রবিবার মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্স ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এক মেগা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যাতে কণ্ঠশিল্পী কৌশিকী চক্রবর্তী, সঙ্গীত পরিচালক শান্তনু মৈত্র, প্লেব্যাক গায়ক শান এবং ফোক ব্যান্ড দোহার-সহ বহু বিশিষ্ট শিল্পী অংশ নেন। চোখ ধাঁধানো সেই শো-তে পরিবেশনা করেন ১৫,০০০ ঢাকি। রাখা হয়েছিল ড্রোন শো-সহ আতসবাজির ধামাকেদার পরিবেশনা।

আর এই অনুষ্ঠান থেকে বেরনোর সময়ই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি জুন মালিয়া। যিনি তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে জেতেন। যদিও বর্তমানে তিনি ছেড়েছেন তৃণমূলের হাত। বর্তমানে ভারতের জাতীয়তাবাদী নাগরিক দল (NCPI)-এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের শোচনীয় হারের পর রাজনৈতিক দল পরিবর্তন করে ভারতের জাতীয়তাবাদী নাগরিক দলে যোগ দেন।
মহালয়ার অনুষ্ঠান থেকে বেরনোর পর সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আটক নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়। এর আগে শনিবারের অনুষ্ঠানের আতসবাজি, ড্রোন শো, নাচ-গানের পারফরমেন্সের প্রশংসা করেন। তবে সিজেপি আর মমতা নিয়ে প্রশ্নেই এড়িয়ে গেলেন।
সংবাদমাধ্যমের তরফে প্রশ্ন করা হয়, ‘দিল্লি উত্তপ্ত। সিজেপি-র প্রোটেস্ট নিয়ে কী বলবেন।’ এতে জুন মালিয়া বললেন, ‘আজকে মহালয়ার দিন এসব নিয়ে আর আলোচনা করব না। খুব ভালো মনে যাচ্ছি, বোরোচ্ছি।’ এরপর মমতার আটক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে জুন উত্তর দেন, ‘কিছু বলব না। আজ একটা ভালো দিন, একটা ভালো জিনিস থেকে বেরোচ্ছি।’
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-এর পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকায় ‘ভোট চুরি’র দাবি তুলে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) এবং বিরোধী 'ইন্ডিয়া' (INDIA) জোটের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে রাজধানী দিল্লি রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে দলীয় সাংসদদের নিয়ে মুখে ব্যান্ডেজ বেঁধে ধরনায় বসেছিলেন। সেখান থেকেই ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা (বেআইনি জমায়েত) লঙ্ঘনের অভিযোগে দিল্লি পুলিশ তাঁকে আটক করে। প্রায় ২ ঘণ্টা প্রিজন ভ্যানে আটক করে রাখার পর মুক্তি পান তিনি।
{{/usCountry}}ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-এর পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকায় ‘ভোট চুরি’র দাবি তুলে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) এবং বিরোধী 'ইন্ডিয়া' (INDIA) জোটের বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে রাজধানী দিল্লি রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউতে দলীয় সাংসদদের নিয়ে মুখে ব্যান্ডেজ বেঁধে ধরনায় বসেছিলেন। সেখান থেকেই ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা (বেআইনি জমায়েত) লঙ্ঘনের অভিযোগে দিল্লি পুলিশ তাঁকে আটক করে। প্রায় ২ ঘণ্টা প্রিজন ভ্যানে আটক করে রাখার পর মুক্তি পান তিনি।
{{/usCountry}}ককরোচ জনতা পার্টির মূল প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা মুম্বই থেকে বিমানে দিল্লি পৌঁছনো মাত্রই বিমানের ভেতরে প্রবেশ করে তাঁদের আটক করে দিল্লি পুলিশ। শুধু তাই নয়, তাঁদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে সেটাও স্পষ্ট নয় এখনো। রবিবারও বিক্ষোভ জারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে সিজেপি ও ইন্ডিয়া জোটের তরফ থেকে।