কোনো বাড়তি চাকচিক্য ছাড়াই সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের মন কেড়ে নিয়েছিল ‘মা মাসি কিচেন’ ফেসবুক পেজটি। খুব সামান্য উপকরণে, পুরনো ঘরোয়া রান্না তুলে ধরা হত। বেশিরভাগ সময়ই স্বামীর পছন্দের খাবার যত্ন নিয়ে রাঁধতেন শিউলি। মিষ্টি তাঁর ব্যবহার। সদাহাস্য মুখ। আর স্ত্রী-র রান্না পরমানন্দে মুখে তুলতেন জ্যোতিপ্রসাদ বসু।

তবে শনিবার রাতে জ্যোতিপ্রসাদ বসু-র প্রয়ানের খবর ভাগ করে নিলেন শিউলীদেবী। তিনি জানান যে, ১৩ অগস্ট প্রয়াত হয়েছে জ্যোতিপ্রসাদ। স্বামীর প্রয়ানের খবর ভাগ করে নিয়ে পেজে লেখেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার সমস্ত বন্ধুদের খুবই দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি গত ১৩ অগস্ট আমার ৪৭ বছরের সঙ্গী জ্যোতিপ্রসাদ বসু চিরতরে আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন।’
সিওপিডি-র পেশেন্ট ছিলেন জ্যোতিপ্রসাদ। বেশিরভাগ সময়েই তাঁকে দেখা যেত নাকে অক্সিজেন নল লাগিয়ে। জানা গিয়েছে যে, ৭ অগস্ট আচমকাই খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন জ্যোতিপ্রসাদ। এরপর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিউলি তাঁর পোস্টে আরও লেখেন, ‘আপনাদের জানাতে একটু দেরি হয়ে গেল। এই কিছুদিন জানানোর মতো অবস্থায় আমি ছিলাম না।’
আচমকা এমন খবর শুনে মা মাসি কিচেনের ফলোয়ার্সরাও বেশ আঘাত পেয়েছেন। একজন মন্তব্য করেন, ‘মাসিমা কী লিখব জানি না। আপনাদের একসাথে দেখতে যে কী ভালো লাগত। মন ভরে যেত। এই দেখনদারির মাঝেও কী সুন্দর করে একে-অপরকে আগলে রেখেছিলেন আপনারা।’
আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘ভগবান আপনাকে শান্তি দিক। মেসোমশাইকে আপনি যখন পছন্দের রান্না করে দিতেন, আর উনি উৎসাহের সাথে তা খেতেন, চোখগুলো যেন আনন্দে চকচক করত। দেখতে কী যে ভালো লাগত।’ অন্যজন লেখেন, ‘পোস্টটা পড়ার পর অবেকটা সময় লাগল যেন নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে’।
{{/usCountry}}আরেকটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘ভগবান আপনাকে শান্তি দিক। মেসোমশাইকে আপনি যখন পছন্দের রান্না করে দিতেন, আর উনি উৎসাহের সাথে তা খেতেন, চোখগুলো যেন আনন্দে চকচক করত। দেখতে কী যে ভালো লাগত।’ অন্যজন লেখেন, ‘পোস্টটা পড়ার পর অবেকটা সময় লাগল যেন নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে’।
{{/usCountry}}