নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টি মাঠে নামার পর থেকেই, একের পর এক আলটপকা মন্তব্য করে চলেছেন কঙ্গনা রানাওয়াত। জেন জি-কে ‘নর্দমা প্রজন্ম’ বলেই ক্ষান্ত হননি। বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছেন সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাসের সঙ্গে। এমনকী, হৃতিক রোশনকে নিয়ে চলা পুরনো বিতর্কেও দিয়েছেন খোঁচা। আর এবার কঙ্গনা রানাওয়াতের নিশানায় সোনাক্ষি সিনহা! মুসলিম ছেলে জাহির ইকবালকে বিয়ে করা নিয়ে করলেন আক্রমণ। এখানেই শেষ নয়, চেহারা নিয়েও করেছেন কটুক্তি।
‘হাফপ্যান্ট পরা মোটা জিহাদি’-কে আক্রমণ কঙ্গনার

কঙ্গনা সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট পুনরায় শেয়ার করেছেন, যেখানে লেখা ছিল, ‘আমি কারও নাম বলব না, কিন্তু NEET বিক্ষোভের সময় এক মোটা জিহাদি লাফালাফি করে ভিডিয়ো বানাচ্ছিল। কিন্তু ঝাড়খণ্ডের বিক্ষোভের সময় সে চুপ করে আছে।’
কঙ্গনা এই পোস্টটি লাইক করার পর লিখেছেন, ‘আমার সম্পর্কেও এমন অনেক ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে। এটাও পুরোপুরি মিথ্যা। আমি কাউকে বিব্রত করতে চাই না, কিন্তু আমি লক্ষ্য করেছি যে আজকাল একজন অভিনেত্রী পকেটমারের মতো পোশাক পরেন এবং কথা বলেন। তিনি হাফপ্যান্ট পরেন, টুপি উল্টো করে পরেন এবং পকেটমারের মতো ভাষা ব্যবহার করেন, অথচ বিক্ষোভকারীদের এই নোংরা আচরণকে তিনি সজোরে সমর্থন করেন।’
‘তবে আমি সবসময় মনে করি যে আপনার পোশাক আপনার চিন্তাভাবনা এবং ব্যক্তিত্বের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। আমার প্রিয় সহ-অভিনেত্রী, যদি আপনার পুরুষ সঙ্গী আপনাকে পকেটমারের মতো অনুভব করায়, আমি দুঃখিত। আপনি তো আগে খুব ভালো পোশাক পরতেন এবং খুব নম্রভাবে কথা বলতেন। আপনার সমস্যাটা কী? আপনার মতামত আপনারই, কিন্তু নিজের স্টাইলের দিকে আরেকটু মনোযোগ দিন। আপনার যদি সাহায্যের প্রয়োজন হয়, আমি সবসময় আপনার পাশে আছি।’
‘ইসলামপন্থীদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর পর…’
আর এই পোস্টটি শেয়ার করার পর কঙ্গনা রানাওয়াত একটি ভিডিয়ো দেন। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, পোস্টটি শেয়ার করার পর কঙ্গনা একটি ভিডিও প্রকাশ করে বলেন যে, কিছু সহ-অভিনেত্রী ধর্ম ও রাজনীতির বিষয়ে সর্বদা নিরপেক্ষ থাকেন, কিন্তু ইসলামপন্থীদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর পর এবং তাদের বিয়ে করার পর তারা হঠাৎ করেই বামপন্থী বা চরমপন্থী হয়ে যান।
{{/usCountry}}আর এই পোস্টটি শেয়ার করার পর কঙ্গনা রানাওয়াত একটি ভিডিয়ো দেন। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, পোস্টটি শেয়ার করার পর কঙ্গনা একটি ভিডিও প্রকাশ করে বলেন যে, কিছু সহ-অভিনেত্রী ধর্ম ও রাজনীতির বিষয়ে সর্বদা নিরপেক্ষ থাকেন, কিন্তু ইসলামপন্থীদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর পর এবং তাদের বিয়ে করার পর তারা হঠাৎ করেই বামপন্থী বা চরমপন্থী হয়ে যান।
{{/usCountry}}সঙ্গে কঙ্গনা প্রশ্ন তোলেন, ‘এতে কোনো আপত্তি নেই। সংবিধান এর অনুমতি দেয়, কিন্তু সমস্যা হল আমি একজন মধ্যপন্থী হিন্দু ছিলাম। তাহলে এখন সংঘী হওয়ার জন্য আমাকে কেন বিদ্রূপ করা হচ্ছে? আমি ধর্মান্তরিত হতে পারব না কেন?’ কঙ্গনা আরও বলেন, তিনি কয়েক বছর আগেও আধুনিক ছিলেন, কিন্তু এখন তিনি একজন কট্টর হিন্দু হয়ে যাচ্ছেন, এতে অন্যদের কী আপত্তি থাকতে পারে?
কঙ্গনার নিশানায় কী সোনাক্ষী?
প্রসঙ্গত, বলিউড থেকে যে গুটি কয়েক তারকা মুখ খুলেছেন তাঁর মধ্যে সোনাক্ষী সিনহা অন্যতম। তাঁর প্রতিবাদের ভাষা ছিল বেশ সোজাসাপটা। আর এই ভিডিয়োগুলোতে মূলত শর্টস আর ক্যাপই পরেছিলেন।
সোনাক্ষী সিনহা সেই অল্প কয়েকজন অভিনেত্রীর মধ্যে একজন, যিনি প্রকাশ্যে এই প্রতিবাদকে সমর্থন করেছিলেন এবং তার অকপট মতামত প্রকাশ করেছিলেন। এই প্রতিবাদ নিয়ে কথা বলার জন্য সোনাক্ষী ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছিলেন। তিনি এই প্রতিবাদ নিয়ে বেশ কয়েকটি ভিডিও তৈরি করেছিলেন, যার বেশিরভাগেই তাকে শর্টস এবং ক্যাপ পরা অবস্থায় দেখা যায়।