১৪ই আগস্ট ২০২৬-এ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া টলিউড সুপারস্টার জিতের প্রতীক্ষিত সিনেমা 'কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত' (KBBKBD) বক্স অফিসে দুর্দান্ত গতিতে এগোচ্ছে। বিপ্লবী অনন্ত সিং-এর জীবন নির্ভর এই বায়োগ্রাফিক্যাল অ্যাকশন-ড্রামাটি দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সমালোচক-দর্শক উভয়েরই মন জয়ে সফল অভিনেতা-সুপারস্টার দেব।

প্রথম দিন ১৮ লাখ টাকার ব্যবসা দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, ১৫ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের ছুটির দিনে ছবিটির আয় বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। যা জিৎ এবং গোটা টিমের কাছে বিরাট প্রাপ্তি।
দু-দিনের দিনের বক্স অফিস কালেকশন রিপোর্ট
প্রথম দিন (শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট): ১৮ লাখ টাকা
দ্বিতীয় দিন (শনিবার, ১৫ই আগস্ট - স্বাধীনতা দিবস): ৪১ লাখ টাকা
মোট ২ দিনের আয়: ৫৯ লাখ টাকা
পোস্ট-প্যান্ডেমিক রেকর্ড ভাঙার মুখে 'KBBKBD'?
করোনা-পরবর্তী বা পোস্ট-প্যান্ডেমিক সময়ে জিতের একক বাংলা রিলিজগুলোর (যেমন 'মানুষ' বা 'রাবণ') ব্যবসাকে অনায়াসেই টপকে গেছে ছবিটি। তবে বক্স অফিস বিশেষজ্ঞদের নজর এখন একটাই প্রশ্নের দিকে— ইতিবাচক 'মাউথ-পাবলিসিটি' এবং স্বাধীনতা দিবসের এই লম্বা উইকেন্ড কাজে লাগিয়ে 'কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাত' কি জিতের নিজস্ব প্যান-ইন্ডিয়া সুপারহিট ছবি 'চেঙ্গিজ'-এর রেকর্ড ভাঙতে পারবে?
তারকাবহুল কাস্টিং ও অভিনয়
ছবিটি তার তারকাখচিত কলাকুশলী এবং অভিনয়শিল্পীদের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের কারণে বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
{{/usCountry}}ছবিটি তার তারকাখচিত কলাকুশলী এবং অভিনয়শিল্পীদের শক্তিশালী পারফরম্যান্সের কারণে বিশেষভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
{{/usCountry}}জিৎ: বিপ্লবী অনন্ত সিং-এর মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সুপারস্টার জিৎ। পথিকৃত বসু পরিচালিত এই ছবিতে তাঁর ভিন্নধর্মী ৯টি লুক ও অ্যাকশন অবতার ইতিমধ্যেই দর্শকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছে।
টেটা রায় চৌধুরী: ছবিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইন্সপেক্টর দুর্গা রায় চরিত্রে নজর কেড়েছেন তিনি।
অন্যান্য কলাকুশলী: এছাড়াও ছবিতে অত্যন্ত জোরালো ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা কৌশিক সেন এবং রজতাভ দত্ত।
উইকেন্ডের বাকি দিনগুলোতেও এই ছবির আয় আরও বড় অংকের দিকে এগোবে বলেই মনে করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা। রবিবারও ছবির এই গতি বজায় থাকলে এদিনই এক কোটির দরজায় কড়া নাড়বেন জিৎ।
হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জিৎ জানিয়েছেন, সব থেকে না হলেও, এই ছবি তাঁর কেরিয়ারের ‘ওয়ান অফ দ্য মোস্ট চ্যালেঞ্জিং’ চরিত্র তো বটেই। অনন্তর দেশের প্রতি যে সমর্পিত মনোভাব, ওর সংঘর্ষ, ধৈর্য এবং আত্মত্যাগ—সবটাই খুব অনুপ্রেরণাদায়ক। মহৎ কাজ করতে গেলে যে অনেক লড়াই করতে হয়, চরিত্রটা সেটা শেখায়।