সন্তানদের মানুষ করার ক্ষেত্রে তিনি যে সইফ আলি খানের চেয়ে অনেক বেশি কড়া মা, তা বহুবার স্বীকার করেছেন করিনা কাপুর খান। তবে এবার ছোট দুই ছেলে—তৈমুর এবং জেহের ডিজিটাল জীবনের এক্সপোজার আর স্ক্রিন টাইম নিয়ে নিজের মারাত্মক উদ্বেগের কথা খোলসা করলেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে করিনা জানান, বাচ্চাদের ফোন ও ল্যাপটপের ব্যবহারের মাত্রা ছাড়িয়ে গেলেই তিনি চরম ‘হাইপার’ হয়ে পড়েন।

‘ওদের নিজের ফোন নেই...’
তৈমুর ও জেহের প্রযুক্তি ব্যবহারের অভ্যাস নিয়ে কথা বলতে গিয়ে করিনা জানান, ‘ওদের কোনো নিজস্ব ফোন নেই। তৈমুরের ন্যানির যে ফোনটা আছে, সেটাকে ও নিজের ফোন বলে দাবি করতে চায়। ও আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল—ও কি বন্ধুদের বলতে পারে ওটা ওঁর ফোন? আমি সোজা মানা করে দিয়েছি! সত্যি বলতে, এই ডিজিটাল বিষয়গুলো নিয়ে আমি অতিরিক্ত প্যানিক করি। ও অবশ্য পাল্টা যুক্তি দেয়—‘তুমি আর আব্বাও তো ফোনে কথা বলো!’ সারাদিন যখন ওরা গেম খেলে, তখন আমাকে সত্যি সত্যিই ওদের হাত থেকে ফোন কেড়ে নিতে হয়।’
প্যানিক করা নিয়ে সাইফ-কারিনার ঝগড়া
সন্তানদের শৈশবকে প্রযুক্তির হাত থেকে আগলে রাখা নিয়ে কারিনা জানান, এই একটা বিষয় নিয়েই সাইফ ও তাঁর মধ্যে চরম তর্কাতর্কি হয়। সইফ মনে করেন করিনার এতটা হাইপার হওয়া উচিত নয়, কিন্তু কারিনা সাফ জানান—সন্তানদের সুরক্ষার খাতিরে তাঁর এই কড়া রূপ প্রয়োজন। করিনার কথায়, 'আমি চাই ওরা যত দিন সম্ভব ছোটই থাক... চিরকালের জন্য।'
এআই (AI) ও প্রযুক্তির বিপদ নিয়ে উদ্বেগ
{{/usCountry}}এআই (AI) ও প্রযুক্তির বিপদ নিয়ে উদ্বেগ
{{/usCountry}}বদলাতে থাকা সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে চাইলেও কারিনা চান না তাঁর সন্তানরা প্রযুক্তির ক্ষতিকর প্রভাবের মুখোমুখি হোক। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই’-এর প্রভাব নিয়ে চরম আতঙ্কিত তিনি। অভিনেত্রীর মতে, এআই-এর সঠিক ও ভালো ব্যবহারের পাশাপাশি এর বিপজ্জনক দিকগুলোর ওপর অবিলম্বে কড়া নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত।
উল্লেখ্য, কাজের সূত্রে করিনাকে আগামীতে দেখা যাবে মেঘনা গুলজারের পরিচালিত ছবি ‘দাইরা’ (Daayra)-তে। যেখানে পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের সঙ্গে একজন পুলিশ কর্মকর্তার ভূমিকায় অভিনয় করছেন তিনি। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি।