কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে খ্যাতির শীর্ষে ছিলেন ঝিলম গুপ্ত। তবে বিগ বস বাংলায় ভাগ নেওয়ার পর থেকে যেন সকলের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। মস্করা করেছেন, গান বেঁধেছেন, সব মিলিয়ে বিগ বস বাংলায় তাঁর যোগদান বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার কারণে মাঝপথে বিগ বস বাংলা ছাড়তে হয় ঝিলমকে।

সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে একটি সরকারি হাসপাতালের বাইরে লম্বা লাইন, তাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ঝিলম গুপ্ত। তাঁর হাতে একটি কাগজ। পাশে দেখা গেল ঝিলমের ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকেও।
করুণা শিট নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে এই ভিডিয়ো পোস্ট করে লেখা হয়, ‘ঝিলম গুপ্তকে দেখলাম। মেডিকেল হাসপাতালের ভর্তির লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে। তুমি সুস্থ হয়ে ফিরে এসো। অনেক ভালবাসা।’ আর এই পোস্ট মুহূর্তে ভাইরাল। একজন মন্তব্য করলেন, ‘কতটা মাটির মানুষ। চাইলেই বড় বেসরকারি হাসপাতালে যেতে পারত। এই কারণেই মেয়েটা সবার মনে জায়গা করে নিয়েছে।’
বিগ বস বাংলা থেকে বেরিয়ে এসে একটি ভিডিয়োতে ঝিলমকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘গলব্লাডারে স্টোন ধরা পড়ার পরেও আমি বিগ বসে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু কিছুদিন পর থেকেই প্রচণ্ড পেটে ব্যথা শুরু হয়। ব্যথা কমানোর জন্য পেইনকিলার খেতাম। বিগ বসের পক্ষ থেকেও আমার সুস্থতার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করা হয়েছিল। সেখানকার চিকিৎসক নিয়মিত আমার শারীরিক অবস্থার খোঁজ রাখতেন। কিন্তু ধীরে ধীরে আমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে, যা আমি নিজেও বুঝতে পারিনি। সেই কারণে আমার সিটি স্ক্যান ও ইউএসজি করানো হয়। এমনকী চারটি ইনজেকশন নেওয়ার পরেও ব্যথা কমেনি। শেষ পর্যন্ত সেখানকার চিকিৎসকদের পরামর্শেই আমাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যাতে বাড়িতে ফিরে সঠিকভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারি।’
{{/usCountry}}বিগ বস বাংলা থেকে বেরিয়ে এসে একটি ভিডিয়োতে ঝিলমকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘গলব্লাডারে স্টোন ধরা পড়ার পরেও আমি বিগ বসে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু কিছুদিন পর থেকেই প্রচণ্ড পেটে ব্যথা শুরু হয়। ব্যথা কমানোর জন্য পেইনকিলার খেতাম। বিগ বসের পক্ষ থেকেও আমার সুস্থতার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করা হয়েছিল। সেখানকার চিকিৎসক নিয়মিত আমার শারীরিক অবস্থার খোঁজ রাখতেন। কিন্তু ধীরে ধীরে আমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে, যা আমি নিজেও বুঝতে পারিনি। সেই কারণে আমার সিটি স্ক্যান ও ইউএসজি করানো হয়। এমনকী চারটি ইনজেকশন নেওয়ার পরেও ব্যথা কমেনি। শেষ পর্যন্ত সেখানকার চিকিৎসকদের পরামর্শেই আমাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়, যাতে বাড়িতে ফিরে সঠিকভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারি।’
{{/usCountry}}যদিও দুর্গাপুজোর আগে বাড়ি ফিরলেও, সঙ্গে সঙ্গে অপারেশন হয়নি। তবে সেই ফাঁকে নিজের লেখা দুর্গাপুজোর গান ‘এই ঘরেতে থাকতে এস মা’ রেকর্ডও করে ফেলেছেন।