...
...
Next Story

Saina Chatterjee Mom: ‘আমার ডল! মাঝে মাঝে ও-ই আমায় সঠিক পথ দেখায়’, ডটার্স ডে-তে ‘লাজু’ সাইনাকে নিয়ে লিখলেন মা সংযুক্তা

অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর, একে-অপরকে কেন্দ্র করেই কাটছে সাইনা ও সংযুক্তার জীবন। মেয়ে ডলকে নিয়ে ডটার্স ডে-র দিন আবেগঘন পোস্ট করলেন মা।

Published on: Sep 27, 2026, 12:21:03 IST
Advertisement

ডটার্স ডে-র দিন মেয়ে সাইনা চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে আবেগমাখা পোস্ট ভাগ করে নিলেন সংযুক্তা চট্টোপাধ্যায়। অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের আচমকা মৃত্যু ছন্নছাড়া করেছিল মা-মেয়ের জীবন। তবে একে-অপরকে নিয়েই সামলে নিয়েছেন হঠাৎ আসা সেই আঘাত। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন সাইনা। বলা চলে, গোটা বাংলার মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন নিজের সরল-মিষ্টি স্বভাব দিয়ে।

সাইনা ও সংযুক্তা।
সাইনা ও সংযুক্তা।

ডটার্স ডে-তে মেয়ের জন্য সংযুক্তা লিখলেন, ‘সাইনা বা ডল আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ আশীর্বাদ, আমার শক্তি এবং অনেক দিক থেকেই আমার শিক্ষাগুরু। অভিষেক চলে যাওয়ার পর থেকে সে আমার পাশে এক শক্ত পাঁচিলের মতো দাঁড়িয়ে আছে। আমার জীবনটা তাকে ঘিরেই আবর্তিত হয়, তবে যে বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে তা হলো মাত্র ১৬ বছর বয়সেও তার অসাধারণ ম্যাচিওরিটি। ওর এমন একটা বয়স যেখানে এত মানুষের ভালোবাসা, মনযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকার কারণে পরিস্থিতির স্রোতে ভেসে যাওয়া খুব স্বভাবিক একটা ব্যাপার। কিন্তু সেখানেও ও এক অসাধারণ ভারসাম্য ও মানসিক দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছে। কঠিন পরিস্থিতি সামলানোর ওর যে দক্ষতা, তার থেকে মাঝে মাঝে আমাকেও শিক্ষা নিতে হয়।’

‘ও ইতিবাচক, প্রগতিশীল চিন্তাধারার মানুষ। তবে সর্বোপরি, ও অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল। ও মানুষকে সম্মান দেয়। যে নিরাপত্তারক্ষী ওর জন্য দরজা খুলে দেন, তাকে 'ধন্যবাদ' জানায়। যে গেটকিপার তাকে সম্ভাষণ জানান, তাকে সে গুরুত্ব দেয়। মানুষটি কে বা কোথা থেকে এসেছেন—তা বিচার না করেই সে প্রয়োজনে থেমে জিজ্ঞেস করে, ‘আপনি ঠিক আছেন?’ মানুষের অনুভূতির প্রতিও অত্যন্ত যত্নশীল। সামাজিক মর্যাদা, বয়স বা পদের ওপর ভিত্তি করে কাউকে সম্মান জানানোয় একেবারেই বিশ্বাসী নয় ও। একজন মা এর থেকে বেশি আর কী চাইতে পারে। সে আমার মেয়ে, আমার ডল। কিন্তু সে আমার মা দুর্গা—আমার শক্তি। আমার মা কালী—আমার সাহস। আমার মা লক্ষ্মী—আমার আশীর্বাদ। আমার মা সরস্বতী—আমার প্রজ্ঞা। জন্ম হয়তো আমিই দিয়েছি, কিন্তু এমন অনেক দিন গিয়েছে যখন মনে হয়েছে সেই আমার হাত ধরে আমাকে সঠিক পথ দেখাচ্ছে। 'ডটার্স ডে'-র শুভেচ্ছা, ডল। তুমি চিরকাল এমনই দয়ালু, মাটির কাছাকাছি থাকা, দৃঢ়চেতা ও সুন্দর মনের মানুষ হয়ে থেকো।’, মেয়ের উদ্দেশে আরও লেখেন সংযুক্তা।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks