...
...
Next Story

মানসীর চার তলা নতুন বাড়ি ‘পিছুটান’ যেন সাদা রাজহংস! গৃহপ্রবেশের মেনুতে শুক্তো, মটন-সহ জিভে জল আনা সব খাবার

চারতলা বাড়ি করেছেন মানসী সেনগুপ্ত। রঙে সাদার প্রাধান্য। সামনে অনেকখানি খোলামেলা জায়গা, সঙ্গে বড় একটা লেক। অর্থাৎ বাড়ির ব্যালকনিতে দাঁড়ালেই চোখে পড়বে খোলা আকাশ, সবুজের হাতছানি, আর মিঠে ঠান্ডা হাওয়া।

Published on: Jun 15, 2026, 17:03:03 IST
Advertisement

রবিবার ছিল টলিপাড়ার জনপ্রিয় মুখ মানসী সেনগুপ্তর নতুন বাড়ি ‘পিছুটান’-এর গৃহপ্রবেশ। টলিপাড়ার সহকর্মীদের ডেকে বেশ ধুমধাম করে হল গৃহপ্রবেশ। চারতলা বাড়ি করেছেন মানসী। রঙে সাদার প্রাধান্য। সামনে অনেকখানি খোলামেলা জায়গা, সঙ্গে বড় একটা লেক। অর্থাৎ বাড়ির ব্যালকনিতে দাঁড়ালেই চোখে পড়বে খোলা আকাশ, সবুজের হাতছানি, আর মিঠে ঠান্ডা হাওয়া।

মানসীর চার তলা নতুন বাড়ি 'পিছুটান'।
মানসীর চার তলা নতুন বাড়ি 'পিছুটান'।

গাছ লাগানোর শখ মানসীর। বাড়ির মেইন গেট থেকে শুরু করে বসার জায়গা, সিঁড়ি সর্বত্র সাজিয়েছেন নানা ধরনের গাছ দিয়ে। পছন্দের রং সাদা। তাই গোটা বাড়িতেই সাদার আধিক্য। দেওয়ালে টাঙানো তাঁর পাওয়া নানা অ্যাওয়ার্ড, পটচিত্র, নিজেদের ছবি। সদর দরজা দিয়ে ঢুকতেই চোখে পড়বে মা সরস্বতীর একটা মূর্তি। এরপর দো তলায় বড় ড্রইং রুম, কিচেন। তিন তলায় অভিনেত্রীর শোওয়ার ঘর। আর একদম উপরে ঠাকুর ঘর। জমি কেনা থেকে বাড়ির তৈরির সস্ত খুঁটিনাটি, করেছেন নিজের হাতে। প্রায় দেড় বছর ধরে একটু একটু করে বাস্তবায়িত হতে দেখেছেন নিজের স্বপ্নকে।

বর্তমানে তারে ধরি ধরি মনে করি ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে মানসীকে। এদিন নিমন্ত্রিত ছিল সেই টিম। এসেছিলেন মানসীর নিমফুলের বন্ধু অরিজিতা-তনুশ্রীরা। বর ও মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন অহনা। মানসীর নতুন বাড়ির গৃহপ্রবেশে দেখা গেল তারে ধরি ধরি-র নায়ক বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। নতুন বাড়িতে মানসীর প্রতিবেশীও বিশ্বরূপ। থাকেন ঢিলছোঁড়া দূরত্বে।

মানসী সম্প্রতিই তাঁর ডিভোর্সের কথা সামনে এনেছেন। বহুদিন ধরেই খবর ছিল বরের সঙ্গে তাঁর বনিবনা নেই। মাঝে যদিও অভিনেত্রীর গর্ভে আসে দ্বিতীয় সন্তান। মেয়ের পর ছেলে হয়। তবে দুজনের মধ্যে আসা দূরত্ব ধীরে ধীরে প্রকট হয়। ২০২৫ সালেই আইনি বিচ্ছেদের ঘোষণা করেছেন টিভির এই দুঁদে খলনায়িকা।

মানসীর বাড়ির গৃহপ্রবেশে যেমন বসেছিল চাঁদের হাট, তেমন ছিল খাবারেরও নানা লোভনীয় পদ। একেবারে খাঁটি বাঙালি মেনু। ভাত-সুক্তো, ফ্রিশ ফ্রাই, ডাল, ঝুরি আলুভাজা, মাছ, মটনের, চাটনি, মিষ্টির মতো পদ ছিল এদিনের মেনুতে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe