কথায় বলে, দূরত্ব নাকি প্রেম আরও বাড়িয়ে দেয়! জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’-র ক্ষেত্রেও বোধহয় এই আপ্তবাক্যটি অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছে। পর্দার চরিত্রদের জীবনের নানা চড়াই-উতরাই, মান-অভিমান আর দর্শকদের মন ভাঙা-গড়ার খেলা পেরিয়ে অবশেষে এক মস্ত মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলল এই মেগা। দেখতে দেখতে টেলিভিশনের পর্দায় সফলভাবে ২০০ পর্ব পার করে ফেলল লাজু ও অনুভবের গল্প। আর এই বিশেষ দিনটি উদ্যাপনে স্টুডিওর সেটে চলল দেদার হুল্লোড়।

ভক্তদের ধন্যবাদ জানালেন ‘অনুবন্তি’ জুটি
পর্দায় লাজু আর অনুভবের (সায়রাজ) রসায়ন বরাবরই দর্শকদের চোখের মণি। ধারাবাহিকের গল্পে এমন অনেক মোড় এসেছে, যা মাঝেমধ্যে অনুগামীদের মন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিল। কিন্তু সব প্রতিকূলতা পেরিয়েও ভক্তরা তাঁদের হাত ছাড়েননি। এই বিশেষ দিনে নিজেদের প্রিয় ফ্যানদের অর্থাৎ ‘অনুবন্তি’ তথা ‘সায়রাজ’ অনুগামীদের প্রতি মনভরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সাইনা। সব রকম কঠিন পরিস্থিতিতেও যেভাবে অনুরাগীরা তাঁদের পাশে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, তার জন্যই এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন।
সেটে চলল কেক কাটা ও মিষ্টি খুনসুটি
২০০ পর্ব পূর্তির এই আনন্দঘন মুহূর্তে ক্যামেরার সামনে মনের ঝাঁপি খুলে দিলেন লাজু ও সাইনা। তবে শুধু আবেগের আদানপ্রদানই নয়, মেগার সেটের অন্দরে চলল দেদার দুষ্টুমি আর মিষ্টি খুনসুটি। উদ্যাপনের জন্য আনা হয়েছিল একটি বড় চকোলেট কেক। আর সেই কেক কাটার মাঝেই ঘটে গেল এক মজার কাণ্ড!
কেক কাটা হতেই লাজুর মুখে কেকের এক মস্ত বড় টুকরো প্রায় জোর করেই ঠুসে দিলেন অভিনেতা সোমরাজ। পর্দার নায়কের এমন আকস্মিক কাণ্ড দেখে হেসে খুন সেটের বাকি সদস্যরা। অনস্ক্রিনের পাশাপাশি অফস্ক্রিনেও এই জুটির এমন মিষ্টি রসায়ন ও চেনা খুনসুটি নিমেষের মধ্যে মন কেড়েছে নেটপাড়ার ভক্তদের।
পর্দায় তাঁদের নিষিদ্ধ সম্পর্ক নিয়ে কটাক্ষের শেষ নেই। তবে বাস্তব জীবনে সোমরাজ বড় দাদার মতো আগলে রাখেন সাইনাকে। দুজনের খুনসুটি বরাবরই নজর কাড়ে। এদিন সেটে দেখা মিলল গল্পের সেকেন্ড লিড নন্দিনী দত্ত-রও। তবে দেখা মেলেনি লাজুর স্বামী সুদেব মানে অভিনেতা মৈনাক ঢোলের।
কনে দেখা আলোর গল্পে দর্শক আপতত দেখছে অ্যাক্সিডেন্টের পর লাজুকে চিনতে পারেন অনুভব। যা দেখে মন ভেঙেছে ভক্তদের। গল্পের আগামী মোড়ে লাজু আর অনুভবের সম্পর্ক কোন দিকে বাঁক নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে আপাতত ২০০ পর্বের সাফল্য বেশ তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছে ‘কনে দেখা আলো’ টিম।