...
...
Next Story

Kanchan-Sreemoyee-Krishvi: মাতৃহারা কাঞ্চন ‘ফিরে পেলেন’ মাকে! ভাসলেন আবেগে, কৃষভি-শ্রীময়ীকে নিয়ে কী লিখলেন?

২০২০ সালে মাকে হারিয়েছেন কাঞ্চন। তার অনেক আগেই প্রয়াত হন বাবাও। এখন আপন বলতে বউ আর মেয়ে। মাতৃদিবসের পোস্টে কী লিখলেন অভিনেতা?

Published on: May 10, 2026, 19:23:56 IST
Advertisement

সাধারণ পরিবার থেকে অসাধারণ হয়ে ওঠার গল্প! অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিককে বর্ণনা করতে গেলে মনে হয়, এই একটা লাইনই যথেষ্ট। এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, বাবার মৃত্যুর পরের দিনই পৌঁছে গিয়েছিলেন সেটে। কারণ, দ্য শো মাস্ট গো অন! এখন মা-বাবা কেউই আর বেঁচে নেই। ব্যাক্তিগত জীবনেও থিতু হয়েছেন অনেকটা বয়স পার করে এসে। মাতৃ দিবসে তাই মা হারানোর যন্ত্রণা, আর শ্রীময়ী-কৃষভি কীভাবে তাঁর জীবনকে গুছিয়ে দিয়েছে, তা-ই আবেগ হয়ে ধরা পড়ল।

মাতৃদিবসে সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখলেন মা-হারা কাঞ্চন?
মাতৃদিবসে সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখলেন মা-হারা কাঞ্চন?

কাঞ্চন দুটি ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন। একটিতে তিনি আর কৃষভি। আরেকটি তাঁর ছোট্ট পরিবার। সঙ্গে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘মা শব্দের কোনো প্রতিশব্দ হয় না, কোনো বিকল্পও হয় না। আমার কাছে মা মানে অনেকটা বায়ুমণ্ডলের মতো। সবসময় আছেন। প্রতিটা মুহূর্তে আছেন। দেখা যায় না! অথচ আছেন! প্রতিটা নিঃশ্বাসে আছেন। আর এখন তো মা আমার সঙ্গেই আছেন।’ অর্থাৎ মেয়ে কৃষভিই এখন তাঁর মা।

কাঞ্চন তাঁর পোস্টে আরও লেখেন, ‘হ্যাপি মাদার্স ডে। আরও এক মা-মেয়ে , শ্রীময়ী মা ও মেয়ে কৃষভি। আমার মেয়ের পক্ষ থেকে জানাই শ্রীময়ী কে হ্য়াপি মাদার্স ডে।’

পোস্ট এসেছে শ্রীময়ীর তরফ থেকেও। অভিনেত্রী মেয়ের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘সেই নারীকে মাতৃ দিবসের শুভেচ্ছা, যে আমাকে ভালোবাসা, মমতা আর অদম্য সহনশীলতা শিখিয়েছে। হ্যাপি মাদার্স ডে।’

কাঞ্চন মল্লিকের মা ৪ জুলাই ২০২০ সালে পরলোকগমন করেন। তার অনেক আগেই পরলোকগমন করেছিলেন অভিনেতার বাবা। ২০২১ সালের মে মাসে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক হিসেবে জেতেন উত্তরপাড়া থেকে। এরপর একাধিক বিতর্কে জড়ান তিনি। দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সংসার ভাঙা, প্রথম পক্ষের সন্তান ওশের সঙ্গে দূরত্ব, মাঝের অনেকটা সময় একা-ই থাকতেন। তবে সেই সময়তে তাঁর পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়ায় বর্তমান স্ত্রী শ্রীময়ী।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে নির্বাচনের টিকিট পাননি। এরপর নির্বাচনের ফলপ্রকাশ ও তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় হারের পর কাঞ্চন জানিয়েছেন যে, আপাতত রাজনীতি থেকে দূরেই থাকতে চান। অভিনেতা হিসেবে তাঁর যোগ্যতা সবচেয়ে বেশি বলেই বিশ্বাস করেন তিনি।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe