...
...
Next Story

Papiya sen-Somraj Maity: স্বামীকে হারিয়ে শোকে কাতর 'কনে দেখা আলোর ঠাম্মি' পপিয়া সেন, পাশে ‘অনুভব’ সোমরাজ

পর্দায় পাপিয়া সেনের নাতির চরিত্রে অভিনয় করেন সোমরাজ। পর্দার বাইরেও এই সম্পর্কের বন্ধন মজবুত। স্বামীহারা শোকসন্তপ্ত অভিনেত্রীর পাশে দাঁড়ালেন ‘অনুভব’।

Published on: Aug 17, 2026, 09:00:47 IST
Advertisement

ছোটপর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'কনে দেখা আলো'-র দর্শকদের জন্য এক অত্যন্ত বিষাদময় খবর। পর্দায় যাঁকে দর্শকেরা 'ঠাম্মি' চরিত্রে ভালোবেসে আগলে রেখেছেন, সেই গুণী অভিনেত্রী পাপিয়া সেনের বাস্তব জীবনে নেমে এসেছে গভীর শোক। আজ প্রয়াত হয়েছেন তাঁর স্বামী, তিনবারের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রখ্যাত চিত্রপরিচালক রাজা সেন।

স্বামীকে হারিয়ে শোকে কাতর 'কনে দেখা আলোর ঠাম্মি' পপিয়া সেন, পাশে ‘অনুভব’ সোমরাজ
স্বামীকে হারিয়ে শোকে কাতর 'কনে দেখা আলোর ঠাম্মি' পপিয়া সেন, পাশে ‘অনুভব’ সোমরাজ

কঠিন এই সময়ে পর্দার পরিবারের প্রিয় ঠাম্মির পাশে দাঁড়াতে তাঁর ,কাছে ছুটে গিয়েছেন ধারাবাহিকের অভিনেতা সোমরাজসহ টলিপাড়ার একাধিক কলাকুশলী ও শিল্পীরা।

কীভাবে মৃত্যু রাজা সেনের?

রবিবার মৃত্যু হয় রাজা সেনের। পরিচালক অসুস্থতা নিয়ে ভর্তি ছিলেন এসএসকেএম হাসপাতালে, সেখানেই মাত্র ৭০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগে কোমরে চোট নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, শিরদাঁড়ার সফল অস্ত্রোপচার হয়েছিল। পরে তাঁর শারীরিক অবস্থা বিগড়ে যায়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরিচালকের ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়। হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন। গত সোমবার পরিচালককে এস‌এসকেএমে স্থানান্তরিত করানো হয়। সেখানে প্রায় ৬ দিন ধরে জীবন যুদ্ধ চালান। তাঁর ফুসফুস বিকল হয়ে পড়েছিল, শরীরে বাসা বেঁধেছিল নিউমোনিয়া। ভেন্টিলেশনে ছিলেন পরিচালক।

‘আমার সৌভাগ্য হয়নি ওঁনাকে চেনার…’

নন্দনে পরিচালককে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শায়িত রাখা হয়েছিল মরদেহ। সেখানেই হাজির হয়েছিলেন সোমরাজ মাইতি। তাঁকে পাপিয়া সেনকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিতে দেখা যায়। সোমরাজকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন পাপিয়া। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সোমরাজ বলেন, ‘বড় ক্ষতি তো বটেই। তিনবারের জাতীয় পুরস্কার জয়ী পরিচালক। তবে আমার সৌভাগ্য হয়নি ওঁনাকে চেনার। আমি ওঁর স্ত্রীর সঙ্গে কাজ করি। সেই সুবাদেই এখানে আসা’।

শোকস্তব্ধ পাপিয়া সেন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘উনি শেষ সময় পর্যন্ত কাজ করেছেন। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে একটা তথ্যচিত্র বানাচ্ছিলেন, এক দিনের শ্যুটিং বাকি আছে। আরও ১০ বছর বাঁচলে হয়ত আরও কাজ করতেন, তবে হি লিভড হিজ লাইফ। আমি স্বামীকে হারালাম, তার থেকেও বড় বন্ধুকে হারালাম।’

কেন আগামী কয়েক দিন ধারাবাহিকে থাকবেন না ঠাম্মী?

ব্যক্তিগত এই চরম অপূরণীয় ক্ষতির কারণে আগামী কিছুদিন হয়ত ‘কনে দেখা আলো’ ধারাবাহিকে দেখা যাবে না পাপিয়া সেনকে। এই মুহূর্তে অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত শোক কাটিয়ে ওঠা ও পরিবারের পাশে থাকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই কিছুদিনের জন্য ধারাবাহিক থেকে বিরতি নিচ্ছেন তিনি।

পাশে টলিপাড়া ও অনুরাগী মহল

রাজা সেনের প্রয়াণে শোকাচ্ছন্ন পাপিয়া সেনকে সান্ত্বনা দিতে এবং এই কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থাকতে সোমরাজ সহ পুরো টিম ও ইন্ডাস্ট্রির সদস্যরা নিজেদের সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। ভক্ত ও দর্শকরাও সামাজিক মাধ্যমে এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর প্রতি তাঁদের গভীর ভালোবাসা ও সমবেদনা জানাচ্ছন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe