পুজোয় মুক্তি পেতে চলা যে ছবিগুলো নিয়ে দর্শকরা অধীরে অপেক্ষা করছেন তার মধ্যে অন্যতম হল ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’। প্রসঙ্গত, বহুরূপী দিয়ে দর্শক মনে নতুন করে জায়গা করে নিয়েছেন কৌশনি মুখোপাধ্যায়। তাঁর আর শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জুটি পেয়েছে জনপ্রিয়তা। তবে আজকাল ইন্ডাস্ট্রির ভিতরে কানাঘুষো শুরু হয়েছে কৌশানি ও বনির বিচ্ছেদের। নায়িকা নায়ি নতুন কাওকে মন দিয়েছেন, এমন খবরও কানে আসছে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে যা সরাসরি নাকচ করলেন কৌশানি। এমনকী, পাশে দাঁড়িয়ে ‘রিয়েল লাইফ ময়দামুখো’ বনিও জানালেন, সম্পর্কের গাড়ি চলছে তরতরিয়ে। বিচ্ছেদের খবর পুরোপুরিই ভুয়ো।

বনির সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্নে আম অর্পিতা চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কৌশানি বলেন, ‘দেখো জুটি হিসেবে তো সবাই এস্টাব্লিশড হয় না। এতদিনে একটা জুটি হিসেবে দর্শক গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে, সেটা তো বহুরূপীর জন্য খুব ভালো, ইতিবাচক একটা জিনিস।’ আর কৌশানির কথার সূত্র ধরেই বনি বলেন, ‘রিয়েল লাইফের ময়দামুখো আর রিল লাইফের ময়দামুখো আলাদাও হয়। সবসময় কী এক হয় নাকি! রিয়েল লাইফের ময়দামুখোই নিয়ে যাবে দিনের শেষে। শ্যুট শেষ করে তো আমার কাছেই ফিরতে হবে।’
এই ধরনের রটনা ব্যক্তিগত জীবনে কতটা প্রভাব ফেলে জানতে চাওয়া হলে কৌশানি বলেন, ‘বাবা তো (মজা করে) প্রশ্ন করে, কী রে কবে হল এটা! আমায় জানালি না তো! আসলে যা কথা হওয়ার তা আমার আর বনির মধ্যেই হয়। আর সবকিছুই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। আর দেখো, নিজেদের মধ্যে সমস্যা হতেই পারে, সব সম্পর্কে সমস্যা হয়। আর সেটার মানে এই নয় যে ব্রেকআপটা একটা শেষ সিলমোহর যেটা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার মনে হয় না এটার কোনো প্রয়োজন আছে। এখন আমরা এক্সাইটেড বহুরূপী একসঙ্গে দেখার জন্য, আর পুজোটা একসঙ্গে কাটানোর জন্য।’
প্রেম নিয়ে কোনোদিনই লুকোছাপা করেননি বনি ও কৌশানি। এমনকী, এত দীর্ঘসময় ধরে তাঁরা একসঙ্গে রয়েছেন যে, দুজনের নামও প্রায় একইসঙ্গে উচ্চারিত হয়। বনি-কৌশানির প্রেমের শুরুটা ২০১৫ সালে, পারবো না আমি ছাড়তে তোকে-র হাত ধরে। এরপর একাধিক সময়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই একাধিক ওঠাপড়ার মুখোমুখি হয়েছে তাঁদের সম্পর্ক। তবে কেউ কারও হাতটা ছাড়েননি। এমনকী, দুই পরিবারও বহু আগেই মত দিয়েছেন বিয়েতে। মাতৃহারা কৌশানিকে মায়ের আদরে ভরিয়ে রাখেন বনির মা পিয়া সেনগুপ্ত। অন্যদিকে, কৌশানির বাবাও মাঝেমাঝেই মেয়েকে বিয়ের কথা বলেন। তবে দুই পরিবারেই বিয়ের জন্য কোনো চাপ নেই। তাঁরা চায়, কেরিয়ারের ভিত আরও মজবুত করেই দুজনে পা রাখুক নতুন জীবনে।
{{/usCountry}}প্রেম নিয়ে কোনোদিনই লুকোছাপা করেননি বনি ও কৌশানি। এমনকী, এত দীর্ঘসময় ধরে তাঁরা একসঙ্গে রয়েছেন যে, দুজনের নামও প্রায় একইসঙ্গে উচ্চারিত হয়। বনি-কৌশানির প্রেমের শুরুটা ২০১৫ সালে, পারবো না আমি ছাড়তে তোকে-র হাত ধরে। এরপর একাধিক সময়ে খুব স্বাভাবিকভাবেই একাধিক ওঠাপড়ার মুখোমুখি হয়েছে তাঁদের সম্পর্ক। তবে কেউ কারও হাতটা ছাড়েননি। এমনকী, দুই পরিবারও বহু আগেই মত দিয়েছেন বিয়েতে। মাতৃহারা কৌশানিকে মায়ের আদরে ভরিয়ে রাখেন বনির মা পিয়া সেনগুপ্ত। অন্যদিকে, কৌশানির বাবাও মাঝেমাঝেই মেয়েকে বিয়ের কথা বলেন। তবে দুই পরিবারেই বিয়ের জন্য কোনো চাপ নেই। তাঁরা চায়, কেরিয়ারের ভিত আরও মজবুত করেই দুজনে পা রাখুক নতুন জীবনে।
{{/usCountry}}