিচালিত এই ছবিতে তাঁর ভিন্নধর্মী ৯টি লুক ও অ্যাকশন অবতার ইতিমধ্যেই দর্শকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছে।
টেটা রায় চৌধুরী: ছবিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইন্সপেক্টর দুর্গা রায় চরিত্রে নজর কেড়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘এই ছবি জিতের কামব্যাক’। জিতের ডেডিকেশনে মুগ্ধ টোটা।
অন্যান্য কলাকুশলী: এছাড়াও ছবিতে অত্যন্ত জোরালো ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা কৌশিক সেন এবং রজতাভ দত্তরা। বিশেষ ভূমিকায় দেখা মিলেছে সৃজলা গুহকে।
হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জিৎ জানিয়েছেন, সব থেকে না হলেও, এই ছবি তাঁর কেরিয়ারের ‘ওয়ান অফ দ্য মোস্ট চ্যালেঞ্জিং’ চরিত্র তো বটেই। অনন্তর দেশের প্রতি যে সমর্পিত মনোভাব, ওর সংঘর্ষ, ধৈর্য এবং আত্মত্যাগ—সবটাই খুব অনুপ্রেরণাদায়ক। মহৎ কাজ করতে গেলে যে অনেক লড়াই করতে হয়, চরিত্রটা সেটা শেখায়।