বিবাহবার্ষিকীর দিন আদুরে পোস্ট এল শাস্ত্রীয় সঙ্গীত গায়িকা কৌশিকি চক্রবর্তীর থেকে। ভালোবেসে ছোটবেলার বন্ধুকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। আর দেখতে দেখতে পেরিয়ে গিয়েছে বিয়ের ২২ বছর। এক ফাঁকা অডিটোরিয়ামে তোলা দুটি ছবি শেয়ার করলেন কৌশিকি আর পার্থসারথি। একটি ছবিতে তাঁরা পাশাপাশি বসে আছেন, আরেকটি ছবিতে ভালোবেসে বরের দিকে তাকিয়ে আছেন গায়িকা।

আর বিবাহবার্ষিকীর পোস্টে কৌশিকি লিখলেন, ‘আজীবনের এই সঙ্গকে শব্দে বেঁধে একটি ইনস্টাগ্রাম ক্যাপশন লেখা সত্যিই অসম্ভব। ছোটবেলায় একসঙ্গে খেলনা আর ট্রাইসাইকেল ভাগ করে নেওয়া থেকে শুরু করে, আজ ১৭ বছরের এক দুষ্টু সন্তানের বাবা-মা হয়ে, একটাই রিডিং গ্লাস নিয়ে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা। জীবনের প্রতিটা রং একসঙ্গে উপভোগ করার এই যাত্রা সত্যিই অসাধারণ। আমার জীবনের সেরা সঙ্গী। ২২তম বিবাহবার্ষিকীর অনেক শুভেচ্ছা আমার পার্টনার ইন ক্রাইমকে। চলো, এবার একসঙ্গে গোটা পৃথিবীটা ঘুরে দেখি।’
দেখুন কৌশিকির সেই পোস্ট-
ছোটবেলার প্রেম তারপর বিয়ে। কৌশিকি তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে একবার বলেছিলেন, ‘আমার তখন দুই বা তিন বছর, আর ওর আট। তখন থেকে দেখছি দুজন দু’জনকে, ঠিক কবে প্রেম হয়েছে মনেও পড়ে না।’ অর্থাৎ কর্তা আর গিন্নির বয়সের ফারাক পাঁচ বছরের। মাঝে ২০১০ সাল নাগাদ খবর রটেছিল ডিভোর্সের। যদিও সেই গুঞ্জনকে হাওয়ায় উড়িয়ে দেন গায়িকা। একাধিক সাক্ষাৎকারে স্বামীকে নিয়ে কথা বলার সময় দরাজ গলায় প্রশংসা করেছেন। জানা যায়, বউয়ের স্বপ্ন উড়ান যাতে আরও উচ্চতা পায় তাই নিজের কেরিয়ারকে বলিদান দিতেও পিছ পা হননি পার্থসারথি। এমনকী, গান নিয়ে কৌশিকি ব্যাস্ত থাকলে, একমাত্র ছেলেকেও সামলেছেন।
{{/usCountry}}ছোটবেলার প্রেম তারপর বিয়ে। কৌশিকি তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে একবার বলেছিলেন, ‘আমার তখন দুই বা তিন বছর, আর ওর আট। তখন থেকে দেখছি দুজন দু’জনকে, ঠিক কবে প্রেম হয়েছে মনেও পড়ে না।’ অর্থাৎ কর্তা আর গিন্নির বয়সের ফারাক পাঁচ বছরের। মাঝে ২০১০ সাল নাগাদ খবর রটেছিল ডিভোর্সের। যদিও সেই গুঞ্জনকে হাওয়ায় উড়িয়ে দেন গায়িকা। একাধিক সাক্ষাৎকারে স্বামীকে নিয়ে কথা বলার সময় দরাজ গলায় প্রশংসা করেছেন। জানা যায়, বউয়ের স্বপ্ন উড়ান যাতে আরও উচ্চতা পায় তাই নিজের কেরিয়ারকে বলিদান দিতেও পিছ পা হননি পার্থসারথি। এমনকী, গান নিয়ে কৌশিকি ব্যাস্ত থাকলে, একমাত্র ছেলেকেও সামলেছেন।
{{/usCountry}}এর আগে স্বামীকে নিয়ে একবার কৌশিকি সোশ্য়াল মিডিয়ায় লিখেছিলেন, ‘কিছু মানুষ আছেন, যাঁদের উপস্থিতিই নিঃশব্দে সবকিছুকে একসঙ্গে ধরে রাখে। কোনও প্রচার ছাড়াই, কোনও স্বীকৃতির প্রত্যাশা ছাড়াই, তাঁরা প্রতিটি মুহূর্তে পাশে থাকেন। আমার জীবনে পার্থ ঠিক তেমনই একজন। স্থির, ধৈর্যশীল, আর আমি কিছু বলার আগেই আমার কী প্রয়োজন, তা বুঝে নেওয়ার এক অসাধারণ ক্ষমতা ওর আছে।’ গান শেখান পার্থসারথি দেশিকান। ভালোবাসায় একে-অপরকে আগলে কাটিয়ে ফেলেছেন ২১টা বসন্ত।
কৌশিকিকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়ে শান্তনু মৈত্র মন্তব্য করলেন, ‘বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা। দারুণ সব খাবার দিয়ে দারুণ কাটুক দিনটা।’