সোমবার সকাল থেকেই টানটান উত্তেজনা। যদিও গণনা শুরু হতেই, খানিক স্পষ্ট ফলাফল। বাংলার শাসনক্ষমতা বদলাচ্ছে, গেরুয়া ঝড় উঠছে, অন্তত তেমনটাই আশা করছে আমজনতা। এরই মাঝে অভিনেতা জীতু কমলের একটি পোস্ট কাড়ল নজর। যেখানে ‘বাংলা ইন্ডাস্ট্রি-র বদল’-এর স্বপ্ন বুনতে দেখা গেল অভিনেতাকে।

ফেসবুকে একটা লম্বা পোস্ট এল জীতুর তরফে। যেখানে লেখা, ‘আশা করি ফাটকা বাজার থেকে এবার বাংলা ইন্ডাস্ট্রি আবার ‘ইন্ডাস্ট্রি’র তকমাটা ফিরে পাবে। এতদিন যেভাবে একে অপরের সঙ্গে সুক্ষভাবে ঝামেলা লাগিয়ে, সেই ঝামেলা মেটানোর নাম করে এক লাখ-দু লাখ টাকা আন্ডার টেবিলে চাইতেন, আশা করি সেটা আর নতুন নেতারা করবেন না।’
জীতু মাসখানেক ধরেই অভিযোগ করে এসেছেন যে, আর্টিস্ট ফোরাম তাঁর পাশে নেই। বরং একটি সিনেমার নির্মাতাদের সঙ্গে যখন তাঁর মতবিরোধ হয়, তখন কাওকেই পাশে পাননি। সেকথাও উল্লেখ থাকল এদিনের পোস্টে। লিখলেন, ‘শিল্পী-নেতা থেকে সমস্ত ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের কাছে ফোন করে, দিনের পর দিন এসএমএস করে প্রচুর কাকুতি-মিনুতি করেছি, কেউ এগিয়ে আসেনি। …মাথায় রাখবেন আপনি/আমরাই পারি বদলাতে, আপনিই পারেন নিজের অধিকার বুঝে নিতে।’
বিজেপি জিতবেন এই আশা নিয়ে জীতু লেখেন, ‘নতুন সরকারের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, ইন্ডাস্ট্রিতে রাজনীতি ঢুকতে দেবেন না দয়া করে।’
এমনকী জীতু নির্বাচনের ফলাফলের দিন জানান যে, তাঁকে ‘থ্রেট’-এর মুখেও পড়তে হয়েছিল। লিখলেন, ‘চার তারিখের পর আমাকে 'বুঝে নেবেন' এই কথাও আমার কানে এসেছে। সত্যি কথা বলব, চার তারিখের পর যদি আপনারা ক্ষমতাতেও আসতেন আমাকে আপনারা কিসুই বুঝতে পারতেন না। কারণ আমিআপনাদের মতো কাপুরুষ, বর্বর, মিথ্যাবাদী, পাল্টিবাজ নই। ওই যে বলেছিলাম, আপনারা আমার কাজ খেতে পারেন, মূল্যবোধ নয়। হ্যাঁ, আমি আমার ইন্ডাস্ট্রি নিয়েই বলবো। বলে এসছি, বলছি, ভবিষ্যতেও বলবো।’