‘রাঙামতি’ হয়ে দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন মনীষা মণ্ডল। আর ধারাবাহিক শেষ হতে না হতেই, কামব্যাকের জন্য প্রস্তুত স্টার জলসার নায়িকা। শোনা যাচ্ছে, এই চ্যানেলেই ফিরছেন তিনি নতুন মেগার মাধ্যমে।

টলিপাড়ার অন্দরের খবর, মনীষা ফিরছেন সুশান্ত দাসের প্রযোজনা সংস্থা টেন্ট সিনেমার হাত ধরেই। প্রসঙ্গত, এই প্রযোজনা সংস্থা থেকেই নিয়ে আসা হয়েছিল রাঙামতি তীরন্দাজ। যা শেষ হয় জুনের ২২ তারিখে। খবর রয়েছে, ইতিমধ্যে লুক সেটও করে ফেলেছেন মণীষা।
মণীষার নায়কও ছোট পর্দার পরিচিত মুখ। উঠে আসছে অভিনেতা ঋত্বিক মুখোপাধ্যায়ের নাম। এখনো নাম চূড়ান্ত হয়নি যদিও, তবে কিছুদিনের মধ্যেই প্রোমো শ্যুটের কাজও শুরু হয়ে যাবে বলে খবর আসছে। এখন দেখার টলিপাড়ার অন্দরে চলা এই কানাঘুষোতে কবে পড়ে শিলমোহর। সঙ্গে দর্শকদের মনই বা কতটা জয় করে নিতে পারে ঋত্বিক ও মণীষার জুটি।
টিআরপি তালিকাতেও নিজের জায়গা করে নিয়েছিল রাঙামতি তীরন্দাজ ধারাবাহিকটি। রাঙামতি চরিত্রের তীরন্দাজি শিখতে হয়েছিল মণীষাকে। পুরুলিয়া থেকে একজন কোচ এসে তাঁকে নিয়মিত আর্চারি শেখাতেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি মেয়ে অলিম্পিক্সে দেশের হয়ে মেডেল জেতার স্বপ্ন দেখে— এই ভাবনা থেকেই শুরু হয়েছিল ধারাবাহিকটি। আর রাঙামতি ও তাঁর উড়নবাবু।
মনীষা মন্ডলের বাড়ি মুর্শিদাবাদে। বাবা মায়ের ইচ্ছে ছিল শিক্ষকতা করার পড়াশোনা করুক মেয়ে। তবে লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন তাঁর রাতের ঘুম কেড়েছিল। অভিনয়ের টানেই কলকাতায় আসেন। ভবানীপুর কলেজ থেকে ইতিহাস নিয়ে স্নাতকস্তরের লেখাপড়া করছেন। ছোট পর্দায় আত্মপ্রকাশের আগে ‘রাঙামতি’ দীর্ঘদিন মঞ্চাভিনয় ও শর্ট ফিল্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি আইপিটিএ (IPTA) মুম্বই এবং কিস্সা কোঠি নাট্যদলের হয়ে কাজ করেছেন। মণীষা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন তিনি ছোটবেলাতেই বাড়ির সকলকে বলতেন, ‘তোমরা আজ সিরিয়াল দেখছ, একদিন আমায় টিভিতে দেখবে’।
{{/usCountry}}মনীষা মন্ডলের বাড়ি মুর্শিদাবাদে। বাবা মায়ের ইচ্ছে ছিল শিক্ষকতা করার পড়াশোনা করুক মেয়ে। তবে লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন তাঁর রাতের ঘুম কেড়েছিল। অভিনয়ের টানেই কলকাতায় আসেন। ভবানীপুর কলেজ থেকে ইতিহাস নিয়ে স্নাতকস্তরের লেখাপড়া করছেন। ছোট পর্দায় আত্মপ্রকাশের আগে ‘রাঙামতি’ দীর্ঘদিন মঞ্চাভিনয় ও শর্ট ফিল্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি আইপিটিএ (IPTA) মুম্বই এবং কিস্সা কোঠি নাট্যদলের হয়ে কাজ করেছেন। মণীষা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন তিনি ছোটবেলাতেই বাড়ির সকলকে বলতেন, ‘তোমরা আজ সিরিয়াল দেখছ, একদিন আমায় টিভিতে দেখবে’।
{{/usCountry}}অন্য দিকে, ঋত্বিক মুখোপাধ্যায়কে এর আগে দেখা গিয়েছে আনন্দী ধারাবাহিকে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হওয়া এই সিরিয়ালটির সম্প্রচার ২০২৬ সালের জুন মাসে শেষ হয়। জি বাংলা ও স্টার জলসার একাধিক বিখ্যাত মেগা ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন ঋত্বিক। আমাদের এই পথ যদি না শেষ হয় মেগায় ‘টুকাই’ চরিত্রটি ভীষণ জনপ্রিয় হয়েছিল। এরপর করাজ করেন মন দিতে চাই-এ। এই দুচি মেগাই এসেছিল জি বাংলায়। এরপর স্টার জলসায় আসে আনন্দী। সব ঠিক থাকলে, জলদিই এবার ছোট পর্দায় রোম্যান্স করবেন মণীষা ও ঋত্বিক।