মঙ্গলবার, বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান 'চান্দু চ্যাম্পিয়ন' ছবিতে তাঁর অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত হন । এই পুরস্কার পাওয়ার একদিন পর, অভিনেতা ভগবান গণেশের আশীর্বাদ নিতে এবং এই বিশেষ মাইলফলকটি উদযাপন করতে মুম্বাইয়ের লালবাগচা রাজার কাছে যান।

বুধবার, কার্তিককে লালবাগচা রাজা প্যান্ডেলে দেখা যায়। এদিন অভিনেতা সঙ্গে করে তাঁর জাতীয় পুরস্কারটিও সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি প্রথমে ভগবান গণেশের সামনে মাথা নত করেন এবং বাপ্পার আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন, তারপর দেবতার চরণে তাঁর জাতীয় পুরস্কারটি অর্পণ করেন। কার্তিক তাঁর লালবাগচা রাজা সফরের একটি ছবিও শেয়ার করেছেন এবং লিখেছেন, ‘আমার সুখকর্তা, দুঃখকর্তা। ভাষায় প্রকাশ করার চেয়েও বেশি আশীর্বাদপ্রাপ্ত। ধন্যবাদ বাপ্পা!!’
‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’ ছবিতে ভারতের প্রথম প্যারালিম্পিক স্বর্ণপদক বিজয়ী মুরলিকান্ত পেটকরের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য কার্তিক শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তাঁর প্রথম জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন।
{{/usCountry}}‘চান্দু চ্যাম্পিয়ন’ ছবিতে ভারতের প্রথম প্যারালিম্পিক স্বর্ণপদক বিজয়ী মুরলিকান্ত পেটকরের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য কার্তিক শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তাঁর প্রথম জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন।
{{/usCountry}}কবির খান পরিচালিত এই জীবনীমূলক ক্রীড়া-নাটকটি ২০২৪ সালে মুক্তি পায় এবং এতে বিজয় রাজ, ভুবন অরোরা, যশপাল শর্মা ও রাজপাল যাদবও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটি বক্স অফিসে আশানুরূপ সাফল্য না পেলেও, কার্তিকের অভিনয় সমালোচকদের প্রশংসা লাভ করে।
পুরস্কার গ্রহণের জন্য মঞ্চে তাঁর নাম ডাকার মুহূর্তের একটি ভিডিও শেয়ার করে কার্তিক লেখেন, ‘গোয়ালিয়রের সেই মায়ের আদরের ছেলেটির কথা স্নেহের সাথে হাসিমুখে স্মরণ করছি, যে এমন এক পরিবেশ থেকে অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখার সাহস করেছিল, যেখানে মানুষ এই ধরনের স্বপ্ন নিয়ে উপহাস করে এবং এগিয়ে যায়। অবশেষে, আমি সেই মুহূর্তটির সাক্ষী হলাম এবং তা অনুভব করলাম... উত্তেজনা আর স্নায়ুচাপে এখনও স্তব্ধ।’
তিনি আরও লেখেন, 'এক মফস্বলের ছেলের স্বপ্ন...দেশের প্রত্যেক অভিনেতার স্বপ্ন...শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার ‘চান্দু নহি, চ্যাম্পিয়োঁ হ্যায় ম্যায়’ বড় পর্দায় ভারতের প্রথম প্যারালিম্পিক স্বর্ণপদক বিজয়ী- মুরলিকান্ত পেটকর স্যারের চরিত্রে অভিনয়ের দায়িত্ব আমার ওপর বিশ্বাস করে দেওয়ার জন্য আমি কবির স্যার এবং সাজিদ স্যারের কাছে চিরকৃতজ্ঞ ও ঋণী থাকব। এই যাত্রাটা ছিল অত্যন্ত কষ্টকর, কিন্তু ফলটা রসমালাইয়ের মতোই মিষ্টি! আমি একই সাথে বিনয়ী এবং আবেগাপ্লুত বোধ করছি।'