সিনেমা, টেলিভিশন, নাট্য জগতে সুস্পষ্ট ছাপ ফেলেছেন অভিনেতা কৌশিক সেন। তিনি বিখ্যাত অভিনেত্রী চিত্রা সেন এবং অভিনেতা শ্যামল সেনের পুত্র। তাঁর স্ত্রী রেশমি সেন একজন পরিচিত থিয়েটার ব্যক্তিত্ব। ছেলে ঋদ্ধিও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন খ্যাতনামা অভিনেতা। হামেশাই নিজের মনের কথা সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরার কারণে ট্রোলের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। যদিও কটাক্ষের ভয়ে রাখঢাক করে কথা বলার পক্ষপাতি নন কোনোদিনই। একসময় সিঙ্গুর ইস্যুতে বাম সরকারের প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন। পা মিলিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করতেও একাধিকবার দেখা গিয়েছে তাঁকে। এমনকী, ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে টলিপাড়ার কিছু তারকার সঙ্গে ‘নিজেদের মতো নিজেদের গান’ বেঁধেছিলেন। সিএএ (CAA), এনআরসি (NRC)-এর মতো ইস্যুতে খুলেছিলেন মুখ।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বাংলায় আসা নতুন সরকারে বিরোধিতা করেন করে মুখ খোলেন কৌশিক। আর তা সামনে আসতেই ‘ভণ্ড’, ‘দলবদলু’, ‘ধান্দাবাজ’-এর মতো কটাক্ষে ভরে উঠেছে কমেন্ট বক্স।
‘আড্ডা জিবি’ পডকাস্টে কৌশিক সেনকে বলতে শোনা যায়, ‘বিজেপি যে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় অশুভ শক্তি, এটা এই মুহূর্তে পশ্চিমবঙ্গে, সারা ভারতবর্ষে প্রমাণিত। অভয়ার বিচারের ক্ষেত্রে আমরা ভেবেছিলাম কাল বিজেপি আসবে, পরশু অভয়া বিচার পেয়ে যাবে। হচ্ছে না।’
‘শমীক ভট্টাচার্য, একটা সময় থিয়েটারে ওঁকে দেখেছি উনি মুখস্থ বলতে পারেন কবিতা, উনি যতই বলছেন যে, 'না এরকম করে না, ছিঃ', সেই 'ছিঃ'-টা কেউ শুনছে না। রোজ তোলাবাজি হচ্ছে, রোজ আক্রমণ হচ্ছে। আমার দৃশ্যদূষণ হবে বলে আমরা কতগুলো নোংরা ছেড়া জামাকাপড় পরা মানুষ, কতগুলো ছোট ছোট চায়ের দোকান, স্টেশনারি শপ, এগুলো আমরা চোখের সামনে দেখতে পারছি না বলে উচ্ছেদ করে দিলাম। এরকম কোনো আভাস কি দিয়েছিলেন তাঁরা ভোটের আগে?’, এই পডকাস্টে আরও বলতে শোনা যায় কৌশিক সেনকে।
আর এই ভিডিয়োর কেন্ট সেকশনে একজন মন্তব্য করেন, ‘ধান্ধাবাজটা আবার খোলস থেকে বেরিয়েছে।’ আরেকজন ট্রোল করে লেখেন, ‘পুরোপুরি বামমনস্ক একটা মানুষ, তাকে আনলে বা তার মুখ দিয়ে বলতে গেলে সে তো বিষ ই বলবে। নিজেকে ভালো প্রমাণ করতে চায়, থিয়েটার করে, তার মানেই সমাজের সবচেয়ে ভালো মানুষ এটাই বোঝাতে চায়, বা বুদ্ধিজীবি বোঝাতে চায়। এসব না দেখাই ভালো, কারণ উত্তর কি হতে পারে সেটা জানা। সবটাই নাটক, এটা এরা সারা জীবন ধরেই করে আসছে, সেটা মঞ্চ হোক বা সমাজে বা জীবনে।’
{{/usCountry}}আর এই ভিডিয়োর কেন্ট সেকশনে একজন মন্তব্য করেন, ‘ধান্ধাবাজটা আবার খোলস থেকে বেরিয়েছে।’ আরেকজন ট্রোল করে লেখেন, ‘পুরোপুরি বামমনস্ক একটা মানুষ, তাকে আনলে বা তার মুখ দিয়ে বলতে গেলে সে তো বিষ ই বলবে। নিজেকে ভালো প্রমাণ করতে চায়, থিয়েটার করে, তার মানেই সমাজের সবচেয়ে ভালো মানুষ এটাই বোঝাতে চায়, বা বুদ্ধিজীবি বোঝাতে চায়। এসব না দেখাই ভালো, কারণ উত্তর কি হতে পারে সেটা জানা। সবটাই নাটক, এটা এরা সারা জীবন ধরেই করে আসছে, সেটা মঞ্চ হোক বা সমাজে বা জীবনে।’
{{/usCountry}}আরেকজন কৌশিকের কথার সাথে সমর্থনপ্রকাশ করে মন্তব্য করেন, ‘ঠিক কথা, যেখানে নিজেদের কার্যসিদ্ধি হবে, সেখানে কিন্তু চোখ বুঁজে দুর্নীতি যারা করেছে তাদের নিয়ে চলছে, কিন্তু বাকিদের যারা সাধারণ মানুষ, যাদের বাহুবল বা অর্থবল নেই, সেখানে আইন প্রযোজ্য হচ্ছে।’
আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘বিজেপিকে 'সবচেয়ে বড় অশুভ শক্তি' হিসেবে অভিহিত করাটা আমাদের গণতন্ত্রেরই অপমান। কারচুপির মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় আসেনি; বাংলার মানুষই ভোট দিয়ে দলটিকে ক্ষমতায় বসিয়েছে।’