স্বাধীনতা দিবসের লম্বা উইকেন্ডে বক্স অফিসে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখল টলিউড সুপারস্টার জিতের বায়োগ্রাফিক্যাল অ্যাকশন-ড্রামা 'কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত'। বিপ্লবী অনন্ত সিং-এর জীবন নির্ভর এই বায়োগ্রাফিক্যাল অ্যাকশন-ড্রামাটি দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সমালোচক-দর্শক উভয়েরই মন জয়ে সফল অভিনেতা-সুপারস্টার জিৎ। পথিকৃৎ বসু পরিচালিত এই ছবির আয় শনিবার, ১৫ই আগস্টের সরকারি ছুটির পর রবিবার (১৬ই আগস্ট) সামান্য কমলেও ছুটির শেষ দিনে প্রেক্ষাগৃহে বেশ ভালোই ব্যবসা ধরে রেখেছে ছবিটি।
৩ দিনের বক্স অফিস কালেকশন রিপোর্ট

প্রথম দিন (শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট): ১৮ লাখ টাকা
দ্বিতীয় দিন (শনিবার, ১৫ই আগস্ট - স্বাধীনতা দিবস): ৪১ লাখ টাকা
তৃতীয় দিন (রবিবার, ১৬ই আগস্ট): ২৭ লাখ টাকা
মোট তিন দিনের সংগ্রহ: ৮৬ লাখ টাকা (Sacnilk.com-এর তথ্যানুসারে)
নতুন সপ্তাহের শুরুতেই ১ কোটির ক্লাবে প্রবেশের সম্ভাবনা
প্রথম তিন দিনেই ছবিটির নেট আয় গিয়ে পৌঁছেছে ৮৬ লাখ টাকায়, যা পোস্ট-প্যান্ডেমিক বা করোনা-পরবর্তী সময়ে জিতের একক সিনেমার ক্ষেত্রে অন্যতম সেরা উইকেন্ড কালেকশন। এই ছবির গ্রস আয় প্রায় ৯৬ লাখ টাকা।
বক্স অফিস বিশ্লেষকদের মতে, নতুন সপ্তাহের শুরুতেই এক কোটি টাকার মাইলস্টোন অনায়াসে পার করে ফেলবে বিপ্লবী অনন্ত সিং-এর জীবন নির্ভর এই ছবিটি। যা বড় প্রাপ্তি হবে জিতের।
ছবিটি তার তারকাখচিত কলাকুশলী এবং অভিনয়শিল্পীদের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের কারণে বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
জিৎ: বিপ্লবী অনন্ত সিং-এর মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সুপারস্টার জিৎ। পথিকৃত বসু পরিচালিত এই ছবিতে তাঁর ভিন্নধর্মী ৯টি লুক ও অ্যাকশন অবতার ইতিমধ্যেই দর্শকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছে।
টেটা রায় চৌধুরী: ছবিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইন্সপেক্টর দুর্গা রায় চরিত্রে নজর কেড়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘এই ছবি জিতের কামব্যাক’। জিতের ডেডিকেশনে মুগ্ধ টোটা।
{{/usCountry}}টেটা রায় চৌধুরী: ছবিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইন্সপেক্টর দুর্গা রায় চরিত্রে নজর কেড়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘এই ছবি জিতের কামব্যাক’। জিতের ডেডিকেশনে মুগ্ধ টোটা।
{{/usCountry}}অন্যান্য কলাকুশলী: এছাড়াও ছবিতে অত্যন্ত জোরালো ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা কৌশিক সেন এবং রজতাভ দত্তরা। বিশেষ ভূমিকায় দেখা মিলেছে সৃজলা গুহকে।
হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জিৎ জানিয়েছেন, সব থেকে না হলেও, এই ছবি তাঁর কেরিয়ারের ‘ওয়ান অফ দ্য মোস্ট চ্যালেঞ্জিং’ চরিত্র তো বটেই। অনন্তর দেশের প্রতি যে সমর্পিত মনোভাব, ওর সংঘর্ষ, ধৈর্য এবং আত্মত্যাগ—সবটাই খুব অনুপ্রেরণাদায়ক। মহৎ কাজ করতে গেলে যে অনেক লড়াই করতে হয়, চরিত্রটা সেটা শেখায়।