ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (JPSC) এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশন (JSSC)-এর নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে গত কয়েক দিন ধরে সরব হয়েছেন রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীরা। এই পরিস্থিতিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সমর্থনে পাশে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করলেন বলিউড অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut)। ঝাড়খণ্ডের এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে রাহুল গান্ধী কেন আন্দোলনকারীদের সাথে দেখা করতে যাচ্ছেন না, তা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন তিনি।

রাহুল গান্ধীকে নিয়ে কঙ্গনার তোপ
বৃহস্পতিবার সংবাদসংস্থা এএনআই (ANI)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে চরম দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে বলেন, ‘আমাদের Gen Z, আমাদের সন্তানরা আজ বছরের পর বছর ধরে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। কংগ্রেস পার্টি দিল্লিতে নাটক তৈরি করেছিল, এমনকি সংসদে হামলা চালানোর মতো চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আজ যখন ঝাড়খণ্ডের সন্তানদের ভবিষ্যৎ এমন সংকটে, তখন রাহুল গান্ধী তাদের কাছে যাচ্ছেন না কেন?’
এখানেই না থেমে রাহুল গান্ধীর উদ্দেশ্যে তিনি আরও যোগ করেন, দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে কিংবা মানুষদের উস্কানি দিতে রাহুল গান্ধী সবার আগে হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসেন। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের লড়াইয়ের প্রকৃত ময়দানে রাহুলের দেখা মিলছে না।
কী নিয়ে ঝাড়খণ্ডে শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ?
গত ২৯ জুলাই থেকে রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন হাজার হাজার পরীক্ষার্থী।
সিআইডি (CID) বনাম সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি: ঝাড়খণ্ডের জেএমএম (JMM) নেতৃত্বাধীন সরকার এই কেলেঙ্কারির তদন্তের দায়িত্ব রাজ্য সিআইডি-র হাতে তুলে দেওয়ায় আন্দোলনকারীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, এটি পুরো ঘটনাটিকে ‘ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা’।
{{/usCountry}}সিআইডি (CID) বনাম সিবিআই (CBI) তদন্তের দাবি: ঝাড়খণ্ডের জেএমএম (JMM) নেতৃত্বাধীন সরকার এই কেলেঙ্কারির তদন্তের দায়িত্ব রাজ্য সিআইডি-র হাতে তুলে দেওয়ায় আন্দোলনকারীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, এটি পুরো ঘটনাটিকে ‘ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা’।
{{/usCountry}}অর্থনৈতিক তছরুপের অভিযোগ: শিক্ষার্থীরা এই নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলে সরাসরি সিবিআই (CBI) এবং ইডি (ED) তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
মার্ক জাকারবার্গের ক্ষমাপ্রার্থনা প্রসঙ্গে কঙ্গনা
শিক্ষার্থী আন্দোলন ছাড়াও মেটা (Meta) সিইও মার্ক জাকারবার্গ-এর মোদী সংক্রান্ত ভিডিও মোছা এবং ক্ষমাপ্রার্থনা নিয়েও মুখ খোলেন কঙ্গনা। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একটি ভিডিও প্ল্যাটফর্ম থেকে অস্থায়ীভাবে মুছে ফেলার ভুল স্বীকার করে সরকার পক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন মেটা প্রধান।
এটি স্বাগত জানিয়ে কঙ্গনা বলেন— ভুল স্বীকার করায় তাঁরা ভীষণ আনন্দিত। জাতীয় সুরক্ষার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ডিজিটালাইজেশন বা সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন।