বাংলার বিধানসভা ভোটের বহু আগে থেকেই খবর ছিল যে, তৃণমূল কংগ্রেস থেকে দ্বিতীয়বার আর প্রার্থী করা হবে না উত্তরপাড়ার বিদায়ী বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিককে। ব্যক্তিগত জীবনে যেভাবে বিগত পাঁচ বছরে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন, তাতে আর রিস্ক নিতে রাজি নন দল। আর সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়। স্বাভাবিকভাবেই কাঞ্চন এবার একটু হলেও সাইডলাইনে। সেভাবে প্রচারেও ভাগ নেননি। না ভোট নিয়ে কোনো পোস্ট এসেছে তাঁর থেকে। সকাল থেকে অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল, ভোট দেবেন তো?

উত্তর দিলেন কাঞ্চন পত্নী শ্রীময়ী চট্টোরাজ। বউ আর শাশুড়িকে নিয়ে ভোট কেন্দ্রে পৌঁছেছিলেন কাঞ্চন। একাধিক ছবি শেয়ার করেছেন শ্রীময়ী। সঙ্গে ক্যাপশন, ‘গণতন্ত্রের অধিকার প্রয়োগ করলাম’।
তবে কাঞ্চন কিন্তু ভোটের টিকিট না পেলেও, একবারও দলের বিরুদ্ধে নিজের বিরক্তি বা রাগ দেখাননি। এমনকী, শালীনতা বা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর সম্মান রেখেই জবাব দিয়েছেন সংবাদমাধ্যমে। জানিয়েছেন, ‘আমি আগেই আভাস পেয়েছিলাম। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে। এটি পুরোপুরি একটি দলীয় সিদ্ধান্ত। গত পাঁচ বছর বিধায়ক হিসেবে কাজ করেছি, সেটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি। বিধায়ক না থাকলেও দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দিদির (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব।’
উত্তরপাড়ার মানুষের দাবি, ইদের চাঁদ ছিলেন কাঞ্চন। হাতেগোনা কয়েকদিন এসেছেন। কোনো কাজই নাকি করেননি। এদিকে, এই এলাকায় লড়েছেন রাজনীতির দুই দিগ্গজ। সিপিএম থেকে প্রার্থী করা হয়েছিল মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। আর তৃণমূল থেকে শীর্ষান্ন বন্দ্যোপাধ্যায়, যার বাবা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই এলাকায় দীর্ঘদিনের সাংসদ।
{{/usCountry}}উত্তরপাড়ার মানুষের দাবি, ইদের চাঁদ ছিলেন কাঞ্চন। হাতেগোনা কয়েকদিন এসেছেন। কোনো কাজই নাকি করেননি। এদিকে, এই এলাকায় লড়েছেন রাজনীতির দুই দিগ্গজ। সিপিএম থেকে প্রার্থী করা হয়েছিল মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। আর তৃণমূল থেকে শীর্ষান্ন বন্দ্যোপাধ্যায়, যার বাবা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই এলাকায় দীর্ঘদিনের সাংসদ।
{{/usCountry}}এদিকে ভোটের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ তুলেছিলেন শ্রীময়ী চট্টোরাজ। শুটিং সেরে ফেরার পথে শ্রীময়ীর গাড়ি থামিয়ে নাকা চেকিং করা হয়। শ্রীময়ীর অভিযোগ, চেকিংয়ের সময় কোনো মহিলা পুলিশ বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর মহিলা সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর ব্যাগে থাকা স্যানিটারি প্যাড ও অন্তর্বাস বের করেও চালানো হয় তল্লাশি। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের সভা থেকে তিনি নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে অভিযোগ করেন, ‘নাকা চেকিংয়ের নামে মহিলাদের অসম্মান করা হচ্ছে।’