টলিপাড়ার একাধিক তারকা প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবির পোস্টার নিয়ে ছবি তোলায় শ্রীলেখা মিত্রের প্রতিবাদ করেছেন। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়ল কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দিল্লিতে পড়ুয়াদের উপর লাঠি চালানোর বিরোধিতায় কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টি ও বামেদের প্রতিবাদ মিছিলে দেখা গিয়েছিল শ্রীলেখা মিত্রকে। সেই মিছিল থেকে শ্রীলেখার একটি ছবি ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যায় হাতে একটি পোস্টার নিয়ে ছবির জন্য পোজ দিয়েছেন হাসি হাসি মুখ করে। আর হাতের সেই পোস্টারটিতে মোদীর একটি বিকৃত কার্টুন ব্যবহার করা হয়েছে।

শ্রীলেখার এই কাণ্ডের প্রতিবাদ করলেন কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘নির্বুদ্ধিতা বলব। আন্দোলন করা ভালো, কিন্তু সব কিছুর বিরুদ্ধে তো আন্দোলন করা যায় না। যেখানেই নিউজ, সেখানেই পৌঁছে যাব, এর তো কোনো অর্থ নেই। আমি ওঁকে ভালোবাসি। ওঁ আমার সিনিয়র, ওঁকে ছোট থেকে দেখে বড় হয়েছি। ওঁর বক্তব্যকে অনেক ক্ষেত্রে সমর্থনও জানিয়েছি, আবার এমনও হয়েছে ওঁর বক্তব্য আমার পছন্দ হয়নি। কিন্তু এক্ষেত্রে যেটা হয়েছে, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে। তা আমাদের প্রধানমন্ত্রী হোক বা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, এদের সম্মান দেওয়াটা আমাদের কর্তব্য। আমরা স্কুলে সেটা পড়েই বড় হয়েছি। তাঁর ওই ধরনের ছবি নিয়ে এসব করা যায় না। বাচ্চারা করে এগুলো। শ্রীলেখাদির ছবি নিয়ে কেউ যদি করে এগুলো, তাহলে কি ওঁর ভালো লাগবে?’
‘এসবে নরেন্দ্র মোদীর কিচ্ছু যায় আসবে না। ১৫ বছরের মুখ্যমন্ত্রী। বিগত এতগুলো বছর ধরে দেশটাকে কোথাও তো একটা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এবার যদি বলি এই সমস্যা, ওই সমস্যা, হ্যাঁ প্রচুর সমস্যা আছে। সব সমস্যা সমাধান করা সহজ নয়। এর আগেও বহু রাজনৈতিক দল রাজকীয় ভাবে রাজত্ব করে গিয়েছে। রাজতন্ত্রের মতো চলেছে দেশটা। গণতন্ত্রের মাপকাঠিতে বললে ঠিকই আছে। উনি তো আমাদের রাজ্যটাকেও এখন সামলাচ্ছেন।’, আরও বলেন কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এমনকী, শ্রীলেখার ‘চোখে চশমা ছিল না দেখিনি’-কেও উড়িয়ে দেন হাওয়ায়। ‘আজকে আমি একজন পাবলিক ফিগার হয়ে কী করে করতে পারে! ও যেটা বলেছে সেটা কেউই মনে হয় না বিশ্বাস করবে। এই জিনিসটা ভুল। উনি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে রিপ্রেজেন্ট করছেন। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু এটা নয়। শিক্ষিত হওয়া ভালো, বেশি শিক্ষিত হওয়া ভালো নয়। বাচ্চাদের উপর লাঠিচার্জ যে করা হয়েছে, সেটা ভুল। অবশ্যই প্রতিবাদ হওয়া উচিত। কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা এটা হওয়া উচিত না। আমি কখনো প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেও অপমান করার কথা ভাবতে পারিনি। কারণ এঁদেরকে আমরাই তো ভোট দিয়ে জিতিয়ে এনেছি।’, আরও বলেন কনীনিকা।
{{/usCountry}}এমনকী, শ্রীলেখার ‘চোখে চশমা ছিল না দেখিনি’-কেও উড়িয়ে দেন হাওয়ায়। ‘আজকে আমি একজন পাবলিক ফিগার হয়ে কী করে করতে পারে! ও যেটা বলেছে সেটা কেউই মনে হয় না বিশ্বাস করবে। এই জিনিসটা ভুল। উনি আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে রিপ্রেজেন্ট করছেন। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি কিন্তু এটা নয়। শিক্ষিত হওয়া ভালো, বেশি শিক্ষিত হওয়া ভালো নয়। বাচ্চাদের উপর লাঠিচার্জ যে করা হয়েছে, সেটা ভুল। অবশ্যই প্রতিবাদ হওয়া উচিত। কিন্তু প্রতিবাদের ভাষা এটা হওয়া উচিত না। আমি কখনো প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেও অপমান করার কথা ভাবতে পারিনি। কারণ এঁদেরকে আমরাই তো ভোট দিয়ে জিতিয়ে এনেছি।’, আরও বলেন কনীনিকা।
{{/usCountry}}