...
...
Next Story

Rahul-Jeetu: মৃত রাহুলের পাশে নিজের ছবির গলায় পরান মালা! ‘কোথায় তদন্ত চাওয়া মুখগুলো?', বিচারহীন চার মাসে লিখলেন জীতু

রাহুলের মৃত্যুতে প্রযোজনা সংস্থার গাফিলতি ছিল স্পষ্ট। এমনকী, রাহুলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে পথে নেমেছিল টলিউডের বড় একটা অংশ। তবে বিচার এখনো অধরা। রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পর রাহুলের মৃত্যুর তদন্তভার যায় সিআইডি (CID)-র হাতে।

Published on: Jul 29, 2026, 15:00:53 IST
Advertisement

জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৬ সালের ২৯ মার্চ দিঘা সংলগ্ন তালসারি সমুদ্রে শুটিংয়ের সময় জলে ডুবে মারা যান। অভিনেতার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার ও পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর পেছনে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনে তালসারি থানায় অভিয়োগ দায়ের করা হয়েছে। রাহুলের মৃত্যুতে প্রযোজনা সংস্থার গাফিলতি ছিল স্পষ্ট। এমনকী, রাহুলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে পথে নেমেছিল টলিউডের বড় একটা অংশ। তবে বিচার এখনো অধরা। রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পর রাহুলের মৃত্যুর তদন্তভার যায় সিআইডি (CID)-র হাতে।

রাহুল-জীতু।
রাহুল-জীতু।

রাহুলের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন জীতু কমল। আসলে তৎকালীন আর্টিস্ট ফোরামের সঙ্গে তাঁর একটা দ্বন্দ্ব চলছিল। এর পিছনে ছিল, শুটিং ফ্লোরে শিল্পীদের সুরক্ষা ও হেনস্থা নিয়ে ফোরামের উদাসীনতা এবং নিষ্ক্রিয়তা। 'এরাও মানুষ' ছবির শুটিংয়ে জীতু চরম অব্যবস্থা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের শিকার হন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে তাঁকে জোর করে কাজ করানো হয়। যা আর্টিস্ট ফোরামকে বারবার জানিয়েও কোনো বিচার পাননি।

এরপর রাহুলের মৃত্যুর পর জীতুর অভিযোগ ছিল, তাঁর কথা যদি সেদিন শুনে নেওয়া হত, তাহলে হয়তো রাহুলকে অকালে চলে যেতে হত না। এমনকী, তিনি রাহুল ও নিজের গলায় মালা দিয়ে বিক্ষোভেও বসেছিলেন। যা নিয়ে একাধিক মানুষ কটাক্ষ করেছিল জীতুকে।

রাহুলের মৃত্যুর চার মাস পেরিয়ে গেলেও বিচার অধরা, আর তা নিয়ে পোস্ট এল জীতু কমলের থেকে। তিনি ফেসবুকে লিখলেন, ‘আজও আরেকটি ২৯ পেরিয়ে যাচ্ছে । তদন্ত কোথায়? কোথায় সেই তদন্ত চাওয়ার মুখগুলো?? কোথায় সেই তাগিদ? কোথায় সেই টিপ্পনি যে বেঁচে থাকা মানুষ কখন আন্দোলন করবে আর কখন চুপ করে থাকবে? কীভাবে চলে গেল একটি প্রাণ—সেই প্রশ্নের উত্তর আজও অমীমাংসিত। আমরা শুধু মানুষে মানুষে বিভক্ত হলাম।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe