...
...
Next Story

Jeetu-Prosenjit: ‘উনি মিথ্যে কথা বলছেন…’! বাড়ছে বচসা, এবার সরাসরি প্রসেনজিতের দিকে আঙুল জীতুর

সম্প্রতি জীতুর বিরুদ্ধে মুখ খোলেন ‘ইন্ডাস্ট্রি’, আর্টিস্ট ফোরাম-এর কার্যকরী সভাপতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তবে দমে যাওয়ার পাত্র নন জীতুও। তিনিও একহাত নিলেন।

Published on: May 15, 2026, 11:17:38 IST
Advertisement

রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর থেকে সোশাল মিডিয়ায় ওয়েস্ট বেঙ্গল মোশন পিকচার্স আর্টিস্ট ফোরাম-এর বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক পোস্ট করেছেন জীতু কমল। বলা চলে একেই তোলপাড় ফেলে দিয়েছেন অভিনেতা। টলিপাড়ার অধিকাংশই জীতুর বিপরীতে। তবে তাতে রাশ টানেননি অভিনেতা। এমনকী, সম্প্রতি জীতুর বিরুদ্ধে মুখ খোলেন ‘ইন্ডাস্ট্রি’, আর্টিস্ট ফোরাম-এর কার্যকরী সভাপতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

এবার সরাসরি প্রসেনজিতের দিকে আঙুল জীতুর।
এবার সরাসরি প্রসেনজিতের দিকে আঙুল জীতুর।

জীতুর সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালিখি নিয়ে প্রসেনজিৎ বলেন, ‘আমরা সবাই বলছি সোশাল মিডিয়ায় লেখার আগে আমাদের জানাতে। আমরা তাহলে যথাসাধ্য সমাধানের চেষ্টা করব। সোশাল মিডিয়ায় লিখেই যদি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যেত তাহলে ২৭ বছর ধরে আর্টিস্ট ফোরাম থাকত না।’!

এবার তারই জবাব দিলেন জীতু। ইন্ডিপেনডেন্ট বেঙ্গলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বললেন, ‘আর্টিস্ট ফোরামকে তো আমি মেল করেছিলাম। যে সিনিয়র অভিনেতা, আমাদের শ্রদ্ধেয়, তিনি বারবার এড়িয়ে গিয়েছেন আমাকে। আমি তাঁকে বারবার ফোন করেছি, আমি তাঁকে এসএমএস করেছি, হোয়াটসঅ্যাপ করেছি। কাল হঠাৎ বললেন, সোশ্যাল মিডিয়াতে বললে কী সব সমস্যার সমাধান হয়… আপনি মিথ্যে কথা বলছেন!’

এরপর যখন সাংবাদিক জানতে চান তিনি কি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ করছেন? তাতে জীতুর জবাব, ‘চ্যালেঞ্জ নয়, উনি মিথ্যে কথা বলছেন। আমি কিন্তু অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়, পদ্মশ্রী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে বলছি না। বলছি ওই চেয়ারটাতে বসে থাকা মানুষটাকে। আপনি তো ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট বা কোনো একটা পদে আছেন। আমি ঠিক বলতে পারব না, কারণ সেদিন মেল করে, আমি কার্ডটা ছিঁড়ে ফেলে দিয়েছিলাম। এই ফোরামের মেম্মার থাকতে পারব না আর। যে ফোরাম দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে চাটুকারিতা করছে। বলছে আর্টিস্ট ফোরামকে জানানো উচিত ছিল। আমি তো জানিয়েছি। আমি তো মেল দেখিয়েছি। আমি নিজের মালা নিজে গলায় পরে নিয়ে বারবার করে মেইল দেখিয়েছি। যে আমি ১৫ তারিখ জানিয়েছি, ২৯ তারিখ আমার এক সহ অভিনেতার মৃত্যু ঘটল, সেটা তো নাও ঘটতে পারত। যে অনভিপ্রেত কথাটা বলছেন আপনি, 'আমরা প্রস্তুত ছিলাম না রাহুলের মৃত্যুর জন্য'! কেউ মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকে নাকি। আপনি তো খুব ভয়কর কথা বলছেন। আমার ১৫ তারিখের মেইলটা যদি আপনারা দেখতেন, তাহলে একটা সলিউশনে আসা যেত। তার প্রত্যুত্তরে জানিয়েছেন, 'নতুন কমিটি হয়েছে, একটু তো সময় লাগবে'! ৪ তারিখ ক্ষমতায় এসেছে রাজ্যে একটা নতুন দল, ৯ তারিখের মধ্যে কতগুলো প্রকল্প জানিয়ে দিল। আর আপনারা একটা কমিটি এক-দেড় মাস হয়েছে, আমি কমপ্লেন দিয়েছি দেড় মাস ধরে, আপনারা ফোনটুকু পর্যন্ত তোলেননি। করছি বলে রেখে দিয়েছেন…’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe