কিছু দিন আগে মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল। তবে এবার আর শেষরক্ষা হল না, সোমবার সকালে চলে গেলেন ধর্মেন্দ্র। তবে এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে ধর্মেন্দ্রর মৃ্ত্যুর খবর জানায়নি তাঁর পরিবার। তবে এশা দেওল ও হেমা মালিনীকে পবন হংসকে শ্মশানে দেখা গিয়েছে। তাছাড়াও তাঁকে নিয়ে স্যোশাল মিডিয়া জুড়েও নানা পোস্ট করেছেন করণ জোহর থেকে শর্মিলা ঠাকুর, ফারহান আখতারের মতো তারকারা।

করণ জোহর তাঁর ইনস্টাগ্রামে ধর্মেন্দ্রর একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘এটা একটা যুগের অবসান। একজন বড় মেগাস্টার। মূলধারার সিনেমার একজন নায়কের প্রতীক। অবিশ্বাস্য ভাবে সুদর্শন এবং অনন্য, রহস্যময় পর্দার উপস্থিতি। তিনি ভারতীয় সিনেমার একজন সত্যিকারের কিংবদন্তি এবং সর্বদা তিনি থেকে যাবেন। তিনি গভীর ভাবে বেঁচে থাকবেন, সিনেমার ইতিহাসের পাতাগুলিকে সংজ্ঞায়িত করবেন। কিন্তু সর্বোপরি, তিনি ছিলেন সেরা মানুষ। আমাদের ইন্ডাস্ট্রির সবাই তাকে খুব ভালোবাসে।’
করণ আরও লেখেন, ‘সকলের প্রতি ওঁর অফুরন্ত ভালোবাসা এবং ইতিবাচকতা ছিল। ওঁর আশীর্বাদ, আলিঙ্গন এবং উষ্ণতা শব্দের চেয়েও বেশি মিস করব। আজ আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হয়েছে। এমন একটা শূন্যতা যা কেউ কখনও পূরণ করতে পারবে না। ধরমজি একজনই ছিলেন, সর্বদা তাই থাকবেন। আমরা আপনাকে ভালোবাসি স্যার। আমরা আপনাকে খুব মিস করব। আজ স্বর্গ ধন্য হোক। আপনার সঙ্গে কাজ করা আমার জন্য সব সময়ের একটা আশীর্বাদ হয়ে থেকে যাবে।’
করণ ছাড়াও শর্মিলা চুপকে চুপকে তে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলেন, ‘যখন তিনি আউটডোর শ্যুটিংয়ে দেরি করে আসতেন, তখন ঋষি দা ওঁকে ছাড়াই শুরু করে দিতেন। এরপর থেকে ধর্মেন্দ্র আর কখনও ঋষি দা-এর সেটে দেরি করতেন না। তিনি চিন্তিত ছিলেন যে তাঁকে যদি বাদ দেওয়া হয়। ও একজন দুর্দান্ত মানুষ ছিলেন। আমি অনেক রোমান্টিক ছবি করেছি, আমি বারবার চুপকে চুপকে সিনেমা দেখি। সবাই ওঁকে বাবাজি বলে ডাকতেন। ও সকলের দেখাশোনা করতেন।’
{{/usCountry}}করণ ছাড়াও শর্মিলা চুপকে চুপকে তে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলেন, ‘যখন তিনি আউটডোর শ্যুটিংয়ে দেরি করে আসতেন, তখন ঋষি দা ওঁকে ছাড়াই শুরু করে দিতেন। এরপর থেকে ধর্মেন্দ্র আর কখনও ঋষি দা-এর সেটে দেরি করতেন না। তিনি চিন্তিত ছিলেন যে তাঁকে যদি বাদ দেওয়া হয়। ও একজন দুর্দান্ত মানুষ ছিলেন। আমি অনেক রোমান্টিক ছবি করেছি, আমি বারবার চুপকে চুপকে সিনেমা দেখি। সবাই ওঁকে বাবাজি বলে ডাকতেন। ও সকলের দেখাশোনা করতেন।’
{{/usCountry}}তাছাড়াও ফারহান আখতারও একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘সমগ্র চলচ্চিত্র জগতের জন্য এক বিরাট ক্ষতি। যাঁরা সিনেমা তৈরি করেন এবং যাঁরা দেখেন সকলের জন্য। ধরমজি চিরকাল অপূরণীয় থাকবেন। ছয় দশক ধরে বিনোদন দিয়ে যাওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা ভাগ্যবান যে আপনার উষ্ণতা, আপনার দয়া, আপনার উদারতা, আপনার আকর্ষণ, আপনার তীব্রতা এবং আপনার বুদ্ধিমত্তা, পর্দার ভেতরে এবং বাইরে অনুভব করতে পেরেছি। দেওল পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।’