...
...
Next Story

Manoshi Sengupta Son: ‘কালো, বাপের মতো বিশ্রি’! একরত্তি ছেলেকে নিয়ে নোংরা মন্তব্য, পালটা জবাব মানসীর

মানসী সেনগুপ্তর একরত্তি ছেলেকে গায়ের রং নিয়ে আক্রমণ এক নেটিজেনের। আর সেই কুৎসিত কমেন্টটি চোখে পড়তেই কড়া জবাব দিলেন তারে ধরি ধরি মনে করি অভিনেত্রী।

Published on: Jul 28, 2026, 09:30:30 IST
Advertisement

সোশ্যাল মিডিয়ায় অনবরতই কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় তারকাদের। তবে তা কুৎসিত মোড় নেয় যখন তারকাদের সন্তানরাও ট্রোলের হাত থেকে বাঁচতে পারেন না! মানসী সেনগুপ্তর একরত্তি ছেলেকে গায়ের রং নিয়ে আক্রমণ এক নেটিজেনের। শুধু তাই নয়, দুধের বাচ্চাকে নিয়ে মন্তব্য করার সময় ছাড়ালেন সব মাত্রা।

ছেলের গায়ের রং নিয়ে কটাক্ষ, কড়া জবাব মানসীর।
ছেলের গায়ের রং নিয়ে কটাক্ষ, কড়া জবাব মানসীর।

মানসীর একটি পোস্টের তলায় মন্তব্য আসে, ‘কী বিশ্রি বাচ্চাটা! কালা, মুখের গড়নও সুন্দর না। বাপের মতো বিশ্রি হয়েছে।’ ব্যাপারটা নজরে আসতেই জবাব দেন মানসী। লেখেন, ‘এই কমেন্টটা আমি চাইলে ডিলিট করতে পারতাম। করব না, কারণ ফেক আইডি দিয়ে কেউ গুরুত্ব পাবার জন্য কী বলল, তাতে গুরুত্ব দেওয়ার সময় আমার নেই।’

ছেলের জন্মের আগে থেকেই ট্রোলের শিকার তিনি। এমনকী, বছরখানেক আগে দিদি নম্বর ১-এ এসে বৈবাহিক জীবনে চলা সমস্যা নিয়ে মুখ খোলায়, মানসীর ছেলের পিতৃপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকে কিছু মানুষ। যদিও অভিনেত্রী একাধিক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন সেই সময়, ‘মেয়ের জন্য আমরা দুজনে মিটমাট করে নেই। তারপরই দ্বিতীয় বাচ্চা নেওয়ার সিদ্ধান্ত’! এমনকী, অভিনেত্রীর প্রায় সব পোস্টেই কমেন্ট পড়ত, কেন স্বামীর সঙ্গে দেন না ছবি।

মানসীর প্রোফাইলে আসা সেই কমেন্টের স্ক্রিনশট।

যদিও ছেলের মাসখানেক বয়স যখন, তখন মানসী সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান, তিনি আর তাঁর স্বামী ডিভোর্সের পথে হাঁটছেন। যদিও সন্তানদের দায়িত্ব যৌথভাবে পালন করবেন। আপাতত ছেলে আর মেয়ে দুজনেই থাকে মানসীর সঙ্গে। সদ্য নতুন বাড়িও বানিয়েছেন তিনি। লেখের ধারে, সবুজের মাঝে সে আস্তানার ছবি-ভিডিয়ো মন ভালো করে দেয় যে কারও।

প্রায় ৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে টেলি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন মানসী। মডেলিং দিয়ে শুরু হয়েছিল যাত্রা। মাঝে কয়েকবছর বলিউডেও কাজ করেন। দুটি হিন্দি সিরিয়াল করলেও, সেখানে সেভাবে পায়ের তলায় জমি শক্ত করতে পারেননি। তারপর ফিরে আসেন কলকাতায়। আপাতত তাকে দেখা যাচ্ছে জি বাংলার ‘তারে ধরি ধরি মনে করি’ ধারাবাহিকে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Tulika Samadder

হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe