সোমবার থেকে মিঠিঝোরা-র স্লটে দেখা যাচ্ছে মিত্তির বাড়ি ধারাবাহিক। এদিকে, দর্শক মনে প্রশ্ন, তাহলে কি রাই আর অনির্বাণের গল্প অসমাপ্ত রেখেই শেষ হয়ে গেল মিঠিঝোরা?

তেমনটা একেবারেই নয়। আপডেট শেয়ার করল জি বাংলা। চলতি সপ্তাহ গোটাটাই টিভিতে আসবে মিঠিঝোরা। শেষ সম্প্রচার ১৩ জুলাই। আপাতত দেখা গিয়েছে, সন্তান প্রসবের পর অবসাদে ডুবে গেছে রাই। দিশাহীন অবস্থা তার। এদিকে স্ত্রীর প্রতি অদ্ভুত এক অবহেলা দেখাচ্ছে অনির্বাণ। যেন সে, স্ত্রীর অস্তিত্ব, তার সমস্য়া, অবসাদের মতো রোগকেই অস্বীকার করতে চাইছে।
তবে, এবার রাইয়ের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তার পরিবার। স্রোত, সার্থকের বাবা, রাইয়ের মা-বউদি, সকলে মিলে রাইকে আবার স্বাভাবিক করতে যে কোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। এমনকী, রাইয়ের মা অনির্বাণকে জানিয়ে দিয়েছে, সে মেয়েকে নিজের সঙ্গে নিয়ে যাবে। সঙ্গে নিয়ে যাবে সদ্যোজাত নাতনি বিল্লিকেও।
স্রোতের পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছে অনির্বাণের ছোটবেলার বান্ধবী সিমিও। সে নিজেও ব্যস্ত অনির্বাণের ব্যবহারে। এখন দেখার, আদৌ কি রাইয়ের অবসাদ, সন্তান হওয়ার পর নতুন মায়ের শারিরীক-মানসিক টানাপোড়েন বুঝে আদৌ কি অনির্বাণ পারে নিজেকে বদলাতে। নাকি, বিচ্ছেদের দিকে এগোয় গল্প।
আসলে অনেকদিন ধরেই মিঠিঝোরার টিআরপি তলানিতে। শুধু তাই নয়, গল্পে একঘেয়েমিতে বিরক্ত হয়ে উঠেছিল দর্শকও। এমনকী,নতুন যে প্লটই আসত, তা নিয়ে চলত হাসহাসি। আর তাই দাদামণি আসতে, মিঠিঝোরারই কপাল পুড়েছে।
দাদামণি সোমবার থেকে সম্প্রচারিত হচ্ছে রাত সাড়ে আটটায়। স্টার জলসার নতুন ধারাবাহিক রাণী ভবানি-র মুখোমুখি। আর তার ফলে রাত ৯ টায় চলে এসেছে কোন গোপনে মন ভেসেছে। এবং রাত ১০.১৫-তে মিত্তির বাড়ি।