...
...
Next Story

Kone Dekha Alo: ‘এই সফর আমাকে এমন বন্ধুত্ব দিয়েছে যা সারাজীবন আগলে রাখব’,কনে দেখা আলো শেষে সাইনা

‘পর্দায় গল্প শেষ হলেও প্রেম অমর’: 'কনে দেখা আলো'-র বিদায়বেলায় আবেগঘন খোলা চিঠি 'লাজু' সাইনার, নেটিজেনদের ধন্যবাদ!

Published on: Sep 22, 2026, 09:30:36 IST
Advertisement

জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'কনে দেখা আলো'-র সফর আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো। পর্দার 'লাজু' আর ‘অনুভব’-এর মিষ্টি প্রেমের গল্প যেভাবে দর্শকের মন জয় করেছিল, তা শেষ হতেই স্বাভাবিকভাবেই ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বিষাদের সুর। ধারাবাহিক শেষের এই আবেগঘন মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি খোলা চিঠি পোস্ট করে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়লেন প্রধান অভিনেত্রী সাইনা চট্টোপাধ্যায়। পর্দার মিসেস চট্টোপাধ্যায়কে শেষ মুহূর্তে দেখা গিয়েছে সীমান্তিনী রূপে। অনুভবের হাতে রাঙানো সিঁথিতে ঝলমলে লাজু। লগ্ন পেরিয়ে গেলেও বিয়ে আটকায়নি। রেজিস্ট্রি ম্য়ারেজ সেরে মালাবদল ও সিঁদুরদান সারেন তাঁরা। অন্তিম পর্ব সম্প্রচার শেষে ফ্যানেদের বিশেষ বার্তা লাজুর।

‘এই সফর আমাকে এমন বন্ধুত্ব দিয়েছে যা সারাজীবন আগলে রাখব’,কনে দেখা আলো শেষে সাইনা
‘এই সফর আমাকে এমন বন্ধুত্ব দিয়েছে যা সারাজীবন আগলে রাখব’,কনে দেখা আলো শেষে সাইনা

‘লাজু কেবল একটি চরিত্র নয়, আমার জীবনের অঙ্গ’

সোশ্যাল মিডিয়ায় লাজু হিসেবে নিজের যাত্রার একঝাঁক মুহূর্ত শেয়ার করে সাইনা লিখেছেন, 'কিছু যাত্রা শুধু গল্প হয়ে থাকে না, হৃদয়ের এক চিরস্থায়ী অংশ হয়ে যায়। 'কনে দেখা আলো'-র লাজু হিসেবে আমার সুন্দর সফরের একটি ছোট ঝলক শেয়ার করলাম— তার প্রথম মুহূর্ত, অভিজ্ঞতার সাথে মিষ্টি বন্ধন, আনন্দ, ভুল বোঝাবুঝি, আবেগ এবং অবশেষে বিয়ের সুন্দর পরিণতি। লাজু কেবল আমার অভিনীত একটি চরিত্র ছিল না... সে আমার জীবনের অত্যন্ত বিশেষ একটি অংশ হয়ে উঠেছে। এই সফর আমাকে এমন স্মৃতি, বন্ধুত্ব এবং শিক্ষা দিয়েছে যা আমি সারাজীবন আগলে রাখব।'

মাকে বিশেষ ধন্যবাদ ও 'অর্গানিক স্টুডিও'-কে কৃতজ্ঞতা:

নিজের এই পথচলায় সবসময় পাশে থাকার জন্য মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা ব্যক্ত করেছেন সাইনা। রাত-দিন এক করে কাজের পেছনে মায়ের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং বিশ্বাসের কথা মনে করিয়ে দিয়ে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। একই সাথে এই সুন্দর সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য প্রযোজনা সংস্থা 'অর্গানিক স্টুডিও' এবং 'জি বাংলা'-কে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

দেশ-বিদেশের ভক্তদের জন্য বার্তা:

শুধু ভারত নয়, বাংলাদেশ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য সহ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা ভক্তদের ভালোবাসা দেখে আপ্লুত অভিনেত্রী। বিশেষ করে ধারাবাহিকটি যাতে বন্ধ না হয়, তার জন্য ভক্তরা যেভাবে জি বাংলা কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন— তা সাইনার হৃদয় স্পর্শ করেছে।

চিঠির শেষভাগে সাইনা লেখেন, ‘একটি চরিত্র তখনই অমর হয়ে ওঠে যখন তা আবেগ হয়ে দাঁড়ায়... এবং আপনাদের জন্যই লাজু সবসময় বিশেষ হয়ে থাকবে। কিছু গল্প হয়তো পর্দায় শেষ হয়ে যায়, কিন্তু ভালোবাসা, স্মৃতি আর আশীর্বাদ সারাজীবন থেকে যায়।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Priyanka Mukherjee

প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks