...
...
Next Story

প্রয়াত মা মাসি কিচেনের ‘মেসোমশাই’! আচমকা দুঃসংবাদে শোক বিহ্বল নেটপাড়া

সিওপিডি-র রোগী ছিলেন জ্যোতিপ্রসাদ বসু। সবসময়ই তাঁকে অক্সিজেন নল নাকে লাগিয়ে দেখা যেত। দুজনের মিষ্টি দাম্পত্য, সারল্য বরাবরই মন কেড়ে নিত সকলের।

Published on: Aug 30, 2026, 17:28:47 IST
Advertisement

কোনো বাড়তি চাকচিক্য ছাড়াই সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের মন কেড়ে নিয়েছিল ‘মা মাসি কিচেন’ ফেসবুক পেজটি। খুব সামান্য উপকরণে, পুরনো ঘরোয়া রান্না তুলে ধরা হত। বেশিরভাগ সময়ই স্বামীর পছন্দের খাবার যত্ন নিয়ে রাঁধতেন সুমিতা বসু। মিষ্টি তাঁর ব্যবহার। সদাহাস্য মুখ। আর স্ত্রী-র রান্না পরমানন্দে মুখে তুলতেন জ্যোতিপ্রসাদ বসু।

প্রয়াত মা মাসি কিচেনের ‘মেসোমশাই’।
প্রয়াত মা মাসি কিচেনের ‘মেসোমশাই’।

তবে শনিবার রাতে জ্যোতিপ্রসাদ বসু-র প্রয়ানের খবর ভাগ করে নিলেন সুমিতাদেবী। তিনি জানান যে, ১৩ অগস্ট প্রয়াত হয়েছে জ্যোতিপ্রসাদ। স্বামীর প্রয়ানের খবর ভাগ করে নিয়ে পেজে লেখেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার সমস্ত বন্ধুদের খুবই দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি গত ১৩ অগস্ট আমার ৪৭ বছরের সঙ্গী জ্যোতিপ্রসাদ বসু চিরতরে আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন।’

সিওপিডি-র পেশেন্ট ছিলেন জ্যোতিপ্রসাদ। বেশিরভাগ সময়েই তাঁকে দেখা যেত নাকে অক্সিজেন নল লাগিয়ে। জানা গিয়েছে যে, ৭ অগস্ট আচমকাই খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন জ্যোতিপ্রসাদ। এরপর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুমিতা তাঁর পোস্টে আরও লেখেন, ‘আপনাদের জানাতে একটু দেরি হয়ে গেল। এই কিছুদিন জানানোর মতো অবস্থায় আমি ছিলাম না।’

আচমকা এমন খবর শুনে মা মাসি কিচেনের ফলোয়ার্সরাও বেশ আঘাত পেয়েছেন। একজন মন্তব্য করেন, ‘মাসিমা কী লিখব জানি না। আপনাদের একসাথে দেখতে যে কী ভালো লাগত। মন ভরে যেত। এই দেখনদারির মাঝেও কী সুন্দর করে একে-অপরকে আগলে রেখেছিলেন আপনারা।’

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks