...
...
Next Story

Kangana Ranaut: ‘লিবারেলদের আর্শীবাদ’, সাই পল্লবীকে খোঁচা দিতেই ‘সীতা’র সাজে মেয়েবেলার ছবি দিলেন কঙ্গনা?

প্রায় দু-দশক আগে স্কুলে সীতা সেজেছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। সেই ছবি হঠাৎ কেন পোস্ট করলেন নায়িকা?

Published on: Jul 31, 2026, 21:00:54 IST
Advertisement

রণবীর কাপুরের 'রামায়ণ' ছবির ট্রেলার সামনে আসতেই সোশাল মিডিয়ায় তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে সাই পল্লবীর 'সীতা' অবতার নিয়ে। দক্ষিণী নায়িকার হিন্দি উচ্চারণ এবং রূপোলি পর্দায় সীতার বেশে উপস্থিতি নিয়ে যখন নেটপাড়া সরগরম, ঠিক তখনই জলঘোলা আরও বাড়িয়ে দিলেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত! নিজের ছোটবেলার একটি স্মৃতিঘন পুরনো ছবি পোস্ট করে 'লিবারেল'দের এক হাত নিলেন বলিপাড়ার এই বিতর্কিত অভিনেত্রী।

‘লিবারেলদের আর্শীবাদ’, সাই পল্লবীকে খোঁচা দিতেই ‘সীতা’র সাজে ছবি দিলেন কঙ্গনা?
‘লিবারেলদের আর্শীবাদ’, সাই পল্লবীকে খোঁচা দিতেই ‘সীতা’র সাজে ছবি দিলেন কঙ্গনা?

স্কুলে সেজেছিলেন সীতা, ছবি পোস্ট করে লিবারেলদের কটাক্ষ

ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের স্কুলজীবনের একটি দুর্লভ ছবি শেয়ার করেছেন কঙ্গনা। লাল শাড়িতে সীতার বেশে তাকে দেখা যাচ্ছে, পাশে রাম ও হনুমান সাজা ওঁর সহপাঠীরা।

ছবির ক্লোজ-আপ শট শেয়ার করে আশীর্বাদের ভঙ্গিতে হাত তুলে রাখা নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন তিনি। ক্যাপশনে লিবারেলদের দিকে তোপ দেগে কঙ্গনা লেখেন, ‘সব লিবারেলদের জন্য রইল আমার আশীর্বাদ’! সঙ্গে জুড়ে দেন একাধিক হাসির ইমোজি। সাই পল্লবীর সীতা-লুক ঘিরে যখন তুমুল বাদানুবাদ চলছে, তখন কঙ্গনার এই সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট আগুনে নতুন করে ঘি ঢেলেছে।

জেন জি আন্দোলন ও 'কাকরোচ' বিতর্ক, সিজেপির পাল্টা প্রহার

কঙ্গনার এই খোঁচা কিন্তু বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়! গত কয়েক দিন ধরেই আন্দোলনরত তরুণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে রয়েছেন এই বিজেপি সাংসদ। সম্প্রতি জেন জি (Gen Z)-দের প্রতিবাদী রিলগুলোকে অত্যন্ত কুরুচিকর ও বমি এনে দেওয়া বস্তু বলে তোপ দাগেন তিনি। এমনকি জেন জি-কে ‘নর্দমা’ বলেও তোপ দাগেন।

রূপোলি পর্দায় কঙ্গনা

রাজনৈতিক বিতর্ক আর সোশাল মিডিয়ার তোপ সামলানোর পাশাপাশি সম্প্রতি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে কঙ্গনার ছবি 'ভারত ভাগ্য বিধাতা'। মুম্বইয়ের ২৬/১১ জঙ্গি হানার সময় কামা ও অলব্লেস হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীরা যেভাবে নিজের জীবন বাজি রেখে ৪০০ জন রোগীর প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন, সেই বাস্তব সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে ছবিটি। তবে পর্দার অভিনয় ছাপিয়ে আপাতত কঙ্গনার সোশাল মিডিয়ার বিষাক্ত হুল ফুটানো পোস্টেই মশগুল নেটপাড়া!

Kangana via Instagram Stories.

কঙ্গনার সাম্প্রতিক মন্তব্যে ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে মন্তব্যের জন্য গত কয়েকদিন ধরেই শিরোনাম দখল করে চলেছেন কঙ্গনা। সোমবার কঙ্গনা জানিয়েছিলেন, ভারতের মূল্যবোধ ও পরিশীলিততার সঙ্গে এই বিক্ষোভের সম্পূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। তিনি বলেন, 'আমি জীবনে কখনো এক জায়গায় এত কুৎসিততা দেখিনি। জেন জেড প্রতিবাদের এই রিলগুলি বমি-প্ররোচিত, তারা যেভাবে কথা বলছে এবং তারা যে ধরণের ভাষা ব্যবহার করছে। আমি আমার জীবনে কখনও প্রতিটি ফ্রেমের সবকিছু একবারে এতটা ঝাঁকুনি এবং এত ক্র্যাস দেখিনি। তিনি আরও যোগ করেছেন, "কে তাদের জন্ম দিচ্ছে এবং লালন-পালন করছে? ভারত হল বৈচিত্র্যময় সুন্দর মানুষের জায়গা, কমনীয়তায় আবৃত এবং সাংস্কৃতিক পরিশীলিততায় শিকড়; আপনি নিজেকে তেলাপোকা বলে ডাকেন এবং তাদের মতো দেখান / আচরণ করেন; সেখানে কোনও প্যারাডক্স বা জুক্সটাপোজিশন নেই, কেবল বিশ্বকে আপনার নোংরা, আবর্জনা এবং কুৎসিততার অধীন করা। আমি এই রিলগুলি থেকে ক্ষতবিক্ষত হয়েছি, কিছু নিরাময়, ডিজিটাল ডিটক্স প্রয়োজন।

কঙ্গনার প্রধান বিচারপতি সৌরভ দাস তারপরে অভিনেতাকে তীব্র আক্রমণ করে এএনআইকে বলেন, "এমনকি তার নিজের দলের সদস্যরাও কঙ্গনা রানাওয়াতের প্রতি খুব বেশি মনোযোগ দেয় না বা তাকে গুরুত্ব দেয় না, তাহলে আমরা কেন করব? আমি মনে করি না যে জেন জেড, জেন আলফা বা কোনও তরুণ প্রজন্মের কেউ তাকে গুরুত্ব সহকারে নেয় বা তিনি যা বলেন তা শোনেন। তিনি এখন একজন রাজনীতিবিদ। তিনি যখন হিমাচল প্রদেশে তাঁর নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন, তখন তিনি মন্তব্য করেছিলেন যে তিনি আশা করেছিলেন যে এই কাজের জন্য খুব কম কাজের প্রয়োজন হবে, কেবল বুঝতে পেরেছিলেন যে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য প্রচুর পরিমাণে শ্রম জড়িত। এটি তার নিজের গুরুত্বের কথা বলে। জেনারেল জেড তার চেয়ে এই দেশের জন্য আরও বেশি করেছেন। কর্মক্ষেত্রে, কঙ্গনাকে শেষবার দেখা গিয়েছিল 'ভারত ভাজ্ঞা বিধাতা' ছবিতে। চলচ্চিত্রটি সত্য ঘটনার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল এবং মুম্বাইয়ের কামা এবং অ্যালব্লেস হাসপাতালে 26/11 সন্ত্রাসী হামলার সময় 400 জন রোগীকে রক্ষা করা হাসপাতালের কর্মীদের গল্প বলে, জুনে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe