বাংলা ধারাবাহিকে মাঝেসাঝে এমন কিছু দৃশ্য দেখানো হয়, যা রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। এবার যেন কমলা নিবাসের একটি দৃশ্য দেখে রীতিমতো গা ঘিনঘিন করছে নেটপাড়ার। যেখানে দেখানো হয়েছে যে ফুলশয্যায় ঘনিষ্ঠ ঝিনুক ও সম্রাট। আর সেইসময়ই কাছাকাছি আরশোলা দেখে ভয়ে সিঁটিয়ে ওঠে ঝিনুক।

এদিকে ভালোবাসার মানুষকে ভয় পাওয়ানোতে সেই আরশোলার উপরই ক্ষেপে লাল সম্রাট। সঙ্গে সঙ্গে সেই আরশোলাটিকে ধরে, দুধে ভিজিয়ে পুড়ে দেয় মুখে। চিবিয়ে খেয়ে ফেলে। আসলে স্ত্রীর প্রতি সম্রাটের ভালোবাসা ও আসক্তি এতটাই প্রবল যে, তাঁকে ঘিরে কোনও কিছুই সহজভাবে মেনে নিতে পারে না। সেই মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ দেখা যাবে ওই দৃশ্যে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘কমলা নিবাস’-এর এই দৃশ্যটি ভাইরাল হতেই শুরু হল ট্রোল। এক নেটিজেন লিখলেন, ‘বেঁচে থাকতে আর কত কিছু যে দেখতে হবে’। আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘অতিরিক্ত ভালোবাসাটাও স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক’। আরেকজন আবার লিখলেন, ‘মালটা যে চাইনিজ তা আগেই সন্দেহ করেছিলাম। এখন কনফার্ম হলাম’। আরেকজন লিখলেন, ‘এটা আবার কেমন সিরিয়াল সাইকো মার্কা’!
নেটপাড়ার এই ট্রোল নজরে এড়ায়নি কমলা নিবাস ধারাবাহিকে সম্রাটের চরিত্রে কাজ করা ধ্রবজ্যোতি সরকারের। এক বাংলা সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, পর্দায় দেখানো সেই দৃশ্যটি অনেকের কাছেই অস্বস্তিকর বা গা ঘিনঘিনে মনে হতে পারে। তবে চিত্রনাট্যের প্রয়োজন অনুযায়ী দৃশ্যটির শুটিং করা হয়েছিল। শুটিংয়ের সময় বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত ভাবনা-চিন্তা করেননি ধ্রুব। তাঁর মতে, বেশি ভাবলে দৃশ্যটি স্বাভাবিকভাবে ফুটিয়ে তোলা কঠিন হয়ে যেত। পরিচালক যেমন নির্দেশ দিয়েছিলেন, সেই অনুযায়ীই অভিনয় করেন।
ধ্রুবজ্যোতি আরও জানান যে, দর্শকদের সামনে যে বর্তমানে যে প্রোমোতে এসেছে, মূল দৃশ্যটি তার চেয়েও কিছুটা দীর্ঘ। শুটিংয়ের ক্ষেত্রে কোনও বাস্তব উপাদান ব্যবহার করা হয়নি। পুরো বিষয়টি গ্রাফিক্স এবং ভিএফএক্সের সাহায্যে তৈরি করা হয়েছিল, ফলে কাজ করতে বিশেষ অসুবিধা হয়নি।
{{/usCountry}}ধ্রুবজ্যোতি আরও জানান যে, দর্শকদের সামনে যে বর্তমানে যে প্রোমোতে এসেছে, মূল দৃশ্যটি তার চেয়েও কিছুটা দীর্ঘ। শুটিংয়ের ক্ষেত্রে কোনও বাস্তব উপাদান ব্যবহার করা হয়নি। পুরো বিষয়টি গ্রাফিক্স এবং ভিএফএক্সের সাহায্যে তৈরি করা হয়েছিল, ফলে কাজ করতে বিশেষ অসুবিধা হয়নি।
{{/usCountry}}সঙ্গে অভিনেতা আরও জানান যে, তাঁর নিজের ‘সম্রাট’ চরিত্রটিকে বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে। কারণ এই ধরনের দৃশ্য বা পরিস্থিতি সাধারণত বাংলা ধারাবাহিক বা ছবিতে খুব একটা দেখা যায় না। সেই কারণেই চরিত্রটির মনস্তত্ত্ব বোঝার আগ্রহও বেড়েছে তাঁর। সঙ্গে দর্শকদের উদ্দেশে তাঁর আবেদন, শুধু প্রোমো দেখলে নয়, সম্পূর্ণ দৃশ্যটি দেখলেই চরিত্রটির আচরণের আসল তাৎপর্য দর্শকদের কাছে আরও স্পষ্ট হবে।