...
...
Next Story

Saina-Sanjukta: ‘আমি গর্বিত মাম্মিস গার্ল’, বাবার মৃত্যুর পর ঢাল হয় মা, তাঁর জন্মদিনে আবেগঘন সাইনা

তাঁর সবচেয়ে কাছের বন্ধু তথা পথপ্রদর্শক মা। সংযুক্তার জন্মদিনে কলম ধরল সাইনা।

Published on: May 5, 2026, 18:05:07 IST
Advertisement

অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের অকালপ্রয়াণের পর মা সংযুক্তাই ছিলেন তাঁর পৃথিবী। বাবা নেই, কিন্তু মায়ের আগলানো স্নেহে বড় হয়ে ওঠা সেই ছোট্ট মেয়েটি আজ টলিপাড়ার পরিচিত মুখ। কদিন পরই ১৬-য় পা দেবে সাইনা। মা সংযুক্তার আদরের ‘ডল’। সেই ডল-ই এখন জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’-র প্রধান মুখ বা লিডিং লেডি। মা সংযুক্তার জন্মদিনে ডল ওরফে সাইনার আবেগঘন পোস্ট এখন ভাইরাল নেটপাড়ায়।

‘গর্বিত মাম্মিস গার্ল’, বাবার মৃত্যুর পর ঢাল হয় মা, তাঁর জন্মদিনে আবেগঘন সাইনা
‘গর্বিত মাম্মিস গার্ল’, বাবার মৃত্যুর পর ঢাল হয় মা, তাঁর জন্মদিনে আবেগঘন সাইনা

মায়ের জন্য বিশেষ বার্তা:

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্ট করে সাইনা লেখেন, ‘যখন আমি ক্লাস এইটে পড়তাম, বন্ধুরা আমাকে দেখে বলত— সাইনাকে কিছু বলিস না, ও ওর মাকে সব বলে দেয়! আমি এতে লজ্জা পাই না, বরং গর্ববোধ করি। মা-ই আমার সেরা বন্ধু, যার ওপর আমি সবথেকে বেশি ভরসা করতে পারি।’ সাইনা আরও জানান, তিনি আজীবন গর্বিত ‘মম্মিস গার্ল’ হয়েই থাকতে চান। মা-কে পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী নারী হিসেবেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

সংযুক্তার পাল্টা উত্তর:

মেয়ের এই পোস্টে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি সংযুক্তাও। তিনিও পাল্টা আদুরে উত্তরে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ ডল! ভগবান আমাকে দেওয়া সবথেকে বড় উপহার তুমিই। আমি রোজ তোমার কাছ থেকে নতুন কিছু শিখি।’ সংযুক্তার মতে, সাইনার মতো সৎ, ভদ্র এবং পরিণত মনস্ক সন্তান পাওয়া যে কোনো মায়ের কাছে স্বপ্নের মতো।

অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর সংযুক্তা যেভাবে লড়াই করে মেয়েকে বড় করেছেন, তার ফল আজ হাতেনাতে মিলছে। সাইনা এখন আর কেবল ‘তারকা সন্তান’ নন, বরং নিজের যোগ্যতায় জি বাংলার ‘কনে দেখা আলো’ ধারাবাহিকের প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন। তাঁর সাবলীল অভিনয় ইতিমধ্যেই দর্শকদের মন জয় করেছে।

পিতৃস্মৃতি আর আগামীর লড়াই:

টালিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রি অভিষেক চট্টোপাধ্যায়কে ভালোবেসে ডাকত ‘মিঠু দা’। তাঁর সেই আদরের ‘ডল’ আজ কেবল বড়ই হয়নি, বরং মায়ের শক্তির স্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংযুক্তা যেভাবে ছায়ার মতো থেকে মেয়ের কেরিয়ার ও জীবন আগলাচ্ছেন, তা দেখে নেটিজেনদের মন্তব্য— ‘উপর থেকে অভিষেক চট্টোপাধ্যায় নিশ্চয়ই আজ খুব গর্ব অনুভব করছেন।’

স্টার জলসার অনুরাগের ছোঁয়ার মাধ্যমে টেলিভিশনের পর্দায় হাতেখড়ি সাইনার। এরপর জি বাংলার কনে দেখা আলোতে সুযোগ পান। অভিনয় তাঁর রক্তে, তা এই কিশোরির পারফম্যান্সেই স্পষ্ট।

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe