বাংলা ধারাবাহিকের এই মুহূর্তের অন্যতম চর্চিত ধারাবাহিক হল চিরদিনই তুমি যে আমার। তবে এটি চর্চায় পুরোপুরি বিতর্কিত কারণে। গল্পে চমক থাকলেও, টিআরপি তলানিতে। তবে ধারাবাহিকের সেটে ক্রমাগত হয়ে চলা ঝামেলা জায়গা করে নিয়েছে শিরোনামে। কাদা ছোঁড়াছুড়ি এতটাই বেড়েছে যে, দর্শকরাও ক্রমাগত উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন।

এরইমধ্যে নজর কেড়েছে জীতুর একটি পোস্ট। যেখানে দেখা গেল সেটে একটি বেঞ্চের উপরে শুয়ে আছেন তিনি। গায়ে কমলা রঙের টি-শার্ট, ডেনিম আর টুপি। সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা, ‘হাজারও বাগ্বিতণ্ডা হয়েছে/হচ্ছে/হবে। কিন্তু আমার মত আমার ফ্লোরকে মন্দিরসম ভালো কেউ বাসতে পারবে না। এটা আমার চ্যালেঞ্জ।’
প্রথমবার ধারাবাহিকের সেটে জীতুর সঙ্গে দিতিপ্রিয়া রায়ের সমস্যার খবর এসেছিল। প্রথমে অপু চরিত্রে কাজ করা অভিনেত্রীর অভিযোগ ছিল, তাঁকে ক্রমাগত বিতর্কিত ম্যাসেজ পাঠান অভিনেতা। এরপর জীতুর তরফে তো পুরো হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট শেয়ার করা হয়। চিরদিনই ধারাবাহিকের দর্শকরা ভাগ হয়ে যান দুটো দলে। এরপর দুজনের ঝামেলা এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, ধারাবাহিক ছাড়েন দিতিপ্রিয়া।
তবে এখানেই থেমে থাকেনি বিতর্ক। কিংকরের চরিত্রে কাজ করা অভ্রজিৎ চক্রবর্তী থেকেশুরু করে নতুন অপর্ণা শিরিন পাল, কারও সঙ্গেই আর সদ্ভাব নেই জীতুর। এমনকী, শিরিনের কথাতেও সদ্য সেই ইঙ্গিতই মিলেছে।
ধারাবাহিকে অপর্ণার জুতোয় পা গলনোর পর, বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল জীতু-শিরিনের। এমনকী, শিরিন তাঁর প্রেমিকজিৎ সুন্দরের সঙ্গে প্রেম করতে গেলে, সেখানেও সঙ্গী হয়েছিলেন জীতু। তবে এখন এই সম্পর্কেও ধরেছে চিড়। এক সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে শিরিনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল গোটা ব্যাপারটা নিয়ে, যাতে বেশ সাবধানী জবাব আসে। অভিনেত্রী বলেন, ‘কলটাইম পাই, শুটিং করি, তারপর বাড়ি ফিরি।’
{{/usCountry}}ধারাবাহিকে অপর্ণার জুতোয় পা গলনোর পর, বেশ ভালো সম্পর্ক ছিল জীতু-শিরিনের। এমনকী, শিরিন তাঁর প্রেমিকজিৎ সুন্দরের সঙ্গে প্রেম করতে গেলে, সেখানেও সঙ্গী হয়েছিলেন জীতু। তবে এখন এই সম্পর্কেও ধরেছে চিড়। এক সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে শিরিনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল গোটা ব্যাপারটা নিয়ে, যাতে বেশ সাবধানী জবাব আসে। অভিনেত্রী বলেন, ‘কলটাইম পাই, শুটিং করি, তারপর বাড়ি ফিরি।’
{{/usCountry}}যদিও এত বিতর্কের পরেও, জীতু ভক্তরা কিন্তু ছাড়লেন না তাঁর হাত। যেমন অভিনেতার ‘আমার মত আমার ফ্লোরকে মন্দিরসম ভালো কেউ বাসতে পারবে না’ পোস্টে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘যে যাকে সবথেকে বেশি ভালোবাসে, সেখান থেকেই সবথেকে বেশি কষ্টটাও পায় দাদা। এই জন্যই তো তুমি সবার থেকে আলাদা তোমার মতো কেউ কোনো দিন হতে পারবে না । তুমি সবসময়ই সেরা।’
আরেকজন লেখেন, ‘তুমি একদম হাল ছেড়ো না জীতু দা তুমি একদম সঠিক রাস্তায় আছো। তোমার মত ফ্লোরকে এত ভালবাসতে কেও পারবে না।’!
বেশ ভালো গল্প নিয়েই শুরু হয়েছিল চিরদিনই তুমি যে আমার-এৎ যাত্রা। পরজন্ম, বয়সের ফারাক, মাখোমাখো রোম্যান্সে টানটান ছিল গল্প। কিন্তু একদম আলাদা ধরনের গল্প এনেও, সেটের অন্তকর্লহের কারণে টিআরপি আনতে পারল না ভালো।