সোশ্যাল মিডিয়ায় অনবরতই কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তারকাদের। তবে তা কুৎসিত মোড় নেয় যখন তারকাদের সন্তানরাও ট্রোলের হাত থেকে বাঁচতে পারেন না! মানসী সেনগুপ্তর একরত্তি ছেলেকে গায়ের রং নিয়ে আক্রমণ এক নেটিজেনের। শুধু তাই নয়, দুধের বাচ্চাকে নিয়ে মন্তব্য করার সময় ছাড়ালেন সব মাত্রা।

মানসীর একটি পোস্টের তলায় মন্তব্য আসে, ‘কী বিশ্রি বাচ্চাটা! কালা, মুখের গড়নও সুন্দর না। বাপের মতো বিশ্রি হয়েছে।’ ব্যাপারটা নজরে আসতেই জবাব দেন মানসী। লেখেন, ‘এই কমেন্টটা আমি চাইলে ডিলিট করতে পারতাম। করব না, কারণ ফেক আইডি দিয়ে কেউ গুরুত্ব পাবার জন্য কী বলল, তাতে গুরুত্ব দেওয়ার সময় আমার নেই।’
ছেলের জন্মের আগে থেকেই ট্রোলের শিকার তিনি। এমনকী, বছরখানেক আগে দিদি নম্বর ১-এ এসে বৈবাহিক জীবনে চলা সমস্যা নিয়ে মুখ খোলায়, মানসীর ছেলের পিতৃপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকে কিছু মানুষ। যদিও অভিনেত্রী একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন সেই সময়, ‘মেয়ের জন্য আমরা দুজনে মিটমাট করে নেই। তারপরই দ্বিতীয় বাচ্চা নেওয়ার সিদ্ধান্ত’! এমনকী, অভিনেত্রীর প্রায় সব পোস্টেই কমেন্ট পড়ত, কেন স্বামীর সঙ্গে দেন না ছবি।
যদিও ছেলের মাসখানেক বয়স যখন, তখন মানসী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান, তিনি আর তাঁর স্বামী ডিভোর্সের পথে হাঁটছেন। যদিও সন্তানদের দায়িত্ব যৌথভাবে পালন করবেন। আপাতত ছেলে আর মেয়ে দুজনেই থাকে মানসীর সঙ্গে। সদ্য নতুন বাড়িও বানিয়েছেন তিনি। লেখের ধারে, সবুজের মাঝে সে আস্তানার ছবি-ভিডিয়ো মন ভালো করে দেয় যে কারও।
মানসী সেনগুপ্ত তাঁর পুত্রসন্তানের নাম রেখেছেন অধ্যায়। একইসঙ্গে ছেলের পদবি হিসেবে তিনি নিজের পদবি ব্যবহার করেছেন। ধারাবাহিকের ১০-১২ ঘণ্টার শ্যুটিংয়ের চাপ সামলে, সন্তানদের দায়িত্ব পালন, সংসার সমস্ত কিছু সামলানো খুব একটা সহজ হয় না যদিও। তবে এক্ষেত্রে মানসীর পাশে ঢাল হয়ে থাকেন তাঁর পরিবার, বিশেষ করে বোনেরা। তিনি যখন শ্যুটে থাকেন, সন্তানদের নিশ্চিন্তে রেখে যান বোনেদের কাছে।
{{/usCountry}}মানসী সেনগুপ্ত তাঁর পুত্রসন্তানের নাম রেখেছেন অধ্যায়। একইসঙ্গে ছেলের পদবি হিসেবে তিনি নিজের পদবি ব্যবহার করেছেন। ধারাবাহিকের ১০-১২ ঘণ্টার শ্যুটিংয়ের চাপ সামলে, সন্তানদের দায়িত্ব পালন, সংসার সমস্ত কিছু সামলানো খুব একটা সহজ হয় না যদিও। তবে এক্ষেত্রে মানসীর পাশে ঢাল হয়ে থাকেন তাঁর পরিবার, বিশেষ করে বোনেরা। তিনি যখন শ্যুটে থাকেন, সন্তানদের নিশ্চিন্তে রেখে যান বোনেদের কাছে।
{{/usCountry}}প্রায় ৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে টেলি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন মানসী। মডেলিং দিয়ে শুরু হয়েছিল যাত্রা। মাঝে কয়েকবছর বলিউডেও কাজ করেন। দুটি হিন্দি সিরিয়াল করলেও, সেখানে সেভাবে পায়ের তলায় জমি শক্ত করতে পারেননি। তারপর ফিরে আসেন কলকাতায়। আপাতত তাকে দেখা যাচ্ছে জি বাংলার ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ধারাবাহিকে।