শনিবার অবশেষে হাসি ফুটল সেই পড়ুয়াদের মুখে যারা প্রায় ১ মাস ধরে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বিচার চেয়ে পথে নেমেছিলেন। ‘শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের’ দাবিতে যারা পুলিশের লাঠির বাড়ি খেতেও ভয় পায়নি, কাঁদানে গ্যাসের মোকাবিলা করেছে, জলকামানের সামনে উদ্যমে নেচেছে, সেই জেন জি-র জয় এটা। এদিকে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতেই, পশ্চিমবঙ্গের কিছু ‘খুদে-খুদে’ বিজেপি বিধায়ককে সচেতন করলেন অভিনেতা জীতু কমল।

জীতু সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। সর্বোপরি, ভারতের যুবশক্তিরই জয় হল। কেন্দ্রীয় সরকার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। ভালো কে ভালো বলার অভ্যেস করতেই হবে। আশা করব, পশ্চিমবঙ্গের নেতারা তাদের সুপারফিসিয়াল মনোভাব, বিশেষ করে কিছু খুঁদে-খুঁদে এমএলেদের সেই উপরিভাসী আচরণ পরিত্যাগ করে মানুষের পাশে দাঁড়াবেন এবং তাঁদের সাহায্য করবেন।’
‘কেন্দ্রীয় বা রাজ্য স্তরের নেতৃত্বের কাছ থেকে রাজনৈতিক-শিক্ষা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং তাঁদের সহায়তা করুন। মনে রাখবেন, মানুষ আপনার গোলাম নয়। পক্ষপাতিত্ব, গুন্ডাপোষণ এগুলো জনগণ দেখছেন। জনগণের সেবা করার অঙ্গীকার নিয়েই আপনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তাই সেই দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করুন। মনে রাখবেন, আজকের এই ঔদ্ধত্য বা অহংকার চিরস্থায়ী নয়। আজ থেকে সাড়ে চার বছর পড়ে আবার আপনাদেরই হাতজোড় করে মানুষের কাছে যেতে হবে, তাঁদের সমর্থন ও আশীর্বাদ চাইতে হবে। মানুষ কিন্তু আপনার আজকের ব্যবহার ভুলে যাবে না। তাই ক্ষমতাকে নয়, মানুষের সেবাকেই অগ্রাধিকার দিন।’
জীতুর এই পোস্টে তাঁর সঙ্গে সহমত পোষণ করতে দেখা গেল তাঁর অনুরাগীদের। একজন মন্তব্য করলেন, ‘আল্টিমেটলি জনতাই জনার্দন।এবার শিক্ষা নিয়ে কাজটুকু ঠিকভাবে করুক দুই সরকার।’ আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘এটা তো নতুন কথা নয়, বাঁশের থেকে কঞ্চি বেশি লম্বা হয়। জমিদার যত না বলে তার মোসাহেবগণ বেশি বলে। চিরদিন এই প্রথা চলে এসেছে। এর নাম সমাজ।’
{{/usCountry}}জীতুর এই পোস্টে তাঁর সঙ্গে সহমত পোষণ করতে দেখা গেল তাঁর অনুরাগীদের। একজন মন্তব্য করলেন, ‘আল্টিমেটলি জনতাই জনার্দন।এবার শিক্ষা নিয়ে কাজটুকু ঠিকভাবে করুক দুই সরকার।’ আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘এটা তো নতুন কথা নয়, বাঁশের থেকে কঞ্চি বেশি লম্বা হয়। জমিদার যত না বলে তার মোসাহেবগণ বেশি বলে। চিরদিন এই প্রথা চলে এসেছে। এর নাম সমাজ।’
{{/usCountry}}আরেকজন লেখেন, ‘সমবেত কন্ঠের জয়....নব প্রজন্মের ইতিবাচকতার জয়, ক্ষুদ্র স্বার্থ ভুলে জনস্বার্থ রক্ষার মানসিকতার জয়। তোমাকে ধন্যবাদ, আমি এই খবর তোমার থেকেই প্রথম পেলাম। যাদের উদ্দেশ্যে লিখেছো তারা বুঝলে ভালো, নইলে বুঝিয়ে দিতে মানুষ আবার জোট বাঁধবে।’
পদত্যাগের পর ধর্মেন্দ্র প্রধান লম্বা পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে লেখা ছিল, ‘গত ১০ দিনের ঘটনাক্রমে আমি ব্যথিত। যন্তর মন্তর এবং সারা দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, দেশবিরোধী শক্তিগুলি যাতে তার সুযোগ নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যাতে অটুট থাকে, কোনও পড়ুয়া যাতে আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে পড়ে, আমাদের সন্তানেরা যাতে কেরিয়ারে মনোনিবেশ করতে পারে, সে কথা বিবেচনা করে আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছি।’
‘কিছু মানুষ পড়ুয়াদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন। বাধা সৃষ্টি করেছেন। তাতে আমি ব্যথিত। দেশসেবাই আমার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাতে আমি সবসময় নিবেদিত থাকব। ভবিষ্যতেও ভারতমাতা, ওড়িশার জনগণ এবং দেশের যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করব।’, আরও লেখেন তিনি।