ইন্ডিয়ান আইডলের গত সিজনে শুরু থেকেই নজর কেড়েছিলেন বাংলার মেয়ে মানসী ঘোষ। শ্রেয়া ঘোষাল, বিশাল দাদলানি, বাদশা-দের নয়নের মণি হয়ে উঠেছিলেন সেই অডিশন রাউন্ড থেকে। আর প্রথমবার কোনো বাঙালি জেতে ট্রফি। দমদম নিমতার মেয়ের এই সাফল্যে গর্বে বুক ফুলেছিল বাঙালির। এরপর থেকে কলকাতা-মুম্বই যাতায়াত লেগেই আছে। তবে তাঁর বাঙালি অনুরেগীদের জন্য রয়েছে একটি বড় সুখবর। বাংলা সিনেমায় এবার প্লেব্যাক করতে চলেছেন মানসী।

পরিচালক দুর্জয় মণ্ডলের 'দখল' (Dokhol) নামের বাংলা ছবিতে প্রথম প্লেব্যাক করেছেন। এই সিনেমায় 'মাঝ রাতে বিছানাতে' নামে একটি গান গাইছেন তিনি। গানটির কথা লিখেছেন দুর্জয় মন্ডল, সুর ও সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন নীলাকাশ রায়।
‘মাঝ রাতে বিছানাতে’ গানটি প্রসঙ্গে মানসী জানান, ‘গানটি গাইতে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। এটি খুবই প্রাণবন্ত একটি গান, আর আমার বিশ্বাস দর্শক-শ্রোতারাও গানটি দারুণ উপভোগ করবেন। বাংলা চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে এটাই আমার প্রথম কাজ, তাই এই গানটি আমার কাছে সবসময়ই বিশেষ হয়ে থাকবে। পরিচালক দুর্জয় মণ্ডলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাও অসাধারণ। তিনি একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ। ছবির পুরো টিমের জন্য রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা। আশা করি ছবিটি দর্শকদের ভালোবাসা পাবে।’
অন্য দিকে পরিচালক মানসীর গান নিয়ে জানালেন, ‘মাঝ রাতে বিছানাতে’ শুধুমাত্র একটি আইটেম সং নয়, এটি ছবির গল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তকে আরও আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত করে তুলবে। মানষী ঘোষের উচ্ছ্বসিত ও প্রাণবন্ত কণ্ঠ গানটিকে এক অন্য মাত্রা দিয়েছে। বাংলা চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে এটাই তাঁর অভিষেক, যা আমাদের ছবির জন্যও একটি বিশেষ প্রাপ্তি। আমার বিশ্বাস, মুক্তির পর গানটি দর্শক-শ্রোতাদের মন জয় করবে এবং খুব দ্রুতই তাঁদের প্লেলিস্টে বিশেষ জায়গা করে নেবে।’
এর আগে ২০২৫ সালের পুজোতেই একটি গয়নার ব্র্যান্ডের জন্য গান গেয়ে ফেলেছেন মানসী ঘোষ, তাও আবার রূপম ইসলামের সঙ্গে। চলতি বছরে ২৬ জানুয়ারি তিনি পারফর্ম করেন রাজভবনেও।
{{/usCountry}}এর আগে ২০২৫ সালের পুজোতেই একটি গয়নার ব্র্যান্ডের জন্য গান গেয়ে ফেলেছেন মানসী ঘোষ, তাও আবার রূপম ইসলামের সঙ্গে। চলতি বছরে ২৬ জানুয়ারি তিনি পারফর্ম করেন রাজভবনেও।
{{/usCountry}}মাত্র ৪ বছর বয়সে গান শেখা শুরু করেন মানসী ঘোষ। গানের প্রাথমিক শিক্ষাও মায়ের কাছেই। তবে আজ তাঁর নাম জানে, দেশের প্রায় প্রতিটা মানুষ। ২০২৫ সালে ইন্ডিয়ান আইডলের বিজেতা হিসেবে পান ট্রফি আর ২৫ লাখ টাকা নগদ। এর আগে ২০২২ সালে সুপার সিঙ্গারে অংশ নিয়েছিলেন মানসী। তবে সেবার ফাইনালে পৌঁছলেও, জিততে পারেননি। দ্বিতীয় হয়েছিলেন। নিজেকে একজন সফল প্লে ব্যাক সিঙ্গার, পারফর্মার হিসেবে দেখার স্বপ্নই এই বাঙালি তরুণীর দুই চোখে।