২০২৪ সালের ২ নভেম্বর কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর কোল আলো করে আসে তাঁদের একমাত্র কন্যা সন্তান। কৃষভি শব্দের অর্থ হল কালো (কৃষ্ণের গায়ের রং), দয়ালু, পবিত্র, শুভ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ। কাঞ্চন এবং শ্রীময়ী দু'জনেই কৃষ্ণ ভক্ত। তাই পরিকল্পনা মাফিকই মেয়ের নাম রেখেছিলেন তাঁরা। আর মে মাসেই আঠেরো পূর্ণ করল খুদে। ফলত দান করলেন মেয়ের চুল। আর নেড়ু মাথার কৃষভির ছবি ভাগ করে নিলেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী।

তিনটি ছবি শেয়ার করে নিলেন শ্রীময়ী। দেখা গেল নিজেকে ন্যাড়া মাথায় দেখে একটু যেন হতবাক এই খুদেও। তবে যাই হয়ে যাক না, সেই একগাল হাসি এবারেও কৃষভির মুখে। প্রায় প্রতিটা ছবিতে এভাবেই হাসিখুশি মুখে দেখা যায় কাঞ্চন-শ্রীময়ী কন্যাকে। ছবিগুলি শেয়ার করে শ্রীময়ী লেখেন, ‘দেখো আমি নেড়ু হয়েছি’।
আর কমেন্ট সেকশনে খুদেকে ভালোবাসায় ভরালেন নেটিজেনরা। ‘নেড়ু মাম্মা তোমার এই সুন্দর চুলটা কে নিয়ে নিল’, আসে একটি মন্তব্য। শ্রীময়ীর পোস্টে মন্তব্য করেছেন টলিউডের আরেক মাম্মা অনিন্দিতা রায় চৌধুরীও। অনেকগুলো চোখে জল আনা ইমোজিরছবি, আর রেড হার্ট ইমোজি দিয়েছেন।
কাজের বাইরে বেশিরভাগ সময়টাই মেয়েকে দেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রী বেশ কয়েকবার জানিয়েছেন, মেয়েকে নিয়ে একটু বেশিই পজেসিভ কাঞ্চন। পারলে মেয়েকে সবসময় রাখেন চোখের সামনে।
কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজ দীর্ঘদিন সম্পর্কের গুঞ্জনের পর ২০২৪ সালে বিয়ে করেন। কাঞ্চনের আগের বিবাহবিচ্ছেদের পর তাঁদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসে এবং তা নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনাও হয়েছিল। যদিও দুজনেই সেই সময় তা অস্বীকার করেন। এমনকী, বিয়ের পরও কম কটাক্ষে পড়েননি তাঁরা। যদিও ট্রোলে পাত্তা দিতে নারাজ কর্তা-গিন্নি দুজনেই।
জানা গিয়েছে, সন্তান প্রসবের সময়ে হাসপাতালে চিকিৎসা বাবদ কাঞ্চন-শ্রীময়ীর খরচ হয়েছে ৬ লক্ষ টাকা, যা বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল। কাঞ্চন ছিলেন তখন উত্তরাপাড়র বিধায়ক। আর বিধায়করা সাধারণত নিজেদের কিংবা স্ত্রী-সন্তানের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের বিল বিধানসভায় জমা দেওয়ার সুযোগ পান। আর এক্ষেত্রে মেডিক্যাল বিলের ক্ষেত্রে কোনও ঊর্ধ্বসীমা থাকে না। তবে কাঞ্চন-শ্রীময়ীর ক্ষেত্রে এই টাকার অঙ্ক নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। বেসরকারি হাসপাতালের খরচ ছিল ২ লক্ষ টাকা। আর চিকিৎসকের খরচ ৪ লক্ষ টাকা। যদিও কাঞ্চন গোটা ব্যাপারটা অস্বীকার করে জানান যে, তিনি কোনো বিলই জমা দেননি। আর কতটা বিল হয়েছে, সেটা একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই সেটা নিয়ে কথা বলতে চান না।
{{/usCountry}}জানা গিয়েছে, সন্তান প্রসবের সময়ে হাসপাতালে চিকিৎসা বাবদ কাঞ্চন-শ্রীময়ীর খরচ হয়েছে ৬ লক্ষ টাকা, যা বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল। কাঞ্চন ছিলেন তখন উত্তরাপাড়র বিধায়ক। আর বিধায়করা সাধারণত নিজেদের কিংবা স্ত্রী-সন্তানের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের বিল বিধানসভায় জমা দেওয়ার সুযোগ পান। আর এক্ষেত্রে মেডিক্যাল বিলের ক্ষেত্রে কোনও ঊর্ধ্বসীমা থাকে না। তবে কাঞ্চন-শ্রীময়ীর ক্ষেত্রে এই টাকার অঙ্ক নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। বেসরকারি হাসপাতালের খরচ ছিল ২ লক্ষ টাকা। আর চিকিৎসকের খরচ ৪ লক্ষ টাকা। যদিও কাঞ্চন গোটা ব্যাপারটা অস্বীকার করে জানান যে, তিনি কোনো বিলই জমা দেননি। আর কতটা বিল হয়েছে, সেটা একান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। তাই সেটা নিয়ে কথা বলতে চান না।
{{/usCountry}}